মফস্বল ডেস্ক

উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ে সুন্দর, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে বিপুল শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে গত ১৪ মার্চ।
গহিরা এ.জে.ওয়াই.এম.এস. বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়: নিজস্ব সংবাদদাতা জানান, রাউজানস্থ বিদ্যালয়ে সকালে ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেন স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি প্রধান শিক্ষক হাবিবুল হক, সহকারী প্রধান শিক্ষক আলতাফ হোসেন, স্কুল পরিচালনা কমিটির সদস্য কেএম নওশাদ, শিক্ষক নেপাল চন্দ্র নাথ, শিক্ষক প্রতিনিধি সুপ্রিয়া রানী দেবী, রাজু ভট্টাচার্য্য, সুনন্দা বড়–য়া, রুবেল দাশ ও কামাল। স্কুলসূত্রে জানা যায়, এ স্কুলে ভোটার ছিল ৮৪০ জন। ভোটগ্রহণ করা হয় ৮৯ শতাংশ। বুথ ছিল ৫টি। নির্বাচিত হন ৮জন। তারা হলেন, দশম শ্রেণির হাসনাত, সাজিয়া, ৯ম শ্রেণির মুগ্ধ বড়–য়া, মাইশা ফারজানা, ৮ম শ্রেণির সুমাইয়া, শিমু, ৭ম শ্রেণির ফারহান আহমেদ ও ৬ষ্ঠ শ্রেণির জান্নাতুল নাঈম।
পশ্চিম গহিরা ইউনুচ সুফিয়া চৌধুরী পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়: নিজস্ব সংবাদদাতা জানান, বিদ্যালয়ে সকাল ৯টা থেকে ২টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। এতে মোট প্রার্থী ছিলেন ২৭ জন। মোট ভোটার ছিল ৪৮২ জন। ভোটগ্রহণ করা হয় ৪২০ ভোট। নির্বাচিত হন ৮ জন। ভোট কেন্দ্র পরিদর্শন করেন স্কুলের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ও পৌর কাউন্সিলর আলমগীর আলী, প্রধান শিক্ষক বদিউল আলম, ম্যানেজিং কমিটির মেম্বার তসলিম উদ্দিন সিকদারসহ শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ।
নাইক্ষ্যংছড়ি উচ্চ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়: নিজস্ব সংবাদদাতা জানান, বিদ্যালয়ে সর্বমোট ৫৭৩ জন ভোটারের মধ্যে ৩৫০ জন ভোটার অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিয়েছে শিক্ষার্থীরা। স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ঘোষিত তফসিল মোতাবেক বিদ্যালয়ে স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৯টা হতে দুপুর ২টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোটগ্রহণের সব দায়িত্ব পালন করেন শিক্ষার্থীরা। পর্যবেক্ষণ করেন অত্র বিদ্যালয়ের নির্বাচন সমন্বয়কারী হিসেবে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসরিন আক্তার, সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা ওসমান গণি, সহকারী শিক্ষক রাহমত ছালাম, আব্দুর রহিম, ফখর উদ্দীনসহ অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা। কেবিনেট নির্বাচনে ৮টি পদের বিপরীতে ১৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। প্রতিদ্বন্দ্বীরা হলেন- ১০ম শ্রেণির উম্মে জান্নাতুল রিফা মমি, কানিজ ফারহানা আঁখি, ৯ম শ্রেণির ফজিলাতুন নেছা তোফা, ফাতেমা জান্নাত নয়ন, ৮ম শ্রেণির আসমাউল হুসনা, শাফিয়া সুলতানা, ৭ম শ্রেণির আদিয়াতুল ইতমাম নুসাইফা, সুমাইয়া জান্নাত, সায়মা পারভিন, ৬ষ্ঠ শ্রেণির উম্মে হাবিবা সালমা, জান্নাতুল ফেরদৌস, ফাতেমা বেগম ও নুরে জিগার তাম্মি। এদের মধ্যে নির্বাচিত হলেন- ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী উম্মে জান্নাতুল রিফামনি, কানিজ ফারহানা আঁখি, ৯ম শ্রেণির ফজিলাতুন নেছা তোহফা, ফাতেমা জান্নাত নয়ন, ৮ম শ্রেণির শাফিয়া সুলতানা, আসমাউল হুসনা, ৭ম শ্রেণির আদিয়াতুল ইতমাম ও ৬ষ্ঠ শ্রেণির জান্নাতুল ফেরদৌস। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ফারহানা আমান। নির্বাচন কমিশনার ছিলেন ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ইশরাত নওশীন ইফাত ও ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ইশিতা বড়ুয়া। এছাড়াও সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন ১০ম শ্রেণির মাহিমা হাকিম হিমা, আমেনা বেগম, সাজেদা বেগম ও আকলিমা জাহান ছিদ্দীকা। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন ৯ম শ্রেণির ফাতেমা বেগম। পোলিং অফিসার ছিলেন ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী কামরুন্নাহার, সোহানা আক্তার, নুর ফাতেমা, শফিকুল জান্নাত জিহা, ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাইমা জান্নাত রেখা, নাছিমা বেগম, আফরোজা আক্তার ও জাহেদা বেগম। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ছিলেন ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী তসলিমা বেগম, ইয়াছমিন আক্তার, আতিয়া তাসমিন, ৯ম শ্রেণির আসিফা, তসলিমা, ইছরাত, ৮ম শ্রেণির ফিরোজা, শারমিন, কুলছুমা ও হালিমা। এজেন্ট ছিলেন ১০ম শ্রেণির নাসরিন জাহান এ্যামি, সিদরাতুল মোনতাহা, জান্নাতুল নাঈমা, ৯ম শ্রেণির উম্মে সাদিয়া ও ৮ম শ্রেণির মারিয়া তাবাসুম। সাংবাদিক পর্যবেক্ষক ছিলেন ৯ম শ্রেণির জোবাইদা সুলতানা ও হুমাইরা ইয়াছমিনসহ বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করে শিক্ষার্থীরা। উল্লেখ্য, এই স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচনে শিক্ষার্থীদের মোট ভোটার ৫৭০ জন,মোট ভোট কক্ষ ছিলো ৪টি।

Share