সংবাদ: সম্পাদকীয়

জলাবদ্ধতা : সারা চট্টগ্রামই হয়ে যাচ্ছে সুইমিং পুল

বর্ষাকাল আসতে এখনও ঢের সময় বাকি। সবে গ্রীষ্মের শুরু। কিন্তু গত কয়েকদিন যেভাবে বৃষ্টি হচ্ছে তাতে মনে হয় না এটা গ্রীষ্মকাল। বলা হচ্ছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেই এমনটি হচ্ছে। অস্বীকার করার কারণ নেই। কিন্তু কথা হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগ-দুর্ভোগ মোকাবিলায় আমরা কতটুক প্রস্তুত। এক কথায় স্বীকার করতে হবে, আমরা অপ্রস্তুত। শুধু তাই নয়, দুর্যোগে জনদুর্ভোগ বৃদ্ধির নানা অপতৎপরতাও চলছে সমান তালে। অপরিকল্পিত নগরায়ন, অপরিকল্পিত ও সমন্বয়হীন উন্নয়ন, প্রকৃত সমস্যার দিকে নজর না দেওয়া এবং অপর্যাপ্ত উন্নয়ন বরাদ্দসহ নানা কারণে জনদুর্ভোগ বাড়ছে পাল্লা দিয়ে। ভাষণে-বক্তৃতায় উন্নয়নের জোয়ার বইয়ে গেলেও প্রকৃতই জনবান্ধব উন্নয়ন কতটুক হচ্ছে, তা প্রশ্নসাপেক্ষ। অসময়ের বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম মহানগরজুড়ে জলাবদ্ধতা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে, আসলে নগর উন্নয়নে সত্যিকারের জনহিতকর পদক্ষেপ নেই তেমন। পূর্বসূরিদের মতো বর্তমান নগরপিতাও তাঁর নির্বাচনী ইশতিহারে নগরীর জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন। কিন্তু এ বিষয়ে তাঁর উদ্যোগ খুবই দুর্বল এবং অবৈজ্ঞানিক। অঙ্গীকার পূরণে বলিষ্ঠ বিজ্ঞানভিত্তিক পদক্ষেপ থাকলে বঙ্গোপসাগর বেষ্ঠিত কর্ণফুলী নদীসংলগ্ন নগরীতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ার কথা

উন্নয়ন ভাবনা ও দক্ষ মানবসম্পদ

আমাদের দেশের প্রধান সম্পদ হল মানবসম্পদ। উন্নয়ন মূলত মানুষ কেন্দ্রিক, তাই মানবসম্পদ হল উন্নয়নের প্রধান হাতিয়ার। আমরা যে আজ নি¤œমধ্য আয়ের দেশে পরিণত হয়েছি, তা আমাদের কর্মক্ষম মানবসম্পদেরই অবদান। ‘ডেমোগ্রাফিক বোনাস’ বলে একটি কথা প্রচলিত আছে। যার আভিধানিক অর্থ হল- জনসংখ্যার বয়স ভিত্তিক সুবিধা। সিআইএ-দ্যা ওয়ার্ল্ড ফ্যাক্টবুক এর মতে: যখন

অসাম্প্রদায়িক নববর্ষে আমরা স্বদেশ গড়ার শপথ…

নববর্ষ বাঙালির ঐতিহ্য, সংস্কৃতির অংগ। হিজরী সনকে ভিত্তি করেই বাংলা সনের উৎপত্তি হয়েছে। মুঘল শাসনামলে স¤্রাট আকবর তার সভা-জ্যোতিষী আমীর ফতেহ্উল্লাহ সিরাজীর পরামর্শে হিজরী সনকে বাংলা সনের সাথে সমন্বয় করে বছর গণনার নির্দেশ দেন। সূচনা করেন বাঙলা নববর্ষ উদযাপনের। পয়লা বৈশাখে বাংলা নতুন বছরে পদার্পণ হয়। এদিন বিভিন্ন সংগঠন, সরকারী,

উত্তর কোরিয়াকে কেন্দ্র করে কি তৃতীয়…

উত্তর কোরিয়ার পরমাণু পরীক্ষায় চরম ক্ষুব্ধ প্রতিবেশী দক্ষিণ কোরিয়া ও তার মিত্র যুক্তরাষ্ট্র। জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে এ পর্যন্ত পাঁচ দফা পরমাণু বোমা পরীক্ষা করেছে উত্তর কোরিয়া। এছাড়া, ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাও অব্যাহত রেখেছে দেশটি। এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার দ্বন্দ্ব তুঙ্গে। আশংকা তৈরী হয়েছে যে কোন সময় যুদ্ধ বেঁধে যাওয়ার।

দেখে এলাম ঐতিহাসিক বন্দর নগরী আলেকজান্দ্রিয়া

কায়রোর উপকণ্ঠে আলেকজান্দ্রিয়া ডেজার্ট রোডে অবস্থিত “দি ওয়াসিস হোটেল” থেকে সকাল ৮টায় আমাদের যাত্রা শুরু। গাইড যথাসময়ে হাজির। শুক্রবার ২৭শে জানুয়ারী’ ১৭ সকাল ৮টায় আমাদের

দেশ এগিয়ে যাবে নারী-পুরুষের সম্মিলিত কর্মশক্তি…

অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা ও সামাজিক সেনা-সূচকে এদেশের অবদান বিশ্বে এখন নজর কেড়েছে। এদেশ দাঁড়াচ্ছে আপন সামর্থ্যরে উপর। বাংলাদেশ এখন আর সাহায্যের কাঙাল নয়। বিশ্বব্যাঙ্কের প্রত্যাখ্যানের পর চ্যালেঞ্জ নিয়ে নিজের অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করছে। এগিয়ে চলছে নারী-পুরুষের সমন্বিত অর্থনৈতিক শক্তি ও সৃজনশীলতায়। বাংলাদেশের নারীসমাজের সামগ্রিক জীবনের আজকের দিনে প্রতিবন্ধকতাহীনতার সুবাতাসও বয়ে

বাসে ‘মহিলা সিট’ নিয়ে কিছু কথা

আমরা সম-অধিকারের কথা বলি। সম-মর্যাদার কথা বলি। বলি নারী-পুুরুষে বৈষম্যহীন সমাজের কথা। কিন্তু নারীদের জন্য জীবনটাকে সহজ করার প্রকৃত কাজটি করি না। বাসে ‘মহিলা সিট’ বা সংরক্ষিত আসনগুলো সাধারণত ইঞ্জিনবক্সে, চালকের পাশে বা পেছনেই থাকে। সেটা কোনোভাবে সঙ্গত নয়। কারণ আসনগুলো এমন অদ্ভুত উঁচু জায়গায় হওয়া উচিত নয়, যেখানে অপেক্ষাকৃত

হযরত আব্দুল জলিল বালু শাহ সাদেকনগরী…

পূর্ণ নাম মুহাম্মদ আব্দুল জলিল। কিন্তু তিনি বালু শাহ নামে সুপ্রসিদ্ধ। চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলাধীন সাদেকনগর গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন বলে “সাদেকনগরী” বলা হয়। বালুশাহ নামের কারণ : শুনেছি, হযরত আব্দুল জলিল বালু শাহ (রঃ) এর বেলায়তী জীবনে মানুষ কোন বিপদ আপদের কথা উনাকে বললে উনি প্রশ্নকারীকে নির্দিষ্ট একটি গাছের

নিরাপদ বিনিয়োগ

সাধারণত বিনিয়োগ শব্দটির সঙ্গে কেন জানি একটি অলিখিত শব্দ জড়িয়ে থাকে। বিনিয়োগ মানে বিশাল অর্থের লগ্নির ব্যাপার। স্বল্প আয় বা নি¤œ আয়ের লোকদেরও যে বিনিয়োগ করতে হয় অনেক চিন্তাশীলদেরও মাথায় এটা আসেনা। বর্তমান সরকার সকল ধরনের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে যথাসম্ভব সকলকে সম্পৃক্ত করতে চায়। সকলের জন্য দেশ ব্যাপি ফাইনান্সিয়াল লিটারেসি

মৌসুমী ফল বিষমুক্ত রাখার সরকারি উদ্যোগ…

‘মৌসুমি ফল বিষমুক্ত রাখুন’। সচেতন নাগরিকদের এই আবেদন বহু পূরনো। কিন্তু এই আবেদনে স্বেচ্ছায় মুনাফাশিকারিদের কেউ সাড়া দিয়েছে এমন নজির নেই। তবে, নাগরিক আবেদন-নিবেদনের চেয়ে ডা-া আর দ-ের দাপটকে তারা ভয় পায়। যখনই সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ নির্লিপ্ততা ভঙ্গ করে বিষযুক্ত ফলের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে, অপরাধীদের পাকড়াও করেছে, তখনই নাগরিকসাধারণ