নীড়পাতা » শেষের পাতা » হাটহাজারী কারখানা সিলগালা জরিমানা ঘনচিনি ও ক্ষতিকর রঙ দিয়ে ভেজাল আইসক্রিম

হাটহাজারী কারখানা সিলগালা জরিমানা ঘনচিনি ও ক্ষতিকর রঙ দিয়ে ভেজাল আইসক্রিম

নিজস্ব সংবাদদাতা হ হাটহাজারী

হাটহাজারী উপজেলা সদরের মেখল সড়কে ঘনচিনি আর ক্ষতিকর রঙ ব্যবহারের অপরাধে ফয়জিয়া-৩ আইসক্রিমের কারখানাকে জরিমানা এবং সাময়িক সময়ের জন্য কারখানা বন্ধ করে দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত । গতকাল রোববার দিবাগত রাত ৯টায় আইসক্রিম কারখানায় অভিযান চালিয়েছে হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুহুল আমিনএ সময় ঘনচিনি, বিভিন্ন ধরনের রঙসহ ভেজাল কেমিক্যাল জব্দ করে ধ্বংস করা হয় এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। সূত্রে জানা গেছে, ভেজাল আইসক্রিম তৈরির খবর পেয়ে হাটহাজারী উপজেলা সদরের বাসস্টেশন মেখল সড়কে ফয়জিয়া-৩ আইসক্রিম ফ্যাক্টরিতে অভিযান চালায়

হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুহুল আমিন। গতকাল রাত ৯টায় এ অভিযানের সময় আইসক্রিমে ব্যবহূত পামওয়েল, ঘনচিনি, রং, স্যাকারিন, অ্যারারুটসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর খাওয়ার অযোগ্য ক্ষতিকর ক্যামিক্যাল ধবংস করা হয়।
ইউএনও রুহুল আমিন পূর্বকোণকে বলেন, প্রায় ১ মাস পূর্বে এ আইসক্রিম কারখানার মালিককে সতর্ক করা হয় , তিনি ঘনচিনি ও ক্ষতিকর রঙ ব্যবহার না করার অঙ্গীকার করেন। কিন্তু তিনি কথা রাখেননি, আজ (রোববার) অভিযানে এসে ঘনচিনি ও ক্ষতিকর রঙ দিয়ে ভেজাল আইসক্রিম তৈরির প্রমাণ হাতেনাতে পাওয়া গেছে। সাময়িকভাবে এ কারখানা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে এবং মালিককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। নিয়মিত এ অভিযান চলবে বলে জানান ইউএনও রুহুল আমিন।
ঘনচিনি কি? ইন্টারনেট ঘেটে জানা যায় ঘনচিনির বানিজ্যিক নাম সোডিয়াাম সাইক্লোমেট। মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর ঘন চিনি বা সোডিয়াম সাইক্লামেট। দাম কমাতে এর সঙ্গে মেশানো হয় বিষাক্ত সার ম্যাগনেসিয়াম সালফেট। এভাবে বিষের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে বানানো হয় ‘বিকল্প চিনি’। এই ‘বিকল্প চিনি’র এক কেজিতে ৫০ কেজি আসল চিনির কাজ হয়। এই ভেজাল ঘন চিনি দিয়ে তৈরি হচ্ছে মিষ্টি ও মিষ্টি জাতীয় দ্রব্য, চকোলেট, আইসক্রিম, কনডেন্সড মিল্ক, বেকারি ও বেভারেজ দ্রব্য। বিষ মেশানো এসব খাবার খেয়ে ক্যান্সার, কিডনি বিকল, হৃদরোগ, ডায়াবেটিসসহ জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে দেশের মানুষ।

Share
  • 1
    Share