শনিবার, ১৮ অগাষ্ট ২০১২
নগরীর বিউটি পার্লারগুলোতে উপচেপড়া ভিড়
কর্মীরা ক্লান্ত, পরিশ্রান্ত : কেউ চুল কাটছেন
কেউবা মেহেদি লাগাচ্ছে চুলে কিংবা হাতে

ডেইজী মউদুদ : দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদ। বাকি মাত্র আর মাত্র ক’টা দিন ।সারা মাস কেনাকাটা শেষ করে রূপ সচেতন নারীরা এখন বেশির ভাগই নগরীর বিভিন্ন পার্লারে ভিড় করছেন। তারা নিজেকে সুন্দর করে উপস্থাপন করার লক্ষ্যে সাজবেন অনেক সুন্দর করে , চর্চা করবেন সুন্দরের। লুসি বিউটি পার্লার, ফেয়ার টাচ, নিউ লুক, আলভিরাস, পারসোনা, ইভস বিউটি পার্লার ঘুরে দেখা গেছে,
বেশির ভাগই পার্লারে ভিড় বিভিন্ন বয়সী নারীদের । শিশু থেকে শুরু করে কিশোরী, তরুণী, মাঝ বয়সী সকলেই এসছেন। এ প্রসঙ্গে নগরীর প্রথম বিউটি এক্সপার্ট লতিফা হক লুসি বলেন, এতদিন পার্লারে নরমাল চিত্র ছিল। গত ২৫ রোজার পর থেকে মেয়েরা আসতে শুরু করেছে ।আসলে চুল কাটা কিংবা ত্বকের যত্ন যাই হোক না কেন দু একদিন আগে করলে তা পরিপূর্ণ হয় না । অন্তত: এক সপ্তাহ আগে থেকে এসব কাজ শুরু করা উচিৎ। এতে সত্যিকারের বিউটি টা ফুটে উঠে ধীরে ধীরে। অন্যদিকে আমাদের কর্মীদের উপর ও চাপ টা কম হতো। লুসি পার্লারে গিয়ে দেখি একটি হাত ও খালি নেই তার কর্মীদের। কেউ চুল কাটছে, কেউবা ফেশিয়াল করছে, কেউবা হাতের পায়ের যত্ন নিয়ে ব্যস্ত, কেউবা মেহেদি লাগাচ্ছে চুলে, নতুবা দুই হাত ভরে নানারকম নকশায় । ক্লায়েন্টদের জন্য রয়েছে এখানে ইফতারের সুব্যবস্থা। ঈফতার পূর্ববর্তী সময়ে ইফতার সাজানোতে ব্যস্ত এখানকার কর্মীরা।এদিকে ফেয়ার টাচ এর সত্ত্বাধিকারী বিউটিশিয়ান বাঁশরী ব্যানার্জী বলেন ভিন্ন কথা । তিনি বলেন, গতবারের তুলনায় এবারে তাঁর পার্লারে ভিড় অনেক কম। কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, সম্ভবত: লম্বা ছুটি পাওয়ায় বেশির ভাগ মানুষই বাড়ি চলে গেছেন।তবে ক্লায়েন্টরা গত ২৫ রোজার পর থেকে একটু একটু করে আসতে শুরু করেছেন। তিনি বলেন, ইফতারির পর থেকে পার্লারে বেশি ভিড় থাকে।লুসি পার্লারের একজন নিয়মিত ক্লায়েন্ট মৌসুমি। তিনি একজন পেশাজীবী তরুণী। তিনি বলেন, আমি আমার বিউটি সংক্রান্ত সব কাজ ই লুসি পার্লারে করে থাকি।এক্সপার্ট ও অভিজ্ঞ বিউটিশিয়ান বলতে আমি লুসি কেই বুঝি।মুক্তা ও রেহনুমা দুই বান্ধবী । তারা নগরীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী । তাদের পছন্দের পার্লার ফেয়ার টাচ। তারা বলেন, ফেয়ার টাচ এর ফেশিায়াল কিংবা ফেয়ার পলিশিং করলে মনে হয় এ মুখ দিয়ে যেন একটি গ্লো বের হয়। অনেক ব্রাইট লাগে। অপেক্ষাকৃত তরুণ ও নবীন বিউটিশিয়ান নিগার সুলতানা মুক্তা । তিনি বলেন, আমার পার্লার নিউ লুক এ সব সময় একই ধরণের ক্লায়েন্টরা আসেন। আমি তাদের বিভিন্ন কাজ আমি নিজে তদারক করে থাকি। এখানে প্রথম থেকে আমার নিয়মিত ক্লায়েন্টরা এসেছেন। তবে ২৫ রোজার পর থেকে ভিড় বেশি। ইফতারের পর থেকে ভিড় টা বেশি পরিলক্ষিত হয় ।&এখানে চুল কাটা, চুল সেটিং, ফেশিয়াল, মেনিকিউর, পেডিকিউর, চুলের রিবন্ডিং সবই করছেন ক্লায়েন্টরা । মেহেদি ও লাগানো হচ্ছে । চুলে কিংবা দু হাতে।