সংবাদ: সম্পাদকীয়

সমৃদ্ধ দেশ গড়তে দরকার নারী পুরুষের মিলিত শক্তি

কালের দাবিতে জ্ঞানে বিজ্ঞানে অগ্রসর জাতি হিসেবে নিজেদের গড়ে ওঠার প্রচেষ্টার অন্ত নেই আমাদের। আমরা চাইছি এগিয়ে চলা বিশ্বের সাথে সমান তালে পা ফেলে এগিয়ে যেতে। সৃষ্টিতে, নির্মাণে প্রযুক্তি প্রয়োগে এবং দর্শন ও আদর্শ ভাবনায় বিশিষ্ট হয়ে উঠতে। এই ভাবে ভাববার অর্থ হলো, আমাদের চিন্তা-চেতনার নানান স্তরে আমরা অনুভব করছি যে, সমকালীন বিশ্বের চলমানতার সাথে মিলতে হলে আমাদের মাঝে যা কিছু ঘাটতি এখনও বিরাজ করছে তা আমাদের অতিক্রম করার সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। আমাদের চারপাশের প্রতিবেশিদের মধ্যে কোনো কোনো সূচকে আমরা এগিয়ে গেলেও, এমনও দেশ আছে যারা একই সমাজ পরিবেশ ও অর্থনৈতিক অবস্থা বিশিষ্ট হয়েও কিছু কিছু সূচকে এখন আমাদের তুলনায় এগিয়ে যেতে পেরেছে। আমাদের, তাই এখন ভেবে দেখতে হবে, একই সমাজ পরিবেশ ও আর্থিক শক্তি সামর্থ্যরে সীমাবদ্ধতার মধ্যে প্রাগ্রসরতার পথে পা বাড়ানোর প্রচেষ্টায় আমরা সক্রিয় থাকা সত্ত্বেও অন্যরা কী কারণে আমাদের তুলনায় এগিয়ে যেতে সক্ষম হোল? অনুসন্ধানের নানা স্তরে স্তরে আমাদের চোখে পড়বে যে এ দেশের বহু ক্ষেত্রেই আমরা

শারীরিক শিক্ষা, খেলাধুলা ও স্বাস্থ্যবিজ্ঞান বাদ…

পত্রিকান্তরে জানতে পারলাম, ২০১৮ সালের এসএসসি পরীক্ষা থেকে চারটি বিষয় বাদ দেওয়া হচ্ছে এবং এই চারটি বিষয় সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মূল্যায়ন করবে। প্রসঙ্গত, কৃষিশিক্ষা ও গার্হস্থ্য বিজ্ঞান পৃথক বিষয়। ছাত্রছাত্রীরা আলাদা আলাদাভাবে শিক্ষা গ্রহণ করে। অথচ শারীরিক শিক্ষা, খেলাধুলা ও স্বাস্থ্যবিজ্ঞান একটি সমন্বিত বিষয় এবং একসঙ্গে শিক্ষা গ্রহণ করা যায়। তাহলে

কারাগারে শিক্ষার্থী

কারাগারে দাগি আসামিদের সঙ্গে শিক্ষার্থী আসামিরাও থাকে। এই শিক্ষার্থীরা সামাজিক দিক থেকে বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজে জড়ানোর ফলে গ্রেপ্তার হয়ে আসামির কাঠগড়ায় দাঁড়াচ্ছে। কিন্তু এই সব আসামি শিক্ষার্থীদের অনেকেই জেলখানায় বন্দী থেকেও পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছে নিজ আগ্রহে। এদের বেশির ভাগই পাস করছে। যারা কারাগারে পড়াশোনা করতে চায়, তাদের জন্য কারা কর্তৃপক্ষের

গণমাধ্যমকর্মী রক্ষার দায় রাষ্ট্রের

গণমাধ্যম তথা সাংবাদিকরা হচ্ছে দেশের গৌরব। একজন সংবাদকর্মীর সবদিকেই চোখ থাকে। এসব চোখ দিয়ে পেশাজীবী সংবাদকর্মীরা দেশের ভালো-মন্দ সংবাদগুলো জাতির সামনে উপস্থাপন করে। সাংবাদিকদের জীবন খুব ঝুঁকিপূর্ণ, বিভিন্ন সমস্যা, প্রতিকূলতা অতিক্রম করে সাংবাদিকরা কর্মসম্পাদনে এগিয়ে চলে। জাতির বিবেক নামে খ্যাত সাংবাদিকদের গলা টিপে হত্যা করবে এটা কোন ধরনের সভ্যতা! দিন

চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের নতুন…

ঝযরংযঁ ইরশধংয ঘবঃড়িৎশ এমন একটি সংস্থা বা ফোরাম যেখানে মাল্টিডিসিপ্লিনারি টিম এ থাকা ডিগ্রিধারি প্রফেশনালসগণ একসাথে শিশুদের দৈহিক, মানসিক, ভাষাগত, বুদ্ধিগত, সামাজিক তথা সকল প্রকারের বিকাশ ও পরিচর্যা বিষয়ক কনসাল্টেন্সি, ট্রেনিং ও নিয়মিত সেবা প্রদান করে থাকেন। এটা প্রথমে ২০০০ সালে ঢাকাতে শুরু হয়। প্রফেসর নায়লা জামান খান, চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর ইতিবৃত্ত

প্রাচীন চট্টগ্রামের বিখ্যাত প্রাচীনতম ঐতিহ্যবাহী নদীর নাম কর্ণফুলী। হাজার হাজার বছরের ইতিহাসের অমর সাক্ষী এই নদী। পূর্ব পাহাড় থেকে শুরু হয়ে বিস্তীর্ণ পশ্চিম পাশে গড়িয়ে গড়িয়ে বঙ্গোপসাগরের সাথে মিলে গেছে এই নদী। কর্ণফুলী নদীর পশ্চিম প্রান্তের শেষে আমাদের প্রিয় চট্টগ্রামের অবস্থান ও চট্টগ্রাম নগর। কর্ণফুলী নদীর মোহনায় গড়ে উঠেছে পৃথিবীর

স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য প্রয়োজন উন্নত স্যানিটেশন…

স্যানিটেশনের উন্নত ব্যবস্থা নিশ্চিত ও কার্যকর করা কিছুটা কঠিন হলেও এর বিকল্প নেই। বিশেষ করে এই বিষয়টি দেশের সকল প্রান্তে অনগ্রসর ও সুবিধা বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য অধিক জরুরি। জনসাধারণের মধ্যে প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে সচেতনতা সৃষ্টির চেষ্টা চলে নানা ভাবে। চেতনা সৃষ্টির প্রকৃত উদ্দেশ্যটা হোল সার্বিক স্যানিটেশন কভারেজ বৃদ্ধি। মলত্যাগের (যত্রতত্র) অভ্যাস

পবিত্র মক্কায় ওমানের দুই আশেকে রাসূলের…

হজ্বের পর ১০/১৫ দিনের ব্যবধানে হজ্বযাত্রী যখন কমতে শুরু করে তখন উপসাগরীয় আরব রাষ্ট্রের আরবগণ স্রোতের মত আসতে থাকে ওমরার উদ্দেশ্যে। যেহেতু সৌদি আরব ঢুকতে

জীবনের সাথে এখনও লড়াই করছেন নূরজাহান…

মধ্যবিত্ত পরিবারের ধৈর্য্যশীল কন্যা নূরজাহান বেগম (বুলু)। ১০ জন ভাইবোনসহ ১২ সদস্যের পারিবারিক জীবন। নূরজাহান ছিলেন ভাইবোনদের মধ্যে ৫ম। বড় দুই বোনের বিয়ে হয়েছে। বাবা মৃত মো. আবুল কাশেম, মা রওশন জাহান। উত্তর পতেঙ্গার প্রত্যন্ত গ্রামে বাড়ি ছিল নূরজাহানের। নূর জাহানের বাবার আর্থিক অবস্থা বিশেষ ভাল ছিলো না। তাই নূরজাহান

ফুটপাতে মোটরসাইকেল

ফুটপাত মানে নির্বিঘেœ পায়ে হেঁটে চলার পথ। ফুটপাতে চলাচলের সময় কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা কোনোভাবেই কাম্য নয়। অথচ নগরীর রাস্তার দুপাশে যে ফুটপাত রয়েছে তা প্রয়োজনের তুলনায় অতি সামান্য। আবার যেটুকু ফুটপাত রয়েছে তার অধিকাংশই জনসাধারণের নির্বিঘেœ চলাচলের অনুপযোগী। নিয়ম-নীতির কোনোরকম তোয়াক্কা না করে যত্রতত্র ফুটপাত দখল করে ছোট ছোট দোকান