সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১২
রামগড়ে শিশু ধর্ষণ ধর্ষককে ধরতে পুরস্কার ঘোষণা
নিজস্ব সংবাদদাতা, রামগড়: রামগড় উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম দাঁতারাম পাড়ায় এক পাষন্ড ১২ বছরের শিশু কন্যাকে গাছের সাথে বেধে ধর্ষণ করেছে। গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় ধর্ষিতা শিশুকে রামগড় থানায় এনে অভিযোগ দায়ের করেছেন তার মা ও বাবা। ধর্ষণকারী শহীদ উল্লাহ (৩০) ঘটনার পরই গা ঢাকা দিয়েছে। শিশুটির (নাম প্রকাশ করা হল না) মা রওশন আক্তার বলেন, গতকাল রবিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাসার পিছনের ক্ষেত থেকে মরিচ আনতে গেলে পার্শ্ববর্তী গ্রাম ঢাকাইয়া কলোনীর সুলতান আহম্মদের ছেলে শহীদ উল্লাহ (৩০) মেয়ের মুখ চেপে ধরে পাশের একটি গামারী গাছের বাগানে নিয়ে যায়।
সেখানে শহীদ উল্লাহ একটি গাছের সাথে মেয়েটিকে গামছা দিয়ে বেধে ধর্ষণ করে। পরে ধর্ষণের কথা কাউকে বললে খুন করার ভয় দেখিয়ে পাষন্ড শহীদুল পালিয়ে যায়। ধর্ষিতা শিশু জানায়, মুখ বেধে রাখার দরুণ সে চিৎকারও দিতে পারেনি। তার দিনমজুর বাবা আব্দুল মালেক বলেন, মেয়ে বাসায় এসে ঘটনাটি প্রকাশ করার পর স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে বিষয়টি জানালে তিনি দ্রুত থানায় গিয়ে মামলা করার পরামর্শ দেন। পাতাছড়া ইউপি চেয়ারম্যান কাজী আলমগীর বলেন, শহীদ উল্লাহ অসংখ্য অপকর্মের হোতা। সে তিনটি বিয়ে করেছে। প্রথম এক স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা করেছে। নির্যাতনের কারণে একজন পালিয়ে গেছে। রবিবারের ধর্ষণের ঘটনা ছাড়াও তার বিরুদ্ধে আরও বহু ধর্ষণের অভিযোগ আছে। তিনি বলেন, সে একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী। প্রাণ ভয়ে কেউ তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করতে সাহস পায়না। গতকাল রবিবার ধর্ষণের ঘটনার পর তাকে ধরতে গ্রামবাসীরা দিনভর পুরো এলাকায় তল্লাশী চালিয়েছে। কিন্তু ধরা সম্ভব হয়নি। ইউপি চেয়ারম্যান কাজী আলমগীর আরও বলেন, ‘তার বাবা সুলতানকে ঢেকে এনে ২৪ ঘন্টা সময় বেধে দেওয়া হয়েছে শহীদুল্লাকে ধরে এনে দিতে। এছাড়া তাকে যে ধরে দেবে তাকে ১০হাজার টাকা পুরুস্কার দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছি।’রামগড় থানার এস আই সমীর বলেন, অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথে আসামিকে ধরতে পুলিশ তৎপরতা শুরু করেছে। আজ সোমবার ধর্ষিতাকে মেডিক্যাল পরীক্ষা করানোর জন্য খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে।| < Prev | Next > |
|---|



