সংবাদ: সম্পাদকীয়

পবিত্র আশুরা : ন্যায় ও সত্যের পথে চলতে প্রেরণা দেয়

আজ দশই মহররম। পবিত্র আশুরা। বিশ্বজগতের শুরু থেকেই দিনটি বিশেষ মর্যাদা ও সম্মানে ভূষিত। ইসলামি বর্ষপঞ্জিকায় জিলক্বদ, জিলহজ, মহররম ও সফর মাস অধিক মর্যাদাপূর্ণ। ইসলামপূর্ব আইয়্যামে জাহেলিয়াতের যুগেও এসব মাসের গুরুত্ব ছিল সীমাহীন। আর নানা ঘটনাপ্রবাহের কারণে মহররমের দশ তারিখ খুবই মহিমান্বিত ও তাৎপর্যবহ। যুগে যুগে সংগঠিত সেসব ঘটনার সাথে মুসলমানদের অস্তিত্বের সম্পর্ক রয়েছে। দিনটি বিশ্বনবীর (সা) প্রাণপ্রিয় দৌহিত্র হজরত ইমাম হোসেন (রা)-এর আত্মত্যাগের মহিমায়ও মহিমান্বিত ও হৃদয়বিদারক স্মৃতিবিজড়িত। হিজরি ৬১ সালের এ দিনে ফোরাত নদীর তীরে ঐতিহাসিক কারবালা প্রান্তরে যে হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে, তা সমগ্র মুসলিমজাহানকে শোকে-বেদনায় স্তব্ধ করে দিয়েছিল। এই দিনে হজরত ইমাম হোসেন (রা) এবং হজরত আলীর (রা) পরিবারের সতেরোজন শিশুকিশোরযুবকসহ মোট ৭৭ জন মর্দে মুজাহিদ অন্যায়-অসত্যের কাছে মাথানত না করে সত্য-সুন্দর-ন্যায়ের পথে লড়াই করে বীরের মতো কারবালার প্রান্তরে শাহাদাতের পেয়ালা পান করেছিলেন। মহররম মাস এলেই কারবালার সেই বেদনাবিধুর স্মৃতি জেগে ওঠে, রক্তক্ষরণ হয় প্রত্যেক মুসলমানের হৃদয়ে। ইসলামী বর্ষপরিক্রমার প্রথম মাস মহররমের ১০ তারিখকে বিশ্বনবী হযরত মোহাম্মদ

আশুরার শিক্ষা

আরবি বর্ষপঞ্জির হিজরি সনের প্রথম মাস হলো ‘মহররম’। ৬২ হিজরির ১০ মহররম কুফার ফোরাত নদীর তীরে কারবালা প্রান্তরে আখেরি নবী হযরত মোহাম্মদ (সা.) এর দৌহিত্র হযরত হোসাইন (রা.) এজিদ বাহিনীর হাতে এ যুদ্ধে শাহাদাত বরণ করেন। সেই থেকে এদিনটিতে সারা বিশ্বের মুসলমান রোজা পালনসহ ইবাদত বন্দেগির মাধ্যমে ১০ই মহররম পালন

মাদক এখন সামাজিক ক্যান্সার

মাদক এখন সামাজিক ক্যান্সারে পরিণত হয়েছে। কেননা মাদক সমাজকে এমনভাবে গ্রাস করেছে যে সেখান থেকে বেরিয়ে আসা আমাদের জন্য দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে। মাদক আগ্রাসন যুবসমাজকে কোন পথে নিয়ে যাচ্ছে সে প্রশ্ন এখন জনমনে। মাদকের কুপ্রভাব যেভাবে বিস্তৃৃত হয়ে পড়ছে তাতে উদ্বিগ্ন না হয়ে পারা যায় না। এর ভয়াল আগ্রাসন দেশের

মাথা নত না করার মহান শিক্ষা…

৬১ হিজরীতে ১০ মহরম কারবালা প্রান্তরে সংঘটিত হয় ইতিহাসের ঘৃণিত ও মর্মান্তিক ঘটনা। অপরদিকে এ দিনে প্রতিষ্ঠিত হয় সত্য ও ন্যায়ের স্তম্ভ। ঘৃণিত কর্মটি সংঘঠিত করে ইয়াজিদ। সুমহান সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করেন হযরত মোহাম্মদ (দঃ) এর দৌহিত্র এবং হযরত আলী (রা.) ও হযরত মা ফাতেমা (রা.) এর পুত্র হযরত

পঞ্চ-বার্ষিক পরিকল্পনা ভিত্তিক উন্নয়ন যাত্রায় অর্জিত…

কোডেক উন্নয়ন পদযাত্রা পর্ব-১ : ১৯৮৫-১৯৯১। কোডেক উন্নয়ন উদ্যোগে প্রধান কর্ম-ইস্যুঃ এক. উপকূলীয় জেলে জনগোষ্ঠীর সমস্যা ও কারণ চিহ্নিতকরণ। দুই. লক্ষিত জনগোষ্ঠীর সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ। অভিজ্ঞতা ও শিক্ষা : এক. বৈচিত্র্যময় আর্থ-সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পরিবেশগত প্রবাহে আলোড়িত উপকূলীয় জেলে জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকা এক কথায় অবহেলা, বঞ্চনা, বৈষম্য, শোষণ

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের ফলপ্রসূ উদ্যোগ দরকার

রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে বাংলাদেশ আশ্রয় দিয়েছে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে। চিরকাল এই বোঝা বাঙলাদেশ বইতে পারবে না। ইতোমধ্যেই অর্থনৈতিক চাপে দেশের সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের মানুষেরা ক্ষুব্ধ। সামাজিকভাবে অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলার উদ্ভব ঘটছে। প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে ব্যবহার করে বাঙলাদেশের শান্ত ভূমিকে অশান্ত করার চেষ্টা করে চলেছে। জাতিসংঘের অনুসন্ধানে মিয়ানমারের আরাকান প্রদেশে রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠী

অনন্তপথের অভিযাত্রী মুক্তিযোদ্ধা-সাংবাদিক রইসুল হক বাহার

নিভে গেলো আকস্মিক হৃদরোগের আঘাতে আমাদের প্রিয় সহকর্মী বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা-সাংবাদিক রইসুল হক বাহার-এর জীবন প্রদীপ। মানুষের জীবনের এই এক অসহায়তা নিয়তি-নিয়ন্ত্রিত দুঃসময়ের কাল, যার নিয়ন্ত্রণ তার হাতে থাকে না। মাত্র ৬৫ বছরের একটি ক্ষুদ্র জীবনকাল। তিনি তা যাপন করে গেছেন সততার সাথে এবং আদর্শকে আশ্রয় করে। সাংবাদিকসমাজের কিংবা আপন পরিবারের

শহীদে কারবালা ইমাম হোসাইনের মায়ের কথা…

হিজরী সনমতে আমরা মুহরম মাসে পদার্পণ করলাম। এর আগের মাসে অনুষ্ঠিত হলো পুণ্যভূমি আরব দেশে পবিত্র হজ্ব। পাশাপাশি দেশে দেশে মুসলমানরা কুরবানী পরব সম্পন্ন করে। জিলহজ্বের দশম তারিখ আল্লাহ তায়ালার প্রেম ও ভালবাসায় ইবরাহীম নবী (আ.) নিজ প্রাণপ্রিয় সন্তানকে কুরবানী দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে ৬১ হিজরী / ৬৮০ খ্রিস্টাব্দে নূর নবী হযরত

শান্তির শহর কোনিয়ার পথে প্রান্তরে

আমরা সুফী স¤্রাট আল্লামা রুমী (রঃ) মাজার জিয়ারত ও মিউজিয়াম পরিদর্শন শেষে শান্ত ফুলে ফুলে আবৃত কোনিয়া শহরে লাঞ্চের জন্য রেস্টুরেন্টের সন্ধানে ছুটে চলি। অল্প সময়ের মধ্যে আমরা লাঞ্চের জন্য রেস্টুরেন্টে পোঁছি। সেখানেও ইলেকট্রিক ট্রামের ব্যবস্থা দেখেছি। রেস্টুরেন্টের কাছেই আলাউদ্দিন পার্ক এবং মসজিদ অবস্থিত। বিভিন্ন রকম সালাদ, অনেকটা কিমাপরোটার মতো

হোমিও ওষুধ প্রস্তুতের সন্ধানে

ওষুধ বিজ্ঞা নের জগতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন সূচিত হয় ১৭৯০ সালে। বিজ্ঞানী হানেমান এ পরিবর্তনের সূচনা করেন। এজন্য তাকে বলা হয় “ঋঅঞঐঊজ ঙঋ ঊঢচঊজওগঊঘঞঅখ চঐঅজগঅঈঙখঙএণ. ১৭৯৬ সালে তিনি বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেন “ঊঝঝঅণ ঙঘ অ ঘঊড চজওঘঈওচখঊ ঋঙজ অঝঈঊজঞঅওঘওঘএ ঞঐঊ ঈটজঅঞওঠঊ অ চঙডঊজঝ ঙঋ উজটএঝ. এরপর থেকে এগিয়ে চলে নতুন