নীড়পাতা » মহানগর » ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায় বহদ্দারহাট কাঁচাবাজার

ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায় বহদ্দারহাট কাঁচাবাজার

৪নং চান্দগাঁও

নিজস্ব প্রতিবেদক

নগরীর ৪নং চান্দগাঁও ওয়ার্ডের বহদ্দারহাট কাঁচাবাজার এখন পুরোটাই ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার আওতায় এসে গেছে। তাই চুরি-ছিনতাই এবং চাঁদাবাজি করে কেউ পার পায় না। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই বাজারে নিয়মিত ১০ জন প্রহরী রাখার পরও ১৭টি ক্যামেরা রাখা হয়েছে। এতে খরচ হয়েছে দুই লাখ ৪০ হাজার টাকা। এসব ক্যামেরা এখন বাজারটির প্রধান নিরাপত্তা প্রহরীর জায়গা করে নিয়েছে। চুরি ছিনতাই যাই ঘটুক না কেন, ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আর ছবি দেখেই অপরাধী শনাক্ত হয়ে যায়। একারণে এই বাজারের ভিতরে এখন অপরাধ হয় না বললেই চলে।
বহদ্দারহাট কাঁচা বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি হাজী জানে আলম সওদাগর জানান, ক্রেতা স্বার্থ রক্ষায় তারা সবসময় সচেষ্ট থাকেন। কোন ক্রেতা পণ্য কেনার সময় বিক্রেতার আচরণে অসন্তুষ্ট হলে সমিতিতে অভিযোগ দেয়ার সুযোগ আছে। যেসব অভিযোগ আসে তা দ্রুততার সাথে নিস্পত্তি করা হয়। এখানে ক্রেতার স্বার্থটাই সবার আগে গুরুত্ব দেয়া হয়। এছাড়া কয়েক মাস অন্তর বিক্রেতাদের নিয়েও সচেতনতামূলক মতবিনিময় করা হয়। আর ক্যামেরা লাগানোর পর থেকে এখানে চাঁদাবাজি হয় না বললেই চলে। কারণ কেউ চাঁদা দাবি করতে এলেই ক্যামেরায় ভিডিও ধারণ হয়ে যায়। তাই এই কাঁচা বাজারে কেউ চাঁদাবাজি করতে সাহস পায় না।
সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. বদিউল আলম সওদাগর পূর্বকোণকে বলেন, মূলত চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশ কমিশনারের পরামর্শে এখানে ক্যামেরা লাগানোর উদ্যোগ নেয়া হয়। এই কাঁচা বাজারে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা লাগানোর পর বাজারটি এখন শতভাগ নিরাপদ হয়ে গেছে। বাজারের ভিতরে কোন চুরি কিংবা পকেটমারের ঘটনা ঘটলে তা ক্যামেরায় ভিডিও ধারণ হয়ে যায়। ক্যামেরা লাগানোর পর ছোট-খাটো যে কয়েকটি চুরির ঘটনা ঘটেছে তার সবগুলিই ধরা হয়েছে। চোর শনাক্ত করে মালামাল উদ্ধার হয়েছে। তাছাড়া প্রধান ফটকে যে তিনটি ক্যামেরা রয়েছে সেসব ক্যামেরার বহদ্দারহাট মোড়ের বড় একটি অংশ ২৪ ঘণ্টা ভিডিও হয়। এসব ক্যামেরার ফুটেজ প্রায় সময় থানা পুলিশ এসে নিয়ে যায়। তারা তাদের তদন্ত কাজে সহযোগিতা নেয়। তিনি জানান, বাজারে ১০ জন প্রহরী রয়েছেন। তারা দায়িত্ব পালন করলেও ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা লাগানোর পর নিরাপত্তা আরো বেড়ে গেছে। এখন এখানে অপরাধ কেউ পার পায় না।

Share