নীড়পাতা » প্রথম পাতা » টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ইয়াবা কারবারি নিহত

টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ইয়াবা কারবারি নিহত

নিজস্ব সংবাদদাতা

বিজিবির অভিযানে বন্দুকযুদ্ধে এক ইয়াবা ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। গতকাল ১৪ মার্চ ভোররাতে টেকনাফের খানকার ডেইল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মাদক পাচারকারী টেকনাফ পৌরসভা ৪নং ওয়ার্ড নতুন পল্লানপাড়া এলাকার আব্দুল গফুরের পুত্র নুরুল ইসলাম (৩০) বলে জানা গেছে। এ অভিযানে বিজিবির ১জন সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল হতে ৭ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ২টি লোহার ধারালো কিরিচ উদ্ধার করা হয়। টেকনাফ মডেল থানার এসআই মোহাম্মদ বাবুল’র নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গুলিবিদ্ধ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কক্সবাজার মর্গে প্রেরণ করেছে।
টেকনাফ-২ বিজিবির অতিরিক্ত পরিচালক ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর শরীফুল ইসলাম জোমাদ্দার অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ‘গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে জানা যায় ১৪ মার্চ ভোররাতে খানকার ডেইল গ্রামের পূর্ব পার্শ্বে লবণ প্রজেক্টের উত্তর-পশ্চিম দিক দিয়ে বিপুল পরিমাণে ইয়াবা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন ২ বিজিবির নায়েব সুবেদার মো. শাহ আলমের নেতৃত্বে ১টি টহল দল দ্রুত খানকার ডেইল গ্রামের পূর্ব পার্শ্বে লবণ প্রজেক্টের নিকট গমন করে। আনুমানিক সোয়া ৪টার দিকে টহল দলের উপস্থিতি লক্ষ্য করা মাত্রই ইয়াবা পাচারকারীরা টহল দলের উপর অতর্কিতভাবে গুলি বর্ষণ করতে থাকে এবং ধারালো অস্ত্র নিয়ে আক্রমণ করে। এতে বিজিবি’র টহল দলের একজন সদস্য আহত হয়। এ সময় বিজিবি আত্নরক্ষার্থে কৌশলগত অবস্থান নিয়ে পাল্টা গুলি বর্ষণ করে। উভয় পক্ষের মধ্যে প্রায় ১০-১২ মিনিট গুলি বিনিময় চলে। এরপর ইয়াবা পাচারকারীরা গুলি করতে করতে ঘটনাস্থল হতে দ্রুত পালিয়ে যায়। গুলির শব্দ থামার পর ভোরের আলোতে টহল দলের সদস্যরা এলাকা তল্লাশি করে এক ব্যক্তিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। একই সাথে টেকনাফ মডেল থানায় খবর দেয়া হয় ও পুলিশের সহযোগিতায় টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে কর্তব্যরত ডাক্তার উক্ত ব্যক্তিকে মৃত ঘোষণা করেন। এছাড়া উক্ত স্থান হতে আনুমানিক ৭ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ২টি লোহার ধারালো কিরিচ উদ্ধার করা হয়। আহত বিজিবি সদস্যকে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে’।

Share