চট্টগ্রাম, সোমবার,২০ মে ১৩ । ৬ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২০ বঙ্গাব্দ । ০৯ রজব ১৪৩৪ হিজরি। Monday,20 May 13

 

Banner
Banner
Banner

বিজ্ঞাপন  

Banner

Bangla Font  

কাগজে যেমন ওয়েবেও  

Banner

বিজ্ঞাপন  

Banner

অনলাইন জরিপ  

শুক্রবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১২

পনের দিনের মধ্যে
এলসির বিল
পরিশোধের নির্দেশ

ঋণপত্রের (এলসি) বিপরীতে ত্রুটিমুক্ত বৈদেশিক ও স্থানীয় মুদ্রার অনিষ্পন্ন বিলগুলো আগামী ১৫ দিনের মধ্যে পরিশোধ করতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কোন ব্যাংক এটি না করলে তার বিরম্নদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।-বাংলানিউজ প্রয়োজনে সংশিস্নষ্ট ব্যাংকের ডিপোজিট হিসাব থেকে এটি সম্বনয় করে বাংলাদেশ ব্যাংক তা পরিশোধ করে দিবে। বৃহস্পতিবার তফসিলি ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি) এর সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গভর্নর ড. আতিউর রহমানের সভাপতিত্বে বৈঠকে ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীরা উপস্থিত ছিলেন। সকাল এগারোটায় বৈঠক শুরম্ন হয়ে সোয়া একটা পর্যমত্ম চলে।
এসময় বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ঋণ ও আমানতে সুদের ব্যবধান নিমণতর এক অংক সীমিত রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৈঠক শেষে বৈঠকের বিস্তারিত তুলে ধরেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস কে সূর চৌধুরি। এসময় এবিবি’র চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নুরুল আমিন বক্তব্য রাখেন। উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুল মান্নান, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক এস এম মনিরম্নজ্জামান প্রমুখ।
এস কে সূর বলেন, জুন ২০১২ থেকে সর্বশেষ তথ্য মতে মোট ৬ হাজার ৭৪৬টি অভ্যমত্মরীন বিল এবং ৫১৪ বৈদেশিক মুদ্রার বিল অনিষ্পত্তি অবস্থায় রয়েছে। এর মোট আর্থিক মূল্য প্রায় ৩৬ কোটি ডলার। এর কিছু সোনালী ব্যাংকের হলমার্ক গ্রম্নপের সঙ্গে সম্পৃক্ত। যেগুলোর তদমত্ম হচ্ছে। কিন্তু অন্যগুলো বিষয়ে ব্যাংকগুলোকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
এসকে সূর বলেন, সোনালী ব্যাংকের ঋণপত্রে কেনায় এটি এখন ব্যাংকগুলোর দায়। তাই এটি পরিশোধ করা নৈতিক দায়িত্ব। আর এলসি ক্রয়-বিক্রয়ে অনিয়ম হলে এর দায় দায়িত্ব নিতে প্রধান নির্বাহীদের।
ডেপুটি গভর্নর বলেন, কিছু বিদেশি ব্যাংকের সেপ্রড তুলনামূলক ভাবে বেশি। এ ব্যাপারে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করা হয়েছে। এবং তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, নিমণতর এক অংকে নামিয়ে আনতে।
তিনি আরো বলেন, বৈঠকে ঋণ শ্রেণীকরণ ও প্রভিশনিং এবং ঋণ পুন তফসিলিকরণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ব্যাংকগুলোর পক্ষে কিছু সুপারিশ করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক মূল কাঠামো ঠিক রেখে তা সংশোধন করা হবে।
তবে পরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সময় বাড়ানো হবে কিনা তা এখনও চুড়ান্ত হয়নি।
সূর বলেন, সোনালী ব্যাংকের উদ্বৃত্ত ঘটনা নিয়ে বিসত্মারিত কথা হয়েছে। তবে আতংক হবার নয়। অস্বস্তির কিছু নেই। এদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
তিনি আরো বলেন, ব্যাংকগুলোর অনিয়ম ও দুর্নীতিরোধে বিশেষ দল গঠন করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে বিশ্ব ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে।
এসময় এবিরি চেয়ারম্যান বলেন, সোনালী ব্যাংক থেকে জালিয়াতির টাকা আদায়ে জোড় দিতে হবে। আমরা এ ব্যাপারে অনুরোধ করেছে। তবে এমন একটি ঘটনা অন্য বেসরকারি ব্যাংকে ঘটলে বিশাল ক্ষতি হতো। সোনালী ব্যাংক বড় ব্যাংক। তাই আস্থা নষ্ট হয়নি।
এই বৈঠকের আগে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি) এর সঙ্গে বৈঠক করেন গভর্নর। সংগঠনের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার ৪ জন প্রতিনিধি নিয়ে বৈঠকে অংশ নেন।
বাংলাদেশ সময়: ১৪৫৪ ঘণ্টা, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১২

© 2013 - The Purbokone Limited
সম্পাদক: স্হপতি তসলিমউদ্দিন চৌধুরী
দি পূর্বকোণ লিমিটেড এর পক্ষে পরিচালনা সম্পাদক জসিম উদ্দীন চৌধুরী কর্তৃক প্রকাশিত ও নিউজ মিডিয়া সার্ভিসেস,
৯৭১/এ, সিডিএ এভিনিউ, পূর্ব নাসিরাবাদ, চট্টগ্রাম হতে মুদ্রিত। ফোনঃ পিএবিএক্স ০৩১-৬৫০৯০৯, ০৩১-৬৫১৯৬৮, ০৩১-৬৫১৯০৬ ফ্যাক্সঃ ০৩১-৬৫৪০১১
ঢাকা কার্যালয়ঃ ১/এ, পুরানা পল্টন লেইন, ঢাকা, বাংলাদেশ। ফোনঃ ০২-৯৩৩২৬৫৭, ০২৮৩৫৯৩৮২
অনলাইন সংস্করনের দায়িত্বে নিয়োজিতঃ সাউথ বে আইটি সলিউশন লিমিটেড