সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন,নগর জীবনে সবুজের ছোয়া একেবারে নেই বললেই চলে। অথচ এই যান্ত্রিক শহরে সবুজ প্রকৃতি খুবই জরুরি। নগরীর প্রতিটি ছাদে, বাড়ির আঙ্গিনায় এবং খালি জায়গায় বাগান গড়ে তুলে তিলোত্তমা চট্টগ্রামকে সবুজে সাজিয়ে গ্রিণ সিটিতে রূপান্তর করার কর্মসূচি নগরবাসীর বাস্তবায়ন করা সম্ভব। কারণ সবুজের মাঝেই মানুষের জীবন। উন্নত পরিবেশ, পরিচ্ছন্ন নগরী, বিশ্বমানের বাসপোযোগী মনোরম পরিবেশ গড়ে তোলার প্রত্যয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ছাদ বাগান উদ্যোক্তাদের আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতা প্রদান করবে। তিনি বলেন, যারা ছাদ বাগান করবেন তাদের গৃহকরে শীতিলতা থাকবে। মেয়র আশা করেন সুন্দর মনের মানুষদের সার্বিক সহযোগিতায় বন্দর নগরী চট্টগ্রাম সবুজ নগরীতে গড়ে উঠবে। গতকাল ১৫ মার্চ শুক্রবার সকালে নগরীর উত্তর কাট্টলীর মুন্সী পাড়াস্থ জয়নাল আবেদীন চৌধুরীর বাড়িতে রোকেয়া হকের ছাদ বাগান পরিদর্শনকালে মেয়র একথা বলেন। রোকেয়া হকের এ ছাদ বাগানে সফেদা, লাউ, বেগুন, ক্যাপসিক্যাপ, আখ, কমলা লেবু, শালগম, থাইলেবু, ড্রাগন, ফলজ, বনজ, ঔষধী, বিভিন্ন প্রজাতির ফুল, সবজিসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ-পালা ও পরিবেশ দেখে মেয়র মুগ্ধতা প্রকাশ করে বলেন নিজেদের ইচ্ছা শক্তি আর বৃক্ষপ্রেম থাকলে বাড়ির ছাদে বাগান গড়ে তোলা কোন সমস্যা নয়। এতে যেমন নিজেদের দৈনন্দিন প্রয়োজন মিটবে অপরদিকে প্রাকৃতিক

ভারসাম্যও রক্ষা হবে। তিনি বলেন পায়ের নিচে নরম ঘাসের স্পর্শ না পেলেও হাত দিয়ে স্পর্শ করা যায় বৃক্ষরাজির সবুজ পাতা। ছাদ বাগান পরিদর্শনকালে সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবিদা আজাদ, বনায়ন কর্মকর্তা ম্্্্্্্্্্্্ঈনুল হোসেন আলী জয়, তিলোত্তমা চট্টগ্রামের স্বত্বাধিকারী সাহেলা আবেদীন, রোকেয়া হক, মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন আহমদ চৌধুরী, হারুনুর রশিদ, রিয়াদ খান উপস্থিত ছিলেন। মেয়র ছাদ বাগান বিষয়ে নগরবাসির মাঝে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য চট্টগ্রাম শহরকে কয়েকটি জোনে বিভক্ত করে প্রচার,সচেতনতা কর্মসূচি গ্রহণ করার জন্য তিলোত্তমা চট্টগ্রামকে পরামর্শ দেন। মেয়র বলেন চসিক আগামী বাজেটও এই খাতে অর্থ বরাদ্দ রাখবে এবং ছাদ বাগান করতে আগ্রহীদের গাছের চারা বিতরণ করবে।পরিদর্শনকালে মেয়র নিজ হাতে বাগান থেকে বেগুন, কমলা, সফেদা, লাউ,আখসহ বিভিন্ন প্রকারের সবজি ও ফল উত্তোলন করেন। -বিজ্ঞপ্তি

Share