শনিবার, ০২ জুন ২০১২
বিবিরহাটের পর সাগরিকা বাজারেও পশু বিক্রি বন্ধ
বিবিরহাটের পর সাগরিকা বাজারেও পশু বিক্রি বন্ধ
১টি চক্র সাড়ে তিন কোটি টাকা পরিশোধ করছেনা
নিজস্ব প্রতিবেদক : সাগরিকা গরু বাজারে গতকাল শুক্রবার থেকে পশু বিক্রি বন্ধ হয়ে গেছে। এরপূর্বে গত ৫মে বিবিরহাট বাজারেও পশু বিক্রি বন্ধ হয়ে যায়। এনিয়ে নগরীর দু’টি প্রধান পশুর হাট বন্ধ হয়ে গেল। গতকাল বিকেল ৪ টায় সাগরিকা গরু বাজারে গিয়ে দেখা যায়, গরু মহিষ ও ছাগলের সংখ্যা তুলনামূলক কম। যা আছে তাও বিক্রি করছেননা বেপারীরা। ক্রেতাও দেখা যায়নি। বাজারে আলাপ হয় নোযাখালীর চাটখিলের বাসিন্দা আবুল হাশেম বেপারীর সাথে।
তিনি বলেন, আমরা গাটের টাকা দিয়ে নগদে গরু কিনে এনে বাকিতে গরু বিক্রি করে এখন ফতুর হয়ে গেছি। প্রতারকদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নেয়া পর্যন্ত আমরা কোন পশু বিক্রি করবনা। তিনি আরো বলেন, আমার একার ৬৮ লক্ষ টাকা পাওনা রয়েছে। ব্যবসায়ী সংগ্রাম কমিটির আহবায়ক এম শওকত আলী বলেন, প্রতারণার বিষয়টি নিয়ে আমরা প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে ধর্ণা দেয়ার পরও কোন সুরাহা হয়নি। নগরীর বিবিরহাট ও সাগরিকা দু’টি প্রধান বাজারই চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের। এই দু’টি বাজার থেকে সিটি কর্পোরেশন বিপুল অংকের রাজস্ব পেয়ে থাকে। পশু বিক্রি বন্ধ হয়ে গেলে ক্ষতি হবে সিটি কর্পোরেশনেরই। অথচ সিটি কর্পেরেশন বিষয়টি নিয়ে সম্পূর্ণ নিরব। তিনি আরো জানান, সাগরিকা বাজারে প্রতিদিন গড়ে তিনশ পশু বিক্রি হয়ে থাকে। উল্লেখ্য, বায়েজীদ বোস্তামী থানার শহীদ নগর এলাকার একটি চক্র বেপারীদের কাছ থেকে বাকিতে গরু ও মহিষ কিনে সাড়ে তিন কোটি টাকা পরিশোধ করছেনা। একারণে এখন বেপারীরা পশু বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে। বেপারীরা পশু বিক্রি এভাবে বন্ধ রাখলে মাংসের বাজারে বিরুপ প্রভাব পড়বে।