শনিবার, ১৮ অগাষ্ট ২০১২
ঈদ আনন্দ আয়োজনে ‘ওয়েস্টার্ন
ক্রুজ’ এক নতুন সংযোজন

এই ঈদে ‘‘ওয়েস্টার্ণ ক্রুজ’’ চট্টগ্রামবাসীর জন্য এক চমৎকার, ব্যতিক্রমী ও আকর্ষণীয় নৌভ্রমণ উপহার দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে। দেশের একমাত্র বিলাসবহুল নৌযান ‘‘ওয়েস্টার্ন ক্রুজ’’ ঈদের দিন থেকে চট্টগ্রামের সকল বয়সের ও সকল শ্রেণীর মানুষের জন্য এক আনন্দঘন ও বৈচিত্রময় নৌ ভ্রমণের আয়োজন করেছে।পতেঙ্গা ১১ নং ঘাট সংলগ্ন চট্টগ্রাম বোট ক্লাব থেকে ওয়েস্টার্ন ক্রুজ এর যাত্রা শুরু হবে।
প্রতিদিন ২টি করে নৌ বিহারের ব্যবস্থা রয়েছে। বিকাল ৪ টা থেকে ৬ টা এবং সন্ধ্যা ৭ টা থেকে রাত ৯ টা। প্রতিদিনের ক্রুজিং এ ভ্রমন পিপাসুরা নানাবিধ ও রকমারী বিনোদনের স্বাদ পাবেন। যেমন আকর্ষণীয় স্ন্যাক্স প্যাকেট, সঙ্গীত, ম্যাজিক, তাৎক্ষণিক ফটো সার্ভিস, কিডস কর্ণার এবং আরো অনেক কিছু। উপরন্তু এই ঈদে বিশেষ মূল্য ছাড় হিসেবে রয়েছে প্রতি ৫ টি টিকেট ক্রয়ের বিপরীতে ১টি টিকেট একদম ফ্রি। ২০১২ সালে ‘‘ওয়েস্টার্ন ক্রুজ’’ পতেঙ্গায় অবস্থিত কর্ণফূলীর তীরে প্রাকৃতিক নৈসর্গে অবস্থিত দৃষ্টিনন্দন চট্টগ্রাম বোট ক্লাব থেকে সুবর্ণ যাত্রা শুরু করে। এই ক্যাটামেরান ধরণের বিশেষায়িত নৌযান যাত্রীদের সার্বিক স্বাচ্ছন্দ, বিনোদন এবং সর্বোচ্চ নিরাপত্তার দিকে লক্ষ্য রেখে নির্মাণ করা হয়েছ। ২০০ জন যাত্রী বহন ক্ষমতা সম্পন্ন এই জাতীয় বিশেষ শ্রেণীর নৌযান দেশে এই প্রথম বারের মত এ দেশীয় শীপইয়ার্ড ‘‘ওয়েস্টার্ন ক্রুজ’’ এ নির্মিত হয়েছে।বিশ্বের উন্নত শহর যেমন দুবাই, ব্যাংকক, সাংহাই ইত্যাদি শহরে নৌভ্রমন একটি অত্যমত্ম আকর্ষনীয় ও জনপ্রিয় বিনোদন মাধ্যম। ‘‘ওয়েস্টার্ন মেরিন’’ ও ‘‘বোট ক্লাব’’ এই উদো্যগ গ্রহণ করে চট্টগ্রামের বিনোদন ব্যবস্থায় এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।চট্টগ্রাম সমগ্র বিশ্বের শুধুমাত্র কয়েকটি স্থানের সাথে তুলনীয় যা ভৌগলিকভাবে প্রকৃতির অপার সুষমায় সাগর, সৈকত, পাহাড়, নদী, বন ভূমি ও বনাঞ্চল একসাথে উপভোগ ও অবলোকন করা যায়। প্রকৃতির এই অপার, অপরূপ বৈচিত্র অনুধাবনের জন্য কর্ণফূলী নদীতে নৌবিহারের বিকল্প নেই এবং ‘‘ওয়েস্টার্ন ক্রুজ’’ সেই সুবর্ণ সুযোগ উপহার দিচ্ছে। কর্ণফূলীর নদীর উভয় তীরে অবস্থিত চট্টগ্রাম বন্দর, নেভাল বেজ, মেরিন একাডেমি, নেভাল একাডেমি, কাফকো, চট্টগ্রাম ড্রাই ডক, তৈল শোধনাগার, সিমেন্ট ক্লিংকার এবং আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা যা চট্টগ্রামে থেকেও আমাদের অনেকের অজানা।-বিজ্ঞপ্তির