শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১২
মহানবীকে নিয়ে অবমাননাকর সিনেমা
নির্মাতার বিরুদ্ধে এবার
অভিনেত্রীর মামলা
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স.)- কে নিয়ে অবমাননাকর চলচ্চিত্র তৈরির নির্মাতা নাকুলা বাসিলে নাকুলার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ওই ছবির অভিনেত্রী সিনডি লি গার্সিয়া।-ফোকাস বাংলা আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়া আদালতে দায়ের করা মামলার আর্জিতে তিনি পরিচালক বাসিলের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও মিথ্যা অপবাদের অভিযোগ এনেছেন। সিনডি লি জানান, ‘পরিচালক বাসিলে সিনেমা তৈরির আগে তাকে জানিয়েছিলেন যে, এটি হবে প্রকৃতপক্ষে প্রাচীন মিশরের নাগরিকদের দুঃসাহসিক অভিযান নিয়ে একটি চলচ্চিত্র।’ এ নিয়ে ‘ইনোসেন্স অব মুসলিম’ চলচ্চিত্রের তিন অভিনেত্রী নির্মাতা বাসিলের বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ করলেন। ন্যাক্কারজনক চলচ্চিত্র নির্মাণের পর সিনডি লি গার্সিয়াকে হত্যার হুমকি দেয়া হচ্ছে -এমন কথা উল্লেখ করে আদালতে তার আইনজীবী গুগল ও ইউটিউব থেকে ওই অবমাননাকর চলচ্চিত্রের ভিডিও ক্লিপ সরিয়ে নেয়ার দাবি জানান। এ ভিডিও সম্প্রচারের পর থেকে গার্সিয়া তার নাতি-নাতনিদের সঙ্গে দেখা করতে পারছেন না।
এর আগে চলচ্চিত্রের আরেক অভিনেত্রী লিলি ডিওনে মার্কিন টেলিভিশন চ্যানেল সিএনএন-কে বলেছেন,‘তিনি যে চলচ্চিত্রের কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন তার আসল নাম ছিল ‘ডেজার্ট ওয়ারিয়র’ বা ‘মরুর যোদ্ধা’। লিলি ডিওনে বলেন, ‘আসলে পরিচালক বাসিলের একটা বিশেষ মিশন ছিল। তিনি একটি বিশেষ উপায়ে কিছু করতে চাইছিলেন। একমাত্র তিনিই জানতেন তিনি কি করবেন। আসলে তিনি আমাদের সবাইকে নিয়ে পুরোটা সময় খেলেছেন।’
লিলি জানান, পোস্ট প্রডাকশনের সময় তাকে এবং অন্য শিল্পীদের ডাকা হয়। এ সময় বিশেষ শব্দ ‘মুহাম্মাদ’ রেকর্ড করা হয়েছে যা আগে ছিল জর্জ। লিলি জানান, মূল স্ক্রিপ্টে মুহাম্মদ নাম ছিল না। ন্যাক্কারজনক এ চলচ্চিত্রের আরেক অভিনেত্রী আনা গুরজি জানিয়েছেন, নায়কের অনুমতি ছাড়া ছবির ডাবিং করা হয়েছে। এ সময় সংলাপের বাক্যগুলো আমূল পরিবর্তন করা হয়েছে এবং এক পর্যায়ে তা ইসলাম-বিরোধী রূপ নিয়েছে। এমনকি পরবর্তীতে চরিত্রগুলোর নাম বদল করা হয়েছে। তিনি জানান, প্রথম অভিনয় করার সময় যে চরিত্রের নাম ছিল জর্জ পরে তার নাম হয়ে গেছে মুহাম্মাদ।
| < Prev | Next > |
|---|



