চট্টগ্রাম রবিবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৯

সর্বশেষ:

১৭ জুলাই, ২০১৯ | ১:০৮ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব সংবাদদাতা, ফটিকছড়ি

ফটিকছড়ির বন্যা পরিস্থিতি কমেছে বন্যার পানি কমেনি দুর্ভোগ

ফটিকছড়িতে বন্যার পানি নামতে শুরু করেছে। প্রায় সব ক’টি ইউনিয়নে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। সেই সাথে উপজেলার প্রধান নদী হালদা, ধুরুং, সর্ত্তা, লেলাং, বারমাসিয়া খালে পানি কমেছে। কিন্তু পানি কমলেও কমেনি বন্যা কবলিত মানুষের দুর্ভোগ। এখনো কিছু কিছু নিচু এলাকায় বন্যার পানি রয়ে গেছে। এদিকে বন্যা কবলিত এলাকার মানুষের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ৫০ মেট্রিক টন চাল, ৪শ ব্যাগ ত্রাণ সামগ্রী ও নগদ এক লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে বলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আলী হোসেন জানিয়েছেন। এসব ত্রাণ সামগ্রী ফটিকছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান হোসাইন মো. আবু তৈয়ব ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সায়েদুল আরেফিন বিভিন্ন বন্যা কবলিত এলাকায় ইতোমধ্যে বিতরণ করেছেন বলে জানা গেছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ফটিকছড়ির সমিতিরহাট, রোসাংগিরি, নাজিরহাট পৌরসভা এলাকা, সুয়াবিল, হারুয়ালছড়ি, পাইন্দং, সুন্দরপুর, লেলাং এই ৮টি ইউনিয়নকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত উল্লেখ করে এবং ফটিকছড়ি পৌরসভা সহ বেশ কয়েকটি ইউনিয়নকে আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত উল্লেখ করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট আরো ত্রাণ সহায়তা চাওয়া হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে। তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সমিতিরহাট ইউনিয়ন। এখানে সরকারি ত্রাণ সহায়তার পাশাপাশি ইউপি চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ ইমন তার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকেও প্রচুর ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছেন।
এদিকে, ফটিকছড়ি থেকে নির্বাচিত সাংসদ আলহাজ সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভা-ারী ফটিকছড়ির বন্যা কবলিত এলাকার মানুষের সার্বক্ষণিক খোঁজ খবর রেখেছেন বলে উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে। তিনি বন্যা কবলিত এলাকার মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে যা যা করণীয় তা করছেন বলে এ প্রতিবেদককে জানান।
অপরদিকে, উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তৈয়ব দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে শুরু থেকেই কাজ কওে যাচ্ছেন। সরকারি ত্রাণ সামগ্রীর পাশাপাশি তিনি ব্যক্তিগত পক্ষ থেকেও দুর্গত মানুষকে খাদ্য সামগ্রী দিয়ে চলেছেন।

The Post Viewed By: 108 People

সম্পর্কিত পোস্ট

Optimized with PageSpeed Ninja