নীড়পাতা » সম্পাদকীয় » নতুন মন্ত্রিসভার মাধ্যমে কী বার্তা পেলাম আমরা?

নতুন মন্ত্রিসভার মাধ্যমে কী বার্তা পেলাম আমরা?

নাওজিশ মাহমুদ

একটি প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনের পর, সবচয়ে বড় চমক হলো শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের মন্ত্রীসভা । ১৪ দলের জোট থেকে যেমন কোন মন্ত্রী নেয়া হয় নি। তেমনি জাতীয় পার্টি থেকেও কাউকে মন্ত্রী করা হয় নি। এমনকি আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতাদেরও তিনি অন্তর্ভুক্ত করেন নি। ফলে, এখন শুধু আওয়ামী লীগের অপেক্ষাকৃত তরুণ মন্ত্রীসভার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী দেশ চালাবেন। সংসদে কোন কার্যকর বিরোধী দল নেই । বিএনপির ৮জনসহ ১১জন বিরোধী সদস্য সংসদে আসতে পেরেছেন। জাতীয় পার্টি সরকারের মদতে, সরকারের বদন্যতায় এবং সরকারের ইচ্ছায় বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবেন। এরা বিরোধী দলের মর্যাদাও পাবেন কিনা জানি না। জাতীয় পার্টি বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করার কারণে মহাজোটের বাইরে অন্য দল সংসদের বিরোধী দলের মধ্যেও কোণঠাসা হয়ে থাকবেন। বিরোধী দলের রাজনীতির রাজনীতিতেও ঐক্যফ্রন্ট কার্যত সংসদে নিষ্ক্রিয় হয়ে থাকতে হবে। অর্থাৎ সংসদীয় গণতন্ত্র মূলত খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলবে।
এটা বাংলাদেশের রাজনীতির প্রবণতা কিনা জানি না। তবে, এটা সত্য রাজনৈতিক কলাকৌশল নির্ধারণ করে, নিত্য নতুন সৃজনশীল পদ্ধতি উদ্ভাবন করে, আমাদের রাজনীতিতে শেখ হাসিনা নতুন নতুন চমক উপহার দিচ্ছেন। এটা নির্দ্বিধায় বলা যায়, বিশেষ করে , বিরোধী রাজনৈতিক দলসমূহকে কাছে টেনে, তাঁদেরকে ক্ষমতার অংশীদার করে সরকারের বিরোধী প্রবণতাকে ভোঁতা করে দেয়া হচ্ছে। সেই সাথে আওয়ামী লীগের রাজনীতির ছোঁয়া দিয়ে কলুষিত করে এখন বিরোধীদের ছেড়ে দেয়া হচ্ছে । (যাও বৎস রাজনীতি শিখিয়ে দিলাম। ক্ষমতার স্বাদও দিলাম। এবার কিছু করে খেতে পার কি-না দেখ।) তাতে আমাদের বিরোধী রাজনীতির ধারা বা আচরণ যেমন কমে যাচ্ছে তেমনি সরকারী বিরোধিতার প্রবণতা ধীরে ধীরে হ্রাস পাচ্ছে। সরকার থেকে বিতাড়িত বিরোধীরা আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে দাঁড়াবার নৈতিকতাও হারিয়ে ফেলবে। এমনি করে বিএনপির সাথে জামাতে ইসলাম ক্ষমতা গিয়ে বিএনপির দুর্নীতি এবং তার বদনামের ভাগীদার হয়ে নিজেদের আলাদা স্বকীয়তা বিসর্জন দিয়েছে এবং সৎলোকের শাসনের দাবীকে প্রহসনে পরণিত করেছে। মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা ও যুদ্ধাপরাধের অপরাধের সাথে দুর্নীতির সহযোগী হিসেবেও বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে তাঁদের গ্রহণযোগ্যতাও হারিয়ে ফেলেছে। এইভাবে বিরোধী রাজনীতিবিদদের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অংশীদার করে জনগণের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করার যে প্রক্রিয়া এ দেশে চালু হয়েছে, এখনও তা অব্যাহত রয়েছে। পাশর্^বর্তী রাষ্ট্র ভারতেও জোটবদ্ধ হয়ে ক্ষমতায় যায়। তবে, ভারতে যারা ক্ষমতায় অংশীদার হয়, তাঁদের প্রত্যেকের জনগণের কাছে শক্ত ভিত আছে। কিন্তু প্রধান দলের মার্কা নিয়ে নির্বাচিত হওয়ার প্রবণতা শুধু বাংলাদেশেই আছে। জনগণের কাছে তাঁদের শক্ত ভিত নাই । যাতে আন্দোলন করে সরকারকে বিব্রত করতে না পারে, সে জন্য তাঁদের দয়া করে ক্ষমতার স্বাদ দিয়ে ভবিষ্যতে যাতে প্রতিদ্বন্দ্বী হতে না পারে সে ব্যবস্থা করে রাখা হয়েছে। যে সকল দলকে নিয়ে মহাজেটে গঠিত হয়েছে তাঁদের অধিকাংশেরই এককভাবে কোন নির্বাচনে জয়লাভ করার সম্ভাবনা নেই। শেখ হাসিনা এটা বুঝতে পেরে, এবার তাঁদের আর ক্ষমতার অংশ না করে বিরোধী দলে পাঠিয়ে দিয়েছে । দয়া করে এমপি করেছে, এতেই যাতে তারা সন্তুষ্ট থাকে।
বিরোধী রাজনীতিবিদদের চারিত্রিক দৃঢ়তা হ্রাস করার কায়দা কানুন বার বার এই দেশে চর্চা হচ্ছে। তাতে দেশ, জাতি ও জনগণের কাছে একটি বার্তা চলে যাচ্ছে। রাজনীতিবিদদের অধিকাংশই পরগাছা এবং ক্ষমতােেলাভী। এই রাজনীতিবিদদের ক্ষমতার প্রতি যে তুমূল আকর্ষণ, জনগণ এটা প্রাণভরে উপভোগ করছে । রাজনীতিতে “নৈতিকতা“ বলে যে শব্দ আছে তাও যেন কোথাও হারিয়ে যাচ্ছে।
আমাদের ভোটের রাজনীতিতেও “নৈতিকতা” শব্দটা খুব একটি গুরুত্ব পায় নি। আমাদের দেশের জনগণও এটাকে খুব একটা স্বাগত জানায় নি। ভোটের নির্বাচনে আমাদের জনগণ কখনও সৎ লোক দেখে ভোট দিয়েছে, এরকম কোন প্রমাণ পাওয়া যায় নি। তাঁরা ভোট দেয়ার সময় কেউ দক্ষ এবং যোগ্য কিনা, এটাকেও কখনও বিবেচনা আনে নি। তাঁদের চিন্তায় থাকে, তাঁদের প্রার্থী ভোটে জিতবে কি না ? জিতলেও শক্ত প্রতিদ্বন্দি¦তা করতে পারবে কিনা? এটার উপর ভিত্তি করে ভোট দেয়। যদিও প্রদত্ত ভোটে প্রার্থী জয়লাভ করলে, তারা একধরনের আত্মপ্রসাদ লাভ করে। নিজেকে বিজয়ী ভাবে। এটা আমাদের ভোটারদের একধরনে প্রবণতা। ফলে, বাংলাদেশের অধিকাংশ নির্বাচনে ভোট দেয়ার প্রবণতা একমুখী হতে দেখা যায়। ফলে যারা জয়লাভ করে তারা বিপুল ভোটে জয়লাভ করে। যারা হারে, গো হারা হারে। এ দিক থেকে বিবেচনা করলে বাংলাদেশের ভোটারদের ঐক্যবদ্ধ প্রবণতা জাতি এবং দেশের সংহতি জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
আমাদের অধিকাংশই ভোটারই বুঝতে চেষ্টা করি না, ভোট শুধু জয়লাভ বা হারার বিষয় না । এটা একটি জনমত । একজন ভোটার জনমতের কোন ধারাকে প্রতিনিধিত্ব করবে তার একটি প্রতিফলন । কিন্তু আমাদের দেশের ভোটাদের মধ্যে নিজেদের ইচ্ছার প্রতিফলনের বদলে অন্য ভোটারদের সাথে তাল মিলিয়ে সামষ্টিক একটি প্রবণতা বার বার ফুটে উঠে। সামষ্টিক চেতনা গড়ে উঠার এই প্রবণতা বাংলাদেশের রাজনীতির একটি বৈশিষ্ট্য। জাতির একটি বৈশিষ্ট্য। এর মধ্যে মধ্যে বিগত কয়েক বছরে আওযামী লীগ এবং বিএনপির প্রতি জনগণের দু’ধারার প্রবণতা দেখা দিলেও এর বাইরে জামাতের এবং ধর্মভিত্তিক একটি ভোট ব্যাংক এখনও আছে। বামদের একটি ক্ষুদ্র হলেও ভোট ব্যাংক ছিল কিন্তু বতর্মানে বামদের এই ভোট ব্যাংক প্রায় বিলীন হওয়ার পথে। কারণ, তাঁদের রাজনৈতিক অস্থিরতা, নেতৃত্বের দোদুল্যমানতা। সেই সাথে ভোটের রাজনীতি প্রতি সিদ্ধান্তহীনতা এবং ঐক্যবদ্ধ থাকতে না পারা প্রধান কারণ। তবে, ধর্মভিত্তিক দলগুলির ভোট আওয়ামী লীগ ও বিএনপি এই দুই ধারায় বিলীন হয়ে যাচ্ছে। তেমনি বামধারাও ইতিমধ্যে এই দু’ধারার রাজনীতির মধ্যে বিলীন হয়ে গিয়েছে। বিএনপি ধারার মধ্যে যেমন বাম আছে, মধ্যপন্থী আছে এবং ডান-কট্টরপন্থীরা আছে, তেমনি আওয়ামী লীগ ধারার মধ্যেও বাম আছে, মধ্যপন্থী আছে এবং ডানপন্থীরা আছে। অর্থাৎ এই দুই ধারার রাজনীতির মধ্য মূল পার্থক্য করা বা সীমারেখা টানা কঠিন হয়ে পড়েছে।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পক্ষে নাকি মুক্তিযুদ্ধের চেতানার পরিপন্থী? এই ভাবে দুই ধারাকে আলাদা কঠিন হয়ে পড়ছে। কারণ, বর্তমানে বিএনপি ধারা বা যা এবার ঐক্যফ্রন্টের মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করেছে সেখানে আসম আব্দুর রব, কাদের সিদ্দিকী এবং জাফর উল্লাহ চৌধুরীর মত মুক্তিযোদ্ধা যেমন আছে, তেমনি আওয়ামী ঘরানার মধ্যে তোফায়েল আহমদ এবং হাসানুল হক ইনু ছাড়া বড় মুক্তিযোদ্ধা কই? তা হলে বিভক্তির ধারা কি? যুদ্ধাপরাধের প্রশ্নে যদি ধরা হয়। তাহলে, জামাত নিজেই যুদ্ধাপরাধী। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে বিরোধিতাকারী একটি অংশ যেমন বিএনপিতে আছে, তেমনি এরশাদের মতো মুক্তিযুদ্ধবিরোধী লোকও আওয়ামী ঘরানায় আছে। আছে, মেজর মান্নানের মত লোক যারা নৌকা মার্কায় নির্বাচন করেছে। যুদ্ধকালীন সময়ে পাকিস্তান সেনাবহিনীর ব্রিগেডে মেজর থাকা অবস্থায় ৩ হাজার সাঁওতাল হত্যাকারী মেজর জেনারেল আমজাদের জন্য রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শোকবার্তার মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনীতি যুদ্ধাপরাধীর সমর্থক এবং বিরোধী হিসেবে কোন দলকেই নিরঙ্কুুশ করা যাচ্ছে না। তবু শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং যুদ্ধাপরাধের বিষয়টি সফলতার সাথে নিজেদের পক্ষে কাজে লাগিয়ে দশবছর ক্ষমতায় ছিলেন।
শেখ হাসিনা তাঁর দলের প্রবীণ নেতাদের বাদ দিয়ে একটি তরুণ এবং কম প্রভাবশালী প্রবীণদের মন্ত্রীসভায় এনে তাঁর আনুগত্য আরো নিরঙ্কুশ করতে চেয়েছেন। যাদেরকে তিনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। যাদের পরিচালনা করতে সহজ হবে। জবাবদিহিতার আওতায় আনতে পারবেন। ইচ্ছা করলে বাদ দিতে পারবেন। হাসিনার যদি কোন রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক এজেন্ডা থাকে তা হলে এই নতুন মন্ত্রীসভার সদস্যরা বাস্তবায়নে যথাসাধ্য চেষ্টা করবেন যাঁরা বাণিজ্যিকভাবে সফল, শিল্পপতি হিসেবে সফল তাঁদেরকে মন্ত্রীসভায় এনে তিনি রাজনীতিবিদিদের চেয়ে অনেক বেশী ব্যবসায়ীদের প্রাধান্য দিয়েছেন । তার সাথে মাঠ-পর্যায়ের কিছু অখ্যাত এবং অবহেলিতদের এনে রাজনীতির ধারাবাহিকতার মধ্যে নতুনত্ব আনতে চেয়েছেন। যেহেতু অধিকাংশই তাঁদের প্রথমবার মন্ত্রীত্ব পেয়েছেন, তাঁরা যেমন শেখ হাসিনার প্রতি অনুগত থাকবে, তেমনি সরকার পরচিালনায় শেখ হাসিনাকে অনেক বেশী সহযোগিতা করবেন। দুর্নীতি করতে ভয় পাবেন। পরিবার এবং আত্মীয় কাউকে মন্ত্রীসভায় ঠাঁই না দিয়ে তিনি তাঁর পরিবারের ভাবমূর্তি উদ্ধারেরও সুযোগ নিয়েছেন।
তবে, তাঁর উপদেষ্টাদের আগের মত বহাল রেখে, বার্তা দিলেন রাজনীতি, অর্থনীতি এবং প্রশাসনিক নীতি খুব একটি পরিবর্তন আনবেন বলে মনে হয় না। শুধু আওয়ামী লীগের তরুণ নেতাদের এনে তিনি তাঁর রাজনৈতিক উত্তারাধিকার তাঁর পুত্রের জন্য একটি দক্ষ নেতৃত্ব প্রস্তুত রেখেছেন কিনা, তা এখনও বলা যায় না। তাঁর রাজনৈতিক উত্তারাধিকার শেখ রেহানা না জয় তাও এই মন্ত্রীসভার মাধ্যমে ধোঁয়াশা সৃষ্টি করেছেন।
তবে, রাজনীতিবিদ করপোরেট হাউজের প্রতিনিধি, তরুণ এবং শুধু আওয়ামী লীগের মন্ত্রী সভার মধ্য দিয়ে তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির একটি ছক দেশবাসীর কাছে হাজির করছেন। সেটা হলো, ক্ষমতার প্রশ্নে যাদের সাথে তিনি শেয়ার করুন না কেন, চূড়ান্ত লক্ষ্যে আওয়ামী লীগই শেষ কথা। প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনের দায়-দায়িত্ব যেমন শেখ হাসিনার, তেমনি দেশ ও জাতির সামনে সরকারের কৃতিত্ব ও ব্যর্থতার দায়-দায়িত্ব তিনি নিজের হাতে তুলে নিয়েছেন। এটি সাহসী এবং চ্যালেঞ্জিং। বাকীদের সমালোচনা ওবং বিরোধিতার রাস্তা বন্ধ করে নতুন ভাবে আওয়ামী লীগকে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করার জন্য তিনি যাত্রা শুরু করেছেন। নিজ দলে এবং জোট নামক বোঝা বা আগাছাকে ছেঁটে ফেলেছেন। না-কি তাঁর মিত্র দলসমূহকে নিজেদের পায়ে দাঁড়াবার সুযোগ করে দিয়েছেন? সময় তা বলে দিবে। তবে, এই যাত্রায় তিনি ভিন্ন দল ভিন্ন মত কাউকে সাথে নিতে রাজি নন।
সুতরাং শেখ হাসিনাকে রাজনীতিতে চ্যালেঞ্জ জানাতে হলে, ক্ষমতার প্রতিদ্বন্দ্বী হতে হলে পুরানা চিন্তা পুরানা পদ্ধতি এবং পুরানা রাজনৈতিক দল দিয়ে আর সম্ভব নয়। নতুন প্রজন্মকে সম্পৃৃক্ত করে তাঁদের চাহিদার আলোকে তাঁদের মত করে বাসযোগ্য একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে নতুন রাজনীতি শুরু করতে হবে। গণতান্ত্রিক রাজনীতির বিকাশের লক্ষ্যে আমাদের রাজনৈতিক চিন্তায়, আচরণে, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সংস্কৃতিক কর্মসূচীতে গুণগত পরিবর্তনের লক্ষ্যে জনগণের সাথে ব্যাপক মতবিনিময়ের আলোকে সংগঠিত করার প্রচেষ্টা চালাতে হবে। যার ভিত্তি হবে আমাদের ভাষা আন্দোলন, উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, মুক্তিযুদ্ধ এবং সুলতানী আমলের ঐতিহাসিক চেতনা। লক্ষ্য থাকবে, এই দেশকে এই জাতিকে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জাতি হিসেবে গড়ে তোালার স্বপ্ন এবং সেই আলোকে তরুণ প্রজন্মকে সংগঠিত করতে হবে। যার প্রধান লক্ষ থাকবে, একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ।

লেখক : রাজনীতি বিশ্লেষক ও কলামিস্ট।

Share