চট্টগ্রাম বুধবার, ১৭ জুলাই, ২০১৯

সর্বশেষ:

১১ জুলাই, ২০১৯ | ২:৫২ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

টানা বর্ষণে দুর্ভোগ

গতকালও পানিতে তলিয়ে গেছে নগরীর বিস্তীর্ণ এলাকা

বর্ষণে নগরীতে দুর্ভোগ ক্রমাগত বাড়ছে। গতকাল বুধবার বিকেলে পানিতে তলিয়ে গেছে নগরীর বিস্তীর্ণ এলাকা। জলাবদ্ধতার কারণে কোনো কোনো সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। এতে সীমাহীন দুর্ভোগে পড়ে নগরবাসী। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও নিম্নআয়ের মানুষ ভোগান্তিতে পড়ে বেশি।
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ উজ্জ্বল কান্তি পাল দৈনিক পূর্বকোণকে বলেন, ‘বুধবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় নগরীতে ১৪৫ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সকালে বৃষ্টির পরিমাণ তুলনামূলক কম থাকলেও মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বেলা ১২টার পর ভারি বর্ষণ শুরু হয়। তা টানা ৩টা পর্যন্ত চলে। এ সময় নগরীতে ৯৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। তবে গতকাল সকাল ১০টায় সতর্ক সংকেত প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও আজও ভারী বর্ষণ হতে পারে।’
গতকাল বিকেলে ভারি বর্ষণে নগরীর অনেক দোকান ও বাসা-বাড়িতে পানি ঢুকে পড়ে। পানি ওঠে সিডিএ এভিনিউ, ষোলশহর ২নং গেট ও সংলগ্ন এলাকা, মুরাদপুর, শুলকবহর, জিইসি মোড়, প্রবর্তক মোড়, কাতালগঞ্জ, বাদুরতলা, কাপাসগোলা, চকবাজার, বাকলিয়া, বহদ্দারহাট মোড় থেকে কাপ্তাই রাস্তা মাথা, অক্সিজেন মোড়, আগ্রাবাদসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকায়। সড়কে কমে যায় গণপরিবহনও। পানির সাথে পাল্লা দিয়ে যানজটের পাশাপাশি গাড়ি ভাড়াও বেড়ে যায় কয়েকগুণ। এতে দুর্ভোগে পড়েন নগরবাসী। এদিকে জলাবদ্ধতার কারণে দেখা দিয়েছিল গণপরিবহন সংকট। ঘণ্টার পর ঘণ্টা মোড়ে মোড়ে দাঁড়িয়ে জবুথবু মানুষগুলো গাড়িতে উঠতে হিমশিম খেতে হয়। নগরীর ওয়াসার মোড়, বাকলিয়ার চাক্তাই-খাতুনগঞ্জ, আগ্রাবাদ সিডিএ, হালিশহর, অক্সিজেন, বহদ্দারহাট, চকবাজার, মুরাদপুরসহ বিভিন্ন স্থানে সড়কে বৃষ্টির পানি জমে যাওয়ায় যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয়। পাশাপাশি ফ্লাইওভারগুলোতে জমে যায় বৃষ্টির পানি।

The Post Viewed By: 80 People

সম্পর্কিত পোস্ট