সংবাদ: সম্পাদকীয়

হালদা প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র ঘোষণা করা হোক জাতীয় নদী

নানামাত্রিক পদক্ষেপে নদী রক্ষায় মনোযোগ দিলে যে ইতিবাচক ফল আসে, তা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিল হালদা নদী। প্রশাসনিক শৈথিল্য, ভূমিদস্যুদের দৌরাত্ম এবং জনসচেতনতার অভাবসহ নানা কারণে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র হালদা দীর্ঘদিন ধরে দখলে–দূষণে মৃতপ্রায় ছিল। পরিণামে হালদা থেকে ডিম সংগ্রহের পরিমাণ পৌঁছে যায় আশংকাজনক পর্যায়ে। এ অবস্থায় বছর কয়েক ধরে বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠন এবং গণমাধ্যম সোচ্চার হয়ে উঠলে সরকার হালদা রক্ষায় মনোযোগ দেয়। গ্রহণ করে বালুমহাল উচ্ছেদ, যান্ত্রিক নৌকা অপসারণ, দখল প্রতিরোধ, দূষণ বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং অসাধুচক্রের তৎপরতা রোধে সার্বক্ষণিক নজরদারীসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ। এসব উদ্যোগ হালদার পুনরুজ্জীবনে সহায়ক ভূমিকা রেখেছে। যদিও হালদা এখনো পুরোপুরি ফিরে পায়নি আগের রূপ, তবে হালদা রক্ষায় গৃহীত পদক্ষেপ থেকে যে ফল আসতে শুরু করেছে তার প্রমাণ মিলে গত এক দশকের মধ্যে এবার মা মাছ সর্বোচ্চ সংখ্যক ডিম ছাড়ার মধ্য দিয়ে। এটি আমাদের জন্যে একটি আশা জাগানিয়া সুসংবাদ, তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা। দৈনিক পূর্বকোণে প্রকাশিত প্রতিবেদন বলছে, দশ বছরের মধ্যে হালদায় রেকর্ড

যানবাহনের উচ্চ শব্দে আয়ু কমে

ড্রাইভাররা যানবাহন চালানোর সময় যেভাবে হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহার করে থাকে তাতে পথচারী ও লোকজনের ভীষণ অসুবিধা হয়। তীব্রভাবে হর্ন বাজানো ফলে যে শুধু আয়ু কমে তাই নয়, এর ফলে মস্তিকে রক্তক্ষরণ বা স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। যানবাহনের তীব্র শব্দ হয় এমন সব এলাকায় যারা বসবাস করেন তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়ে যায়।সম্প্রতি

নারী নির্যাতন

বর্তমানে বাংলাদেশে নারী নির্যাতনের হার ঊর্ধ্বমুখী। আর এই হার ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার মূল কারণই হলো দারিদ্র্য, যৌতুক, বহুবিবাহ এবং অশিক্ষা। নারী নির্যাতন, ধর্ষণের মতো ঘটনার জন্য যেসব কারণ চিহ্নিত করা যাচ্ছে, তা নির্মূল করতে আন্তরিক ও সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে। মনে রাখতে হবে, জনগণের স্বাভাবিক জীবন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা

সকল মানুষই মানুষ নয়

দর্শন শাস্ত্র পড়তে গেলে বাক্যটি প্রায়ই চোখে পড়ে। প্রশ্ন করতে পারেন, কেন সকল মানুষ মানুষ নয়? কারণ মানুষ হতে গেলে জীববৃত্তি ও বুদ্ধিবৃত্তির পাশাপাশি আরেকটি গুণ থাকতে হয়, সেটি হলো মনুষ্যত্ব বা মানবিকতা বোধ। আমরা সমাজে সকলেই নিজেদেরকে মানুষ বলে পরিচয় দেই। কিন্তু আমরা প্রকৃতপক্ষে কি সকলেই মানুষ? নাকি কেউ

হালুয়া-রুটি বিক্রেতাদের বেঁচে থাকার কথা

ছবির কথা …….. ছবির এই মানুষ যেনো এই ছোট্ট ঠেলা গাড়ী, লালসালু দিয়ে ঢাকা একটি এ্যালমোনিয়াম গামলার মধ্যে হালুয়া ও রুটি রেখে বিক্রি করে। মজার ব্যাপার হলো এই হালুয়া বা রুটি কেজি হিসেবে বিক্রি করা হয়। হালুয়ার টুকরো বা একটি রুটি হিসেবে নয়। কাকতালীয় ব্যাপার হলো এদের সকলের বাড়ী চাঁদপুর।

উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ : নতুন উচ্চতায়…

রাজধানীর অন্যতম ব্যস্ত এলাকা খিলগাঁওয়ের আমতলায় অফিস সময়ে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের সামনের ফুটপাতে সারিবদ্ধভাবে বসে আছেন নানাবয়সী দরিদ্র, অস্বচ্ছল, পঙ্গু, বিধবা, বয়োবৃদ্ধ নারী ও পুরুষ। এটি প্রতি মাসের শেষ সপ্তাহের অফিস সময়ের নিয়মিত চিত্র। এরকম একদিন ঐ রাস্তা পার হওয়ার সময় কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে কান পেতে শুনতে চাইলাম তারা কি জন্য

ছিন্নমূল মানুষের করুণগাথা

বাংলাদেশে জন্ম নিয়ে শৈশব–কৈশোর কাটিয়েছেন অথচ ছিন্নমূল মানুষ দেখেন নি কিংবা তাদের কথা শুনেন নি এটা তো হতেই পারে না। এত উন্নয়নের পর, দেশের যে কোন অঞ্চলে এখনো ঘর থেকে বের হলে গৃহহীন মানুষের দেখা পাওয়া যায়। রেলস্টেশনের প্ল্যাটফরমে, ওভারব্রিজের তলে, ফুটপাতে, শহরের আনাচে–কানাচে খাস জমির ওপর গড়ে ওঠা বস্তিতেই

কমনওয়েলথে বাংলাদেশের শক্তিশালী অবস্থান

জাতিসংঘের পর কমনওয়েলথ সম্মেলনেও রোহিঙ্গা ইস্যুতে সদস্যভুক্ত দেশগুলোর জোরালো সমর্থন আদায়ে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ। কমনওয়েলথ সরকার প্রধানদের ২৫তম সম্মেলনে সর্বসম্মতভাবে গৃহীত ইশতেহারে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া বাস্তুচ্যুত সব রোহিঙ্গাকে স্থায়ীভাবে ফেরত নেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলীয় রাখাইন প্রদেশে মানবাধিকার লংঘনকারী অপরাধীদের জবাবদিহি করানো এবং সেখানে সকল

হোক প্রতিবাদ আপনার হাত ধরেই

সার ও বিষ ব্যবহারে সচেতন হওয়া…

সাধারণত নিচু জমিগুলোতে প্রচুর পানি এখনও জমে আছে। এই জমে থাকা পানিতে বিভিন্ন ধরনের প্রচুর দেশি মাছ হয়ে থাকে। এই মাছগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রে একটু অমনোযোগিতার জন্য নষ্ট হয়ে যায়। ধান লাগানোর পর ধান যখন একটু বড় হয়ে যায় তখনই প্রয়োজন হয়ে পড়ে কীটনাশক এবং সার ব্যবহারের এবং কৃষক না বুঝেই

হোক প্রতিবাদ আপনার হাত ধরেই

একজন নারী, একজন মা। আর কিছু না হোক, একজন মা হিসেবে তো তাকে তার প্রাপ্য সম্মান দেয়া উচিত। অথচ বর্তমানে যে অবস্থা দাঁড়িয়েছে, একজন নারীকে বাইরে বের হতে হলেও হাজারবার চিন্তা করতে হয়। সে কোন রাস্তা দিয়ে যাবে, রাস্তাটা নিরাপদ কি না। এমনকী কর্মস্থলও কি তার জন্য নিরাপদ? প্রতিনিয়ত তাকে