স্পোর্টস ডেস্ক

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) খেলতে এনওসি (নো অবজেকশন সার্টিফিকেট) পেয়েছেন সাকিব আল হাসান। ইনজুরির কারণে জাতীয় দলের নিউজিল্যান্ড সফরে নেই সাকিব। মাঠে ফিরতে মরিয়া সাকিব এখন পুনর্বাসনে আছেন। ব্যাটিং-বোলিং শুরু করেছেন দু’দিন হল। এর আগে এক সপ্তাহ ফিটনেস ট্রেনিং করেছেন। নিয়মিত রানিং, জিম সেশন করেছেন। তবে এখনও ম্যাচ ফিটনেস পাননি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক ও টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস জানিয়েছেন, সাকিবকে নতুন করে ১০ দিনের বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। এরপর ফিট হলে সাকিব যেকোনো জায়গায় খেলতে প্রস্তুত থাকবেন বলে জানালেন বিসিবির পরিচালক। সাকিবকে অনাপত্তিপত্র দেবার বিষয়টি নিশ্চিত করে জালাল ইউনুস বলেছেন, ‘তার আইপিএল খেলতে কোনো বাঁধা থাকা উচিত না। যদি খেলোয়াড় ফিট থাকে, খেলতে যেতে পারে। সাকিবকে এরই মধ্যে আইপিএল খেলার ক্লিয়ারেন্স দিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ইনজুরিতে যেন না পড়ে, সেইদিকে খেয়াল রাখা উচিত।’ সাকিব আইপিএল খেললে তার ও দেশেরই লাভ। ইনজুরি থেকে ফেরার পর সাকিব নিজের ফর্মটা ঝালিয়ে নিতে পারবেন। তবে তাঁর আইপিএল খেলার সম্ভাবনা জন্ম দিচ্ছে অনেকগুলো প্রশ্নের। তার মধ্যে সবচেয়ে জোরালো প্রশ্ন এটি- ইনজুরিতে পড়ার ঝুঁকি এড়াতে মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল খেলতে মানা করা হলেও সাকিবকে কেন বাধা দেওয়া হচ্ছে না? বিগত এক বছরে চোট নিয়ে বেশ ভোগান্তিতে ছিলেন সাকিব। মুস্তাফিজও এমন ভোগান্তির কারণেই বোর্ড থেকে নির্দেশ পেয়েছেন- চোট যেন জাতীয় দলের খেলার ক্ষতি করে ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক ক্রিকেটে খেলার ‘সুযোগ’ করে না দেয় এজন্য ভিনদেশি লিগে খেলা যাবে না। মুস্তাফিজ এখন চোটমুক্ত, তবে চোট আছে সাকিবের। তাহলে মুস্তাফিজের আইপিএল খেলায় বারণের বিপরীতে সাকিব কেন খেলতে যাচ্ছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে জালাল ইউনুস বলেন, ‘এটা কিন্তু বোর্ডের মাথায় আছে। যাতে সাকিবের ওপর কোনো চাপ না থাকে। আইপিএল বলেন বা অন্যকোনো টুর্নামেন্ট খেলতে যাওয়া বলেন, এখন আমাদের আসল টার্গেট হচ্ছে বিশ্বকাপ।’ তবে জালাল ইউনুস চান, ফিট থাকলে তথা চোট-সমস্যা না থাকলে যেকোনো খেলোয়াড় যেন ভিনদেশি লিগে খেলতে পারেন। তিনি বলেন, ‘আমার মতে বাধানিষেধ কোনোভাবেই থাকা উচিত না। যদি খেলোয়াড়টি ফিট থাকে খেলতে যেতেই পারে। তবে ওইখানে গিয়ে যাতে ইনজুরিতে না পড়ে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। তবে আমরা কোনো খেলোয়াড়কে এভাবে মানা করতে পারি না যে, সে কোন টুর্নামেন্ট খেলতে পারবে না। যদি ফিট থাকে এবং বোর্ড মনে করে, সে যেতেই পারে।’

Share