চট্টগ্রাম সোমবার, ২৬ আগস্ট, ২০১৯

সর্বশেষ:

২৮ জুলাই, ২০১৯ | ১:৩১ পূর্বাহ্ণ

সাদেক রিপন হ কুয়েত

ভিসার ধরন না বুঝে কুয়েতে এসে বিপাকে পড়েছে প্রবাসীরা

ভিসার ধরণ না বুঝে কুয়েতে বিপাকে পড়েছে প্রবাসীরা। কুয়েতে বিভিন্ন ধরনের ক্যাটাগরির ভিসা রয়েছে তার মধ্যে হল ফ্যামেলি ভিসা, টুরিস্ট ভিসা, মাছনা, মাছুরা ভিসা খাদেম ভিসা (২০ নাম্বার) রিলিজ দিলে এক কুয়েতির ঘর থেকে অন্য কুয়েতির ঘরে ভিসা লাগাতে হয়। অন্য কোথায়ও ভিসা পরিবর্তন করা যায় না। মাজরা রায় শোন (১৮ নাম্বার) এই ভিসায় খামার অথবা বাগানের নির্দিষ্ট এলাকার বাহিরে কাজ করা যায় না অবৈধ। চেকে পড়লে যেকোন সময় গ্রেপ্তার করতে পারে স্থানীয় প্রশাসন।
আহলি (১৮ নাম্বার) শোন ভিসা কোম্পানির চুক্তির নির্দিষ্ট সয়ম শেষ হওয়ার পর অন্য যেকোন কোম্পানিতে ভিসার লাগাতে পারে প্রচলিত নিয়ম মেনে। তবে বিভিন্ন অনিয়ম ও অভিযোগ পাওয়ার কারণে বাংলাদেশিদের জন্য সব ধরণের ভিসা বন্ধ করে দিয়েছে দেশটির সরকার। শুধুমাত্র বর্তমানে কুয়েতে সরকারি ভাবে আকদ হুকুমা নামে (১৮ নাম্বার) ভিসা চালু রয়েছে। যে ভিসাগুলো কুয়েত সরকার কর্তৃক বিনা মূল্যে প্রদান করেছে বিভিন্ন কোম্পানিদের এই ভিসায় কাজ হল পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার, অন্য কোন কোম্পানিতে ট্রান্সপার যোগ্য নয়। বেতন কুয়েতি ৬০ দিনার (বাংলা টাকায় প্রায় ১৭ হাজার টাকার প্রায়) মসজিদ, মাদ্রাসা ও কুয়েতের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ হয়ে থাকে। আসার দুই বছর পর যে কোম্পানির মাধ্যমে আসছে সেই কোম্পানির লোকদের টাকা দিয়ে যে সাইটে কাজ করছে সেই সাইট থেকে অন্য সাইটে পরিবর্তন করতে পারে।
অথবা এই ধরণের ভিসা গুলো অন্য কোন কোম্পানি নিয়ে থাকলে সেই কোম্পানিতে একই ধরনের কাজে সেই কোম্পানিতে যেতে পারে বেতন একই সুযোগ সুবিধা একই। ভারত, শ্রীলংকা, নেপালী নাগরিকরা শুধুমাত্র ১ লক্ষ টাকা খরচ করে ২ বছর মেয়াদী এ ভিসায় আসেছ। আর কোম্পানির কিছু কর্মকর্তা ও ভিসার দালালরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাংলাদেশির কাছে এই ভিসাগুলো নানা ধরণের সুযোগ সুবিধার কথা বলে ৭ লক্ষ টাকা থেকে ৮ লক্ষ টাকায় বিক্রি করেছে। মানবাধিকার কর্মী কুয়েত প্রবাসী নুর আলম বাশার বলেন, বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় উদ্যোগ নিলে আমাদের বাংলাদেশিরাও এক লক্ষ টাকায় এই ভিসায় কুয়েতে আসতে পারে কিন্ত আমাদের দেশে কিছু অর্থলোভী অসাধু ভিসার দালালদের সিন্ডিকেটের কারণে দেশের শিক্ষিত ও অর্ধশিক্ষিত বেকার যুবকরা তাদের ফাঁদে পড়ে না জেনে উচ্চ মূল্যে ভিসা নিয়ে আসার পর আপসোস করে। যাদের পরিচিত লোক আছে তারা হয়তো কেউ কেউ পার্টটাইম জব খুঁজে পাচ্ছে। বেশিরভাগেই পাচ্ছে না। যে আকামা সেখানে ছাড়া অন্যত্র কাজ করা কুয়েতি আইনে অবৈধ। আবার কুয়েতে অনেক জাগায় কাজ থাকলেও বিভিন্ন ক্যাটাগরির আকামা সমস্যা থাকার কারণে কাজে নিতে চায় না কেউ। যার কারণে দালালের লোভনীয় কথা ৭ লাখ ৮ লাখ টাকায় ভিসা নিয়ে এখানে আসার পর বাস্তব পরিস্থিতি করতে গিয়ে হতাশা আর মানবেতর জীবনযাপন করছে অনেক প্রবাসী।

The Post Viewed By: 576 People

সম্পর্কিত পোস্ট