স্পোর্টস ডেস্ক

টুর্নামেন্টের প্রথম দুই ম্যাচে দুই শক্তিশালী প্রতিপক্ষের কাছে হেরেছে বাংলাদেশ। শক্তির বিচারে অনেক এগিয়ে থাকা বাহরাইন ও ফিলিস্তিনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের যুবাদের লড়াকু ক্রীড়াশৈলী মুগ্ধ করেছে ফুটবলপ্রেমীদের। মধ্যপ্রাচ্যের দেশ দুটির কাছে ১-০ গোলের একই ব্যবধানে হেরেছে লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। আর এ দুই ম্যাচের পারফরম্যান্স বাহরাইন থেকে একটি জয় নিয়ে ফেরার প্রত্যাশা বাংলাদেশের। শেষ ম্যাচে প্রতিপক্ষ শ্রীলংকা আর সে কারণে একটি জয় নিয়ে দেশে ফিরতে চাইবে বাংলাদেশ।
আজ মঙ্গলবার বাহরাইনের ইসা টাউনের খলিফা স্পোর্টস সিটি স্টেডিয়ামে এএফসি অনূর্ধ্ব-২৩ চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাই পর্বের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ ও শ্রীলংকার অলিম্পিক দল। দুই দলেরই বিদায় নিশ্চিত হয়েছে প্রথম দুই ম্যাচ হেরে। বাংলাদেশ দুই ম্যাচে খেয়েছে ২ গোল, শ্রীলংকার জালে বল গেছে ১৮ বার। এই গ্রুপের চার দলের মধ্যে ফিফা র‌্যাংকিংয়ে সবচেয়ে নিচে শ্রীলংকা। বাংলাদেশের চেয়েও ৯ ধাপ পেছনে। মাঠে তার চিত্রটাও ছিল পরিস্কার। শ্রীলংকার সঙ্গে নিজেদের পার্থক্যটা ৯ টি করে গোল দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছে তাজিকিস্তান ও বাহরাইন। আজ সে শ্রীলংকাই প্রতিপক্ষ বাংলাদেশের। যুবাদের এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ আগে কখনো জেতেনি। একটি ড্র আছে শুধু ভারতের বিরুদ্ধে। এবার শ্রীলংকাকে পাওয়ায় সেই অধরা জয়টা আসতেও পারে লাল-সবুজ জার্সিধারীদের। দক্ষিণ এশিয়ার দেশটি যে আহামরি শক্তিশালী নয়। ২০১২ সালে শুরু হওয়া এএফসির এই যুব টুর্নামেন্টে কখনো মুখোমুখি হয়নি বাংলাদেশ-শ্রীলংকা। তবে দুই দেশের জাতীয় দলের দেখা হয়েছে ১৫ বার। প্রেসিডেন্টস কাপ, বিশ্বকাপ বাছাই, ফিফা ফ্রেন্ডলি, সাউথ এশিয়ান গেমস, গোল্ডেন জুবলি টুর্নামেন্ট, সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ও এএফসি এশিয়ান কাপ মিলে এ মোকাবিলাগুলো হয়েছে বাংলাদেশ ও শ্রীলংকার। ১৫ বারের মুখোমুখিতে জয়ের পাল্টাটা ঝুলে আছে বাংলাদেশের দিকেই। ৯ ম্যাচ জিতে ৪ ম্যাচ হেরেছে বাংলাদেশ। ড্র হয়েছে দুটি ম্যাচ। তবে দুই দেশের সর্বশেষ সাক্ষাতে জয়ের সুখস্মৃতি লংকানদেরই। গত বছর ২৯ আগস্ট নীলফামারীতে ফিফা ফ্রেন্ডলি ম্যাচে গোলরক্ষক শহিদুল আলম সেহেলের শিশুসুলভ ভুলে বাংলাদেশ হেরেছিল ১-০ গোলে।

Share