বিভিন্ন স্থানে সেনাবাহিনী ও পুলিশের অভিযান
প্রথমে আলীকদম সদরে পরে দুর্গম রমডম পাহাড়ে আস্তানা গাঁড়ে কাফি
নিজস্ব সংবাদদাতা, বান্দরবান : কক্সবাজার থেকে গ্রেফতারকৃত জামায়াতুল আরাকানের সদস্য আবদুল্লা হেল কাফিকে নিয়ে বান্দরবান জেলার আলীকদমে অভিযানে নেমেছে পুলিশ। অভিযানে পুলিশকে সহায়তা দিচ্ছেন আলীকদম সেনা জোনের সদস্যরা। বুধবার রাতে আলীকদম উপজেলা সদরের বেশ কয়েকটি স্থানে গভীর রাত পর্যন্ত টানা অভিযানের পর গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে জঙ্গি কাফিকে নিয়ে কক্সবাজার ও আলীকদম পুলিশ দুর্গম পুয়ামুহুরী এলাকার রমডম পাহাড়ে অভিযানে গিয়েছে। অভিযানের নেতৃত্ব দিচ্ছে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. বাবুল আক্তার। পুলিশের সাথে সেনাবাহিনীর ১০ সদস্যও যোগ দিয়েছে। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এখনো অভিযানকারী দলটি ফিরে আসেনি। আলীকদমের দুর্গম বমডম পাহাড়ী এলাকায় আবদুল্লাহ্ হেল কাফি ও তার অপর ৩ সহযোগি জঙ্গি আস্তানা বানিয়ে সেখানে প্রশিক্ষণ নিতো। স্থানীয়দের বাধার মুখে তারা এ বছরের জুলাইতে সেখান থেকে ফিরে কক্সবাজারে আশ্রয় নেয়। জঙ্গি কাফি গ্রেফতারের পর পুলিশের কাছে বিষয়গুলো জানায়। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ বৃহস্পতিবার রাতে আলীকদম সদরে অভিযান চালায়। পরে রমডম পাহাড়ী এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এদিকে বান্দরবানের একটি গোয়েন্দা সংস্থার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে আলীকদম পুলিশ বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে কয়েকদফা অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে আটক করে। এদের মধ্যে জিজ্ঞাসাবাদের পর ২ জনকে ছেড়ে দেয়া হয়। উপজেলা সদরের থানা পাড়া থেকে আটক করা হয় আবদুল মজিদ (৬০) ও তার ছেলে আবু হানিফকে (৩০)। এছাড়া সাবের মিয়া পাড়া থেকে আটক করা হয় মোহাম্মদ হোসাইনকে (৩৫)। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আটককৃতরা জঙ্গি আবদুল্লাহ্ কাফিকে আলীকদমে নানাভাবে সহায়তা দিয়েছে বলে সূত্র জানায়। পুলিশ অভিযানে বেশ কিছু জিহাদী বইও উদ্ধার করে। পুলিশ ও গোয়েন্দা সূত্র জানায়, কক্সবাজার থেকে গ্রেফতারকৃত জঙ্গি কাফি প্রথমে বান্দরবানের আলীকদম সদরে পরে দুর্গম বমডম পাহাড়ী এলাকায় আস্তানা গাঁড়ে। সেখানে ঘর বানিয়ে মাটির নিচে বাংকারও খনন করে। কাফিসহ তার সহযোগিরা জামায়াতুল আরাকান নামে নতুন করে সংগঠিত হচ্ছিল বলে পুলিশকে জিজ্ঞাসাবাদে জানায়।
| < Prev | Next > |
|---|



