বায়েজিদ গাউছুল আজম সিটিস্থ কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবার শরীফ কমপ্লেক্সে গত ১৩ এপ্রিল শনিবার কাগতিয়া কামিল এম এ মাদ্রাসার মহানগর ক্যাম্পাসের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী সভা ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবুল মনছুর বলেন, দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি একবিংশ শতাব্দীর মাহেন্দ্রক্ষণে যে চ্যালেঞ্জ সবাইকে হাতছানি দেয় সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। সে উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে যুগোপযোগী করে শিক্ষার্থীদের গড়ে তুলতে সব ধরণের ব্যবস্থা রয়েছে কাগতিয়া মাদরাসায়। সভাপতির বক্তব্যে বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী আলহাজ সহিদুল করিম চৌধুরী বলেন, কাগতিয়া মাদরাসার অতীত ইতিহাস গৌরবের, বর্তমানও উজ্জ্বল, ভবিষ্যতেও এ মাদরাসা রইবে আপন মহিমায় সমুজ্জ¦ল। এ মাদ্রাসায় হযরত গাউছুল আজম নিজে পড়েছেন, পড়িয়েছেন এবং অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেছেন। এ মাদরাসা তাই মান মহিমার দিকে সর্বদা ঔজ্জ¦ল্য ছড়ায়। এছাড়াও বর্তমানে হযরত গাউছুল আজমের একমাত্র প্রতিনিধি এ মাদরাসার অধ্যক্ষের পদ অলংকৃত করেছেন। তাই এ মাদরাসার উন্নতি অগ্রগতি ইনশাআল্লাহ সদা বেগবান থাকবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন নাজির হাট বিশ^বিদ্যালয় কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল অধ্যাপক মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, অধ্যাপক মুহাম্মদ অলি আহাদ চৌধুরী, মোহাম্মদ নেজামুল হক প্রমুখ। শিক্ষকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন আরবি প্রভাষক মাওলানা মুহাম্মদ আবু বকর ছিদ্দিক ও কে এম নোমান।
পরে অতিথিরা চট্টগ্রাম মহানগর ক্যাম্পাসে জেডিসি এবং এবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী হতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের এবং বিগত বার্ষিক পরীক্ষায় বিভিন্ন শ্রেণিতে উত্তীর্ণ মাদ্রাসার কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার ও ক্রেস্ট তুলে দেন। বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এ মাদ্রাসা থেকে ২০১৮ সালের এবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ১৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। ৩ জন ট্যালেন্টপুলসহ মোট ৮ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পায়। এরমধ্যে উপজেলা ভিক্তিক একজন প্রথম স্থান অর্জন করে ।-বিজ্ঞপ্তি

Share