নিজস্ব সংবাদদাতা , আনোয়ারা

আনোয়ারায় বঙ্গবন্ধু টানেল সড়কের ভূমির জন্য স্থাপনা ও অবকাঠামো উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে বৈরাগ ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর এলাকায় এ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এদিকে বাড়িঘর উচ্ছেদের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ ভূমি মালিকদের মাঝে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। অনেকেই ক্ষতিপূরণ না পাওয়ায় বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। তবে টানেল কর্তৃপক্ষের দৃঢ় পদক্ষেপ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে এলাকার পরিস্থিতি ক্রমশ শান্ত হয়। জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু টানেল সড়ক নির্মাণে অধিগ্রহণকৃত ভূমির স্থাপনা ও অবকাঠোমো উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এ উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শান্তিপূর্ণভাবে উচ্ছেদ কার্যক্রম সম্পন্ন করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে উচ্ছেদ কার্যক্রম আরম্ভ করতে গেলেই এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলে শত শত লোক দেখার জন্য জড়ো হয়। ক্ষতিগ্রস্ত ভূমির মালিকেরা ক্ষতি পূরণের টাকা না পেয়ে বাধা দিলেই সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপে উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিলুর রহমানের নেতৃত্বে উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু টানেল প্রকল্পের উপ-পরিচালক ড. অনুপম সাহা, বঙ্গবন্ধু টানেলের নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ। তিনটি বুলডেজার নিয়ে চায়না কমিউনিকেশন কনস্ট্রাকশন কোম্পানির কর্মকর্তা ও শ্রমিকরা উচ্ছেদ কার্যক্রম চালাচ্ছে। উচ্ছেদে কার্যক্রমে ফায়ার সার্ভিসসহ বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য উপস্থিত ছিল। মামলা কিংবা ভূমির নামজারি সংক্রান্ত জটিলতার কারণে এখনো অনেকেই ক্ষতিপূরণ পায়নি। ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে এই নিয়ে উত্তেজনা চলছে, তাদের দাবি আমরা কোথায় গিয়ে ঠাই করে নেব। ক্ষতিপূরণ না পাওয়া অনেকেই অন্য জায়গায় আশ্রয় নিতে হিমশিম খাচ্ছে। অনেকে আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিচ্ছে। এদিকে বঙ্গবন্ধু টানেলের উপ-পরিচালক ড. অনুপম সাহা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতা দিতে টানেল কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে।

Share