নিজস্ব প্রতিবেদক

হাছান শাহ মাজার সড়ক কিছুদিন আগেও ছিল চলাচলের অযোগ্য। গর্তে ভরা সড়কে রিক্শাতো দুরের কথা, মানুষ চলাচলও ছিল কষ্টসাধ্য। কিন্তু সে সড়কের চিত্র এখন পুরোটাই পাল্টে গেছে। উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে এই সড়কে। এতে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসীও। বলা চলে চেনা সড়কটির এখন যেন পুরোই অচেনা। বছরের পর বছর জুড়ে যে সড়কটি ছিল অবহেলিত এখন সে সড়কটি ঝকঝকে তকতকে।
জানা যায়, গত কয়েক বছর ধরে রামপুরা ওয়ার্ডের আওতাধীন হাছান শাহ মাজার থেকে রমনার পাড় সড়কটি ছিল ভাঙাচোরা ও খানাখন্দকে ভরা। এমনকি সড়কটির নাম শুনলে রিক্শা পর্যন্ত যেতে চাইত না।
মাত্র এক কোটি টাকায় পুরো চেহারা পাল্টে গেছে। যেখানে আগে সড়কে প্রস্থ ছিল ৮ থেকে ১০ ফিট। এখন তা ১৫ থেকে ২০ ফিটে পরিণত হয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, এ সড়কটিতে আগে চলাচল করতে অনেক কষ্ট হত। এখন অনেকটাই শান্তিতে চলাচল করা যায়।
আগে কোন মানুষ অসুস্থ হলে রিক্শাও আসতে চাইতো না। অনেক কষ্ট করেই বসবাস করতে হয়েছে বাসিন্দাদের। তবে এখন যেভাবে রাস্তাটি নির্মাণ করা হয়েছে চাইলে সিএনজিও চলাচল করতে পারে এই সড়ক দিয়ে। আগের চেহারা এখন আর নেই। পাল্টে গেছে পুরো সড়কের চিত্র।
উন্নয়নের কথা জানিয়ে ২৫ নম্বর রামপুরা ওয়ার্ড কাউন্সিল এস এম এরশাদ উল্লাহ পূর্বকোণকে বলেন, ‘রাস্তাগুলো আগের চেয়ে অনেক ভালো হওয়ায় এলাকার বাসিন্দারা মহাখুশি। নাগরিকেরা যেমন আশা করে, সেভাবে কাজ হলে সবাই সন্তুষ্ট হয়। সিটি কর্পোরেশনও সেভাবেই কাজ করার চেষ্টা করছে। জনগণের প্রত্যাশাগুলো পূরণের জন্য আমি চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
আমাদের স্থানীয় এমপির কাছ থেকে বাজেট পাওয়ার পর এ প্রকল্পের কাজ শুরু করা হয়। প্রকল্প বাস্তাবায়নের ফলে এলাকাবাসীর অনেকদিনের কষ্ট লাঘব হয়েছে। আমাদের হাতে বাজেট পাওয়ার পর আমরা এ কাজ শুরু করি। এ ধরণের বাজেট আসলে পুরো এলাকার যে সকল সড়কে সমস্যা রয়েছে তা সমাধান করা সম্ভব বলেও জানান তিনি।’

Share