চট্টগ্রাম, শুক্রুবার,২৪ মে ১৩ । ১০ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২০ বঙ্গাব্দ । ১৩ রজব ১৪৩৪ হিজরি। Friday,24 May 13

 

Banner
Banner
Banner

বিজ্ঞাপন  

Banner

Bangla Font  

কাগজে যেমন ওয়েবেও  

Banner

বিজ্ঞাপন  

Banner

অনলাইন জরিপ  

শুক্রবার, ২৭ জুলাই ২০১২

এমিরেটসের ফ্লাইটে শাওনের অন্য রূপ

বাংলানিউজে ‘নূহাশ পল্লীতে হুমায়ূনের দাফন, অন্তরালের ঘটনা’ শিরোনামে আবু তাহের খোকনের অনুসন্ধানী এবং তথ্যবহুল প্রতিবেদনটি পড়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পাঠক একটি প্রতিক্রিয়া পাঠিয়েছেন আমাদের কাছে। তিনি হুমায়ূন আহমেদের মরদেহ বহনকারী এমিরেটস এয়ারওয়েজের ফ্লাইটে হুমায়ূনের স্বজনদের সহযাত্রী ছিলেন। তিনি ওই ফ্লাইটে তার দেখা কিছু দৃশ্যপট বাংলানিউজের পাঠকদের সঙ্গে শেয়ার করতে চেয়েছেন।

ই-মেইলে ইংরেজিতে পাঠানো ওই চিঠি এখানে বাংলায় তুলে ধরা উপস্থাপন হলো-- ‘‘আমি লক্ষ্য করেছি, ড. হুমায়ূন আহমেদের দাফন নিয়ে খবরের অন্তরালের কিছু খবর আপনারা সামনে আনছেন। আমার মনে হয়, এমিরেটসের সেই ফ্লাইটে সংঘটিত কিছু ঘটনা আপনাদের সঙ্গে আমার শেয়ার করা উচিৎ যে ফ্লাইটে করে শাওন এবং তার পুরো পরিবার যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে  ফিরেছেন। ঘটনাগুলো শুরু হয় দুবাই বিমানবন্দর থেকে, যা ছিল এ রকম- আমি সে সময় বিজনেস লাউঞ্জে ছিলাম। তবে শাওন ও তার পরিবারের কাউকে বিজনেস লাউঞ্জের কোথাও দেখলাম না। আমি ধারণা করলাম, এখানে তাদের সরকারের পক্ষ থেকে প্রথম শ্রেণীর টিকেট দেওয়া হয়েছে। ১০ মিনিটের মধ্যেই ওই পরিবারটি আমার দৃষ্টিগোচর হলো; তহুরা আলী এমপি তার দুই নাতির হাত ধরে এগিয়ে আসছেন। তার সঙ্গে শাওনের বয়সী একটি মেয়েকেও দেখলাম (তবে তিনি ওই অভিনেত্রীর চেয়ে ঢের বেশি সুন্দরী) এবং ওই মেয়ের সঙ্গে শাওনের চেহারার অনেক মিল। তিনি হয়তো তার চাচাতো বোন বা বড় বোন হবেন বলে আমার ধারণা। তাদের সঙ্গে আরো দুই বা তিন জন ছিলেন যাদের একজন পুরুষ যাত্রী হবেন যিনি বিজনেস ক্লাস কেবিনের পেছনের দিকে একটি আসন নিয়েছিলেন। শাওন ঠিক তার মায়ের পেছনেই ছিলেন আর তাকে বেশ ফুরফুরেই লাগছিল।  তার চেহারায় কোনো শোকের বা দুঃখের চিহ্ন নেই (ঢাকায় পৌঁছার পর আমরা তাকে যেমন দেখেছিলাম ঠিক তার বিপরীত)।তিনি (শাওন) প্রথমে প্রথম সারিতে বসলেন কিন্তু যেহেতু এটি একজন বাংলাদেশি সরকারি কর্মকর্তার জন্য বরাদ্দ ছিল তাই তিনি এবং তার সন্তানদের চতুর্থ সারিতে যেতে হল শেষ পর্যন্ত। যখন আসন গ্রহণ করলেন, দেখা গেল বিজনেস ক্লাসের আরামদায়ক পরিসেবা ভালই উপভোগ করছিলেন। তখন তিনি তার বাচ্চাদের সঙ্গে খেলছিলেন এবং তাদের সঙ্গে কৌতুকও করছিলেন।তহুরা আলীকে খুব ক্লান্ত মনে হচ্ছিল এবং তিনি বাচ্চাদের থেকে দূরে একটি আসনে বসেন। চার ঘণ্টার পুরো ফ্লাইটেই তিনি ঘুমিয়েছেন। ফ্লাইটের পরবর্তী অংশে বাচ্চারা তাদের মা এবং অন্য সেই মেয়েটির সঙ্গে ঘুমিয়ে পড়ে।  ওই ফ্লাইটে কয়েক জন জার্মান নাগরিক সিমেন্স কোম্পানির হয়ে ঢাকায় আসছিলেন। দেখা গেল, শাওন সুদর্শন এক বাংলাদেশি তরুণের সঙ্গে বেশ ভাব নিয়ে কথা বলছিলেন। তাদের আলোচনায় কান পেতে শুনতে পেলাম, ওই তরুণ একজন ব্যবসায়ী এবং তিনি যুক্তরাজ্য থেকে ফিরছিলেন। ঢাকায় বিমান থামার পর ওই তরুণ প্রথমেই বিমান থেকে নেমে অদৃশ্য হয়ে যান এবং শাওনও সম্ভবত খুব খুশি হলেন এ কারণে যে, তার এইসব প্রাঞ্জল অভিনয় দেখার জন্য তিনি শেষতক উপস্থিত ছিলেন না।ঢাকায় আসার পর টিভিতে আমরা যে দৃশ্য দেখলাম তা সম্পূর্ণ আলাদা! ফ্লাইটে যা করেছিলেন আর ফেরার পর ক্রন্দনরত শাওন সম্পূর্ণ আলাদা!আশা করি আমার বর্ণিত এ দৃশ্যগুলো হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যু, তার মরদেহ দেশে নিয়ে আসা এবং দাফন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার অন্তরালের দৃশ্যপট সম্পর্কে একটি পরিষ্কার ধারণা বা সিদ্ধান্তে আসতে সহায়তা করবে-- অনুসন্ধিৎসু সবাইকে।

© 2013 - The Purbokone Limited
সম্পাদক: স্হপতি তসলিমউদ্দিন চৌধুরী
দি পূর্বকোণ লিমিটেড এর পক্ষে পরিচালনা সম্পাদক জসিম উদ্দীন চৌধুরী কর্তৃক প্রকাশিত ও নিউজ মিডিয়া সার্ভিসেস,
৯৭১/এ, সিডিএ এভিনিউ, পূর্ব নাসিরাবাদ, চট্টগ্রাম হতে মুদ্রিত। ফোনঃ পিএবিএক্স ০৩১-৬৫০৯০৯, ০৩১-৬৫১৯৬৮, ০৩১-৬৫১৯০৬ ফ্যাক্সঃ ০৩১-৬৫৪০১১
ঢাকা কার্যালয়ঃ ১/এ, পুরানা পল্টন লেইন, ঢাকা, বাংলাদেশ। ফোনঃ ০২-৯৩৩২৬৫৭, ০২৮৩৫৯৩৮২
অনলাইন সংস্করনের দায়িত্বে নিয়োজিতঃ সাউথ বে আইটি সলিউশন লিমিটেড