সংবাদ: সম্পাদকীয়

ভোগবাদের প্ররোচনায় সঙ্কটে সঞ্চয় প্রবণতা

সঞ্চয় মানুষের জন্য ভবিষ্যতের নিরাপত্তা। এই নিরাপত্তা মানুষেরা খুঁজেছে যুগে যুগে। সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তন হয়েছে পন্থার। মুদ্রা বড়ই চঞ্চলা। এটি অঞ্চলে বা থলের কারাগারে বন্দী হয়ে কখনও থাকতে চায় না। তবে, এই চঞ্চলা অর্থশক্তিটিকে ধরে রাখতে পারলে ভবিষ্যৎ থাকে উৎকণ্ঠাহীন নিরাপদ। নানা কারণে এদেশে এই আকাক্সক্ষাটা বিঘিœত হয়। দেখা গেছে, সম্প্রতি সঞ্চয়ের প্রবণতা এদেশে অনেকটাই এখন নড়বড়ে হয়ে পড়তে চলেছে। এদেশের মানুষ, বিশেষ করে আমাদের অবহেলিত জনপদের গ্রামীণ জনগোষ্ঠী সঞ্চয়ের সুদের হার হ্রাস পাওয়া এর উপর হতাশ হয়ে পড়তে চলেছে। গ্রামীণ মানুষের এই অনাগ্রহের বিষয়টি অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর। দেশের মানুষের জন্যে সঞ্চয়-সুবিধা, বিশেষ করে উৎসাহবর্ধনকারী লাভের অনেকগুলো বিষয় যে ক্রমশঃ সঙ্কুচিত হয়ে পড়েছে তা আমাদের সরকারসমূহের গৃহীত নীতির কুফল। সকলেই জানেন, এদেশে ব্যাংক থেকে নেয়া ঋণের উপর সুদের হার কমানোর জন্যে চাপ থাকায় আমাদের সরকারগুলোর সেই পরামর্শ মোতাবেক চলতে গিয়ে খাতকদের গৃহীত ঋণের সুদ কমাতে বাধ্য হয়। এর ফলে, প্রতিক্রিয়াটা এসে পড়ে আমানতের উপর। খাতকদের ঋণের হার কমানোর ফলে

আঞ্চলিক ভাষার সংরক্ষণ

বাংলা ভাষার সবচেয়ে বড় সম্পদ এর আঞ্চলিক ভাষার সৌন্দর্য। অসাধারণ সব শব্দের বিন্যাস নিয়ে বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষাগুলো আমাদের ভাষার সমৃদ্ধি ঘটিয়েছে। একই শব্দ কত রকমভাবে ব্যবহৃত হয় এবং তা কতটা মধুর শোনায়, তা কেবল প্রতিটি অঞ্চলে গেলেই দেখা ও শোনা যায়। আঞ্চলিক ভাষায় রয়েছে নানা ধরনের ভিন্নতা। কোনো কারণে আঞ্চলিক

মূল্যবান বোধ

সকল জীবের সেরা জীব মানুষ। কোনটা ভালো কাজ, কোনটা মন্দ, সেটা আমরা ভালোই বুঝি। কারণ আগেই বলেছি, আমরা প্রকৃতির সেরা জীব। সত্যিই কি তাই, আমাদের কাজে অনেক সময় তার প্রকাশ পাওয়া যায় না। তারই একটি ছোট্ট উদাহরণ দিচ্ছি, আমি বর্তমানে চট্টগ্রাম টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে পড়ছি। একদিন ক্যাম্পাসে আসার সময় দেখি,

আনন্দময় জীবনের সুপ্ত সূত্র

ঘুম, খাওয়া, বিনোদন-এটাই বেঁচে থাকার একমাত্র সমাহার নয়। এই মুহূর্তকে কাজে লাগিয়ে সুন্দর একটা ভবিষ্যতের জন্য কাজ করাই বেঁচে থাকা নাকি ঘড়ির কাঁটা ধরে সকাল-সন্ধ্যার জীবনটাই বেঁচে থাকা? টাইম সাময়িকীর মতে, জীবনকে একটি বই না ভেবে, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শব্দে উপভোগ করাই বিচক্ষণতা। বেঁচে থাকার সংজ্ঞা ব্যক্তি, মননভেদে ভিন্ন হয়, কিন্তু

ব্যাংকিং খাতে তদারকির অভাবে খেলাফী ঋণ…

খেলাফী ঋণ সংক্রান্ত যেই সমস্ত সংবাদ বিভিন্ন পত্রিকায় যেভাবে প্রকাশিত হচ্ছে তাতে মনে হয় অতি সত্বর ব্যাংকিং খাত এক মহা দুর্যোগে পড়বে। তবে এর থেকে উত্তরণের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক নানা উদ্যোগ নিচ্ছে। এতদসত্ত্বেও খেলাফী ঋণের পরিমাণ বেড়েই চলছে। খেলাফী ঋণ সৃষ্টির নানা অনুষঙ্গ রয়েছে, তন্মধ্যে একটি তদারকির অভাব। ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানগুলি

ভূঁইফোড় সংগঠনের পদক বাণিজ্য বন্ধ করা…

বাংলাদেশে এখন অনেক বাণিজ্য চলছে, তৎমধ্যে রমরমা চলছে এওয়্যার্ডে, পুরস্কার বা পদক ব্যবসা । দেশে অনেক চাঁদাবাজ ভূঁইফোড় সংগঠনের ছড়াছড়ি। ব্যাঙের ছাতার মতো গজে উঠেছে এসব ভূঁইফোড় সংগঠন। ক্ষমতাসীন দল বা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির নাম ভঙিয়ে ভূঁইফোড় সংগঠনের দৌরাত্ম্য দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ন্যূনতম শতাধিক ভূঁইফোড় সংগঠন এ অপতৎপরতা বীরদর্পে

প্রযুক্তির অপব্যবহার ক্ষতি করছে

সামাজিক অবক্ষয়ের জন্য সামাজিক কিছু উপকরণ নেপথ্যে কাজ করে যাচ্ছে। তথ্য-প্রযুক্তির অবাধ প্রবাহ আমাদের কোথায় নিয়ে যাচ্ছে তা কেউ ভাবছে না। বাস-ট্রেনে এখন আর যুবসমাজ, ছাত্র-ছাত্রীকে পত্রপত্রিকা-ম্যাগাজিন পড়তে দেখা যায় না। সাইবার নেট নিয়ে মত্ত থাকতে দেখা যায়। বাসায় এসে সারা রাত নেটে মগ্ন থাকে এবং চ্যাটিং করতে করতে নেশার

মহানগরীতে যানজট দুর্ভোগে জনজীবন

চট্টগ্রামে যানজট সমস্যা দিন দিন প্রকট আকার ধারণ করছে। দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী খ্যাত বন্দরনগরী চট্টগ্রামে যানজটের কারণে শুধু কর্মজীবী মানুষের মূল্যাবান সময়ই নষ্ট হচ্ছে না, আর্থিক এবং স্বাস্থ্যগত ক্ষতিসহ নানাবিধ ক্ষতির পরিমাণও বিশাল। এ বিষয়ে দৈনিক পূর্বকোণ সহ চট্টগ্রামের কয়েকটি দৈনিক একযোগে অভিন্ন সম্পাদকীয় ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এর

সন্তানকে স্নেহ-ভালোবাসার ডোরে বাঁধুন

সযান্ত্রিক এ যুগে সন্তানকে স্নেহ-ভালোবাসার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। ফলে ধীরে ধীরে ওই সন্তানের মনে এক ধরনের মনোরোগ বাসা বাঁধে এবং সন্তানটি অন্ধকার গলিতে পা বাড়ায়। এ ক্ষেত্রে মা-বাবাকে অবশ্যই দায়িত্বশীল হতে হবে। শুধু সন্তান জন্ম দেওয়া নয়, সন্তানকে স্নেহ ও ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ রেখে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা

ভিখারীদের পুনর্বাসন নিয়ে পদক্ষেপ প্রয়োজন

চট্টগাম মহানগরীতে বসবাসরত দুস্থ, ছিন্নমুল, ভিখারীদের পুনর্বাসন করা গেলে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা পাবে। উপরন্তু মহানগরীকে ক্লিন, গ্রীন ও মেগাসিটিতে রূপান্তরে বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। উচ্ছেদ করার পূর্বে তাদের জন্য পুনর্বাসন কেন্দ্র প্রজেক্ট করা দেশের ও দেশের জনগণের জন্য মঙ্গল। নগরীতে যেসব চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, মাদক সেবন, অসামাজিক ও অস্বাস্থ্যকর কর্মকা-