মামলা প্রত্যাহারসহ ৫ দফা সিদ্ধান্ত
ভেটেরিনারি ভার্সিটি ও প্রাণী সম্পদ দপ্তরের মধ্যে অবশেষে সমঝোতা
নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রাণী রোগ নির্ণয় পরীক্ষাগার নির্মাণকে কেন্দ্র করে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের মধ্যে গতরাতে সমঝোতা হয়েছে। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি এন্ড এনিম্যাল সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিভাসু) আট শিক্ষকসহ শতাধিক ছাত্রের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার ও চট্টগ্রাম কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্রে ল্যাবরেটরি নির্মাণে উভয়পক্ষ সম্মত হয়েছে।উল্লেখ্য, গত বুধবার সকালে উক্ত হামলার ঘটনায় বিভাগীয় প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক শংকর কুমার চক্রবর্তী বাদি হয়ে বুধবার রাতে খুলশী থানায় মামলা করেন। মামলায় ড. গৌতম দেবনাথ, ড. আলমগীর হোসেন, ড. লুৎফর রহমান, ড. গৌতম বৈদ্য দাশ, ডা. সুচন্দন, ডা. শুভাগত দাশ, এহসানুল হক, ডা. এমরান হোসেন ছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরো দেড়শ ছাত্রকে অভিযুক্ত করা হয়।গতকাল সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহফুজুল বারীর সভাপতিত্বে তার অফিস কক্ষে উভয় পক্ষের মধ্যে এক সমঝোতা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্রের পরিচালক ডা. ফরহাদ হোসেন, জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আবদুল হাই, চিটাগং ডেইরি এন্ড পোল্ট্রি ফার্ম এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মালিক মোহাম্মদ ওমর, নাহার এগ্রোর এমডি মো. রফিকুর রহমান, ডেইরি ফার্ম এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ ওমর ফারুক, সদস্য নাঈম উদ্দিন, মীর ইমরুল হাসান চৌধুরী, বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে প্রফেসর ড. গৌতম কুন্ডু দাশ, প্রফেসর ড. এম এ মতিন, প্রফেসর ডা. এ কে এম সাইফুদ্দীন, প্রফেসর ড. মাসুদুজ্জামান, প্রফেসর ড পরিতোষ কুমার বিশ্বাস, আবদুর রশীদ ও শাহ মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে ৫ দফা সিদ্ধান্তের পর উভয় পক্ষ সমঝোতায় উপনীত হয়। সিদ্ধান্তসমূহ হচ্ছে, ৫ সেপ্টেম্বরের ঘটনায় উভয় পক্ষ দু:খ প্রকাশ করেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও বিভাগীয় প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর যৌথভাবে প্রাণী রোগ নির্ণয় ল্যাবরেটরির স্থান নির্ধারণ করে ল্যাবরেটরি নির্মাণ করা হবে। এ ব্যাপারে উপাচার্যকে ক্ষমতা প্রদান করা হয়, প্রাণী সম্পদ দপ্তর কর্তৃক দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার করে নেয়া হবে, আগামী ৯ সেপ্টেম্বর আন্ত:মন্ত্রণালয় সভায় বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রাণী সম্পদ দপ্তরের জায়গা চিহ্নিতকরণে উভয়পক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন, প্রাণী সম্পদ দপ্তরের স্থাপনায় যে ক্ষতি হয়েছে তা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পূরণ করবে।
| < Prev | Next > |
|---|



