মুনির হেলাল

বাংলাদেশের প্রথম নাট্যপত্রিকা ‘থিয়েটার’ এর প্রথম প্রকাশ ১৯৭২ এর নভেম্বর। সেই সূত্রে ‘থিয়েটার’ নামের এই পত্রিকাটি বাংলাদেশের নবনাট্যচর্চার প্রায় সম-বয়সী। ‘থিয়েটার’ পত্রিকার সম্পাদক শ্রী রামেন্দু মজুমদারের হাত ধরে এর গোড়াপত্তন। তিনি এবং তাঁর সতীর্থরা এটা স্পষ্ট করে বুঝেছিলেন, একটি নিয়মিত পত্রিকা ছাড়া নাট্যচর্চাকে গতিশীল করা কোনভাবেই সম্ভব নয়। এই উপলব্ধিকে তিনি সত্যিকার অর্থে লালন করেছেন এবং আজও করে চলেছেন। এই সুযোগে তাঁকে ধন্যবাদটি জানিয়ে রাখা অতীব জরুরি বলেই আমি বিশ্বাস করি। সেই সঙ্গে এটাও বলে রাখা প্রয়োজন যে, ‘থিয়েটার’ এর পরে আরো ক’টি নাট্যপত্রিকা ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়েছিল, সেগুলো টেকেনি-বন্ধ হয়ে গেছে।
এটা অনস্বীকার্য যে, নিয়মিত নাট্য পত্রিকার প্রকাশ নাট্যসাহিত্য বিকাশের একটি পরম আরাধ্য মাধ্যম। একগুচ্ছ নাট্যপত্রিকা ছাড়া দেশে কিংবা নগরে নাট্যচর্চা বিকশিত হবে, পরিণতি অর্জন করবে, এটা ভাবাই যায় না। কারণ, নাট্যচর্চার অন্যতম উপাদান তো নাটক এবং সেটি রচিত হলেই অভিনীত হবে আর অভিনয় হলেই তার আলোচনা-সমালোচনা ইত্যাদি হবে। যে কোন লেখক চান তাঁর রচনা প্রকাশিত ও প্রচারিত হোক, কিন্তু নিয়মিত প্রকাশনার অনুপস্থিতিতে সেটা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে নাটক রচনার কাজটি একেবারেই এগুচ্ছে না। আমার স্পষ্ট মনে আছে, চট্টগ্রামের প্রথিতযশা কবি, গদ্যকারদের নানা ভাবে নাটক লিখতে উৎসাহিত করবার চেষ্টা করেছিলাম, তাঁদের কেউ কেউ লিখেও ছিলেন। এই প্রয়াসটি দীর্ঘায়িত হয়নি, শুধুমাত্র প্রকাশনার দৈন্যতায়। প্রসঙ্গত, প্রণিধানযোগ্য যে, কবি আবুল মোমেন, রবিউল আলম, কবি ইফতেখার সাদিক, কবি অভিক ওসমান, শিশির দত্ত এবং সাংবাদিক মোহাম্মদ ইদ্রিস প্রমুখ-এর নাম এ প্রসঙ্গে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
আজকাল আমরা প্রায়শ দৈনিক পত্রিকাগুলোর দিকে তাকিয়ে থাকি এবং আশা করি, তারা নাট্যচর্চা নিয়ে লিখবে, আলোচনা-সমালোচনা করবে, কিন্তু এটা হয়নি, হবে না। কারণ দৈনিক পত্রিকার যে উদ্দেশ্য তাতে এ ধরনের কোন মৌলিক কাজ করা তাঁদের পক্ষে সম্ভব নয়। তাঁরা শুধু একটা সংবাদ প্রকাশ করতে পারে মাত্র, এর বেশি কিছু নয়। এটা তাঁদের কাজ কিংবা দায়িত্ব কোনটাই নয়। পৃথিবীর কোথাও এ ধরনের পত্রিকার উপর ভর করে অন্তত নাট্যসাহিত্য প্রসারিত হয়েছে, এমন নজির নেই। এছাড়াও, স্বাধীনতা উত্তরকালে আমরা জাতীয়ভাবে বেশ কিছু সাপ্তাহিক পত্রিকার নিয়মিত প্রকাশনা পেয়েছিলাম, অনেকদিন চলেও ছিল। তারা নাটকচর্চাকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখতে সচেষ্ট ছিল। কিন্তু মুদ্রাবাজার অর্থনীতির দৌরাত্ম্যে সেগুলো একেবারে হারিয়েই গেছে। এখন মাঝে মাঝে কিছু সৌখিন ফ্যাশন ম্যাগাজিন প্রকাশিত হতে দেখি, তাও একেবারে হাতে গোণা এবং উদ্দেশ্যও একেবারে ব্যবসায়িক। সুতরাং এটা শতভাগ প্রতিষ্ঠিত সত্য যে, নিয়মিত নাট্যপত্রিকা ছাড়া নাট্যসাহিত্য-নাট্যচর্চা কোন ভাবে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। চট্টগ্রামের নাট্যচর্চাই এর অন্যতম উদাহরণ।
অনুবাদ, রূপান্তর, নাট্যরূপ মিলিয়ে এক সমৃদ্ধ নাট্যভা-ার গড়ে তুলেছেন চট্টগ্রামের নাট্যকর্মীরা। মুক্তিযুদ্ধসহ সমকালীন আর্থ-সামাজিক-রাজনীতি যেমন উঠে এসেছে এসব নাটকের বিষয় ও বক্তব্যে তেমনি উঠে এসেছে এ-জনপদের মানুষের যাপিত-জীবন ও সৃজন-চিন্তনের স্বরূপ। জাতীয় জীবনের প্রতিটি সংকট ও বাঁকপরিক্রমাকে চট্টগ্রামের নাট্যকর্মীরা মঞ্চে তুলে এনেছেন নিজস্ব বিবেচনা ও দৃষ্টিতে।
চট্টগ্রামের সৃজন দ্বন্দ্বমুখর, বিস্তৃত ও বৈচিত্র্যপূর্ণ নাট্যচর্চার বিশ্লেষণ, নাট্যকর্মীদের চিন্তার বিনিময় সংবাদ আদান-প্রদান, সৃষ্টি ও সমীক্ষার বিস্তারিত প্রতিবেদন উঠে এসেছে অনিয়মিত ভাবে প্রকাশিত বিভিন্ন নাট্য-প্রকাশনায়। চট্টগ্রাম থেকে বর্তমানে প্রকাশিত নাট্যপত্রিকাগুলো নাট্যরচনা ও সমালোচনা উভয় ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, এগুলো নিয়মিতভাবে প্রকাশিত হতে পারছে না। ফলে, চট্টগ্রামের মেধাবী ও সৃজনশীল নাট্যকর্মীরা তাঁদের কালের কর্ম আকাক্সক্ষাগুলোকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হচ্ছে। হারিয়ে যাচ্ছে প্রচুর সম্ভাবনাময় সৃষ্টি।
চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত প্রথম নাট্যপত্রিকা ‘তির্যক’। দেশের দ্বিতীয় নাট্যপত্রিকাও এটি, সম্পাদক রবিউল আলম। প্রথম সংখ্যার প্রকাশকাল মে, ১৯৭৬। নভেম্বর, ১৯৭৯ পর্যন্ত মাত্র সাড়ে ৩ বছরের মধ্যে পত্রিকাটির মোট ৯টি সংখ্যা (৩টি যুগ্মসংখ্যা) প্রকাশিত হয়। পত্রিকাটি মৌলিক নাটক প্রকাশের ক্ষেত্রে ঈর্ষণীয় ভূমিকা পালন করেছে। ’তিযর্ক’ নাট্যপত্রিকার ৯টি সংখ্যায় প্রকাশিত মোট নাটকের সংখ্যা ৩০টি। পত্রিকাটির প্রথম সংখ্যার সম্পাদকীয়তে রবিউল আলম লিখছেন, ‘ গত চার বছরে এদেশে নাটকের যে বিস্তৃতি ও বিকাশ ঘটেছে একমাত্র কবিতা ছাড়া বোধ করি শিল্পের অন্য কোন শাখায় তেমন সযতœ নিষ্ঠাবান পরিচর্যা হয়নি। স্বাধীনতা উত্তর চলচ্চিত্রের শিল্পমান নিম্নপ্রবাহী হয়ে যখন শূন্যের কোঠায় এসে পৌঁছেছে তখন নাটক বিস্ময়করভাবে চলচ্চিত্রের বিপরীত পথপরিক্রমণে যতœবান। এই মুহূর্তে সকল শ্রেণীর দর্শকের কাছে সমান সমাদৃত না হলেও নাটক বস্তাপঁচা ছবির পাশাপাশি কিছু সংখ্যক সচেতন দর্শকের রুচি ও মানসিক পরিচ্ছন্নতার ভারসাম্য রক্ষা করে চলেছে। নাটকের আঙ্গিকে এসেছে আধুনিকতা, উপস্থাপনায় নতুনত্ব ও বাহুল্য বর্জন, সংলাপে বলিষ্ঠতা এবং বক্তব্যে স্পষ্টবাদিতা। এটি শুভলক্ষণ। গত চার বছরে অনেক নাটক লিখা হয়েছে, মঞ্চস্থ হয়েছে এবং সেগুলি দর্শকের অকুণ্ঠ প্রশংসাও কুড়িয়েছে। কিন্তু সে সবের অধিকাংশই হারিয়ে গেছে কালের গর্ভে। এটি অশুভলক্ষণ। চট্টগ্রাম থেকে একটি নাট্যপত্রিকা প্রকাশের উদ্যোগ এ কারণেইÑযদি একটি নাটকও পত্রস্থ করা যায় একটি নাটক তো অন্তত সংরক্ষিত হলো। পত্রিকাটির প্রকাশক তির্যক হলেও এটি শুধুমাত্র তির্যক নাট্য গোষ্ঠীর মুখপত্র নয়।’
কবি আবসার হাবীব অরিন্দমের সক্রিয় কর্মী। দলে নিয়মিত কাজ করছেন। অরিন্দমের লেখালেখিগুলো নিয়মিত করতেন। তাঁকে ঘিরেই ১৯৭৭ সালের ডিসেম্বরে প্রথম আত্মপ্রকাশ করলো ‘অরিন্দম’ নাট্য পত্রিকা, আবসারই সম্পাদক। তবে কবি স্বপন দত্ত এবং শিশির দত্তের অবদানও প্রণিধানযোগ্য। পত্রিকাটির প্রচ্ছদ এঁকে দিয়েছিলেন শিল্পী এনায়েত হোসেন। ‘অরিন্দম’ পত্রিকার দ্বিতীয় সংখ্যা প্রকাশিত হয় ১৯৯৭ সালের মার্চ মাসে এবং এটাই শেষ। প্রথম সংখ্যা এবং দ্বিতীয় সংখ্যার মধ্যে কুড়ি বছরের ব্যবধান, ঘটনাটি সহজেই বোধগম্য।
গণায়ন নাট্য সম্প্রদায় আগস্ট, ১৯৭৮ সালে মনোতোষ ধর মনুর স¤পাদনায় প্রকাশ করে নাটকের কাগজ ’গণায়ন’। এপ্রিল, ১৯৮২ সালে ম.সাইফুল আলম চৌধুরীর সম্পাদনায় ৪র্থ সংখ্যা প্রকাশিত হওয়ার পর পত্রিকাটি বন্ধ হয়ে যায়। নাট্যবিষয়ক নিবন্ধ প্রকাশেই তাদের আগ্রহ ছিলো বেশি।
অক্টোবর, ১৯৮১ সালে শাহ আলম নিপুর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় ‘মঞ্চ’। ‘মঞ্চ’ প্রকাশিত হয়েছে মোট ৬ সংখ্যা। থিয়েটার ৭৩-এর দলীয় মুখপত্র হলেও পত্রিকাটি চট্টগ্রামের নাট্যচর্চার সংবাদ, বিশেষণধর্মী নিবন্ধসহ মৌলিক নাটক প্রকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
মার্চ ১৯৮৩ সমকালের তরুণ, নট ও নাট্যকার শান্তনু বিশ্বাসের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় ‘প্রসেনিয়াম’। পত্রিকাটির প্রধান প্রবণতা ছিল বিশ্বনাট্য ও নাট্যভাবনার সঙ্গে নাট্যকর্মীদের পরিচয় করিয়ে দিয়ে তাদের বোধের জগতকে সমৃদ্ধ করা। এ লক্ষ্যে ‘প্রসেনিয়াম’-এর প্রতি সংখ্যায় মৌলিক নাটক ও প্রবন্ধের পাশাপাশি প্রকাশিত হয়েছে একাধিক বিদেশি নাটক ও প্রবন্ধের অনুবাদ। জুন, ১৯৮৮ ৬ষ্ঠ সংখ্যা প্রকাশের পর ‘প্রসেনিয়াম’-এর যবনিকা পড়ে।
৯০-এর দশকের প্রারম্ভেই প্রকাশিত হয় চট্টগ্রামের নাট্যকর্মীদের দ্রোহী চৈতন্যের নাট্যমুখপাত্র ‘থিয়েটার ফ্রন্ট’। দল বা ব্যক্তির পরিচয় বাদ দিয়ে ‘সম্পাদনা পরিষদ’ কর্তৃক সম্পাদিত হয়েছে পত্রিকাটি। সম্পাদকীয় স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি, লেখকদের রাজনৈতিক সচেতনতা, এবং সুনির্দিষ্ট চারিত্র্য বৈশিষ্ট্যের কারণে পত্রিকাটি চট্টগ্রাম ও ঢাকার নাট্যকর্মীদের চেতনার জগতে প্রচ- আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। ফেব্রুয়ারি, ১৯৯০ থেকে ডিসেম্বর, ১৯৯৩ পর্যন্ত প্রায় চার বছরের জীবনকালে ‘থিয়েটার ফ্রন্ট’-এর ৭টি সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছে। ‘থিয়েটার ফ্রন্ট’-এর প্রকাশনা বন্ধের পর দীর্ঘকাল চট্টগ্রামে নাট্যপত্রিকা প্রকাশনায় শূন্যতা বিরাজ করছিল। এ শূন্যতা পূরণে জুলাই, ১৯৯৯ সালে প্রকাশিত হয় ‘নাটক কথা’ (সম্পা. ইউসুফ ইকবাল)। রাজধানীর বাইরের নাট্যচিন্তা ও নাট্যক্রিয়ার সংবাদভিত্তিক পত্রিকা হিসেবে পরিচিত হলেও ‘নাটক কথা’ নাট্যাঙ্গনে এনজিওর অনুপ্রবেশ ও তাদের নাট্যান্দোলন বিরোধী সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার বিরুদ্ধে ছিল প্রতিবাদমুখর। এ সময়ে নাট্যকর্মীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল ‘মঞ্চসন্ত’ (সম্পা. তিলক বড়ুয়া রুবেল) ও ‘ত্রৈমাসিক শহীদনগর’ (সম্পা. জাহেদুল আলম)।
একুশ শতকের প্রারম্ভেই চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত হয় নাট্যপত্রিকা ‘ফ্রন্টলাইন থিয়েটার’। অভিজিৎ সেনগুপ্তের সম্পাদনায় নভেম্বর, ২০০০ থেকে এপ্রিল, ২০০৫ পর্যন্ত পত্রিকাটির ৭টি সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছে। ২০১৪ সালের নভেম্বরে প্রকাশিত হয়েছে ‘নাট্যমঞ্চ’ সম্পাদক জাহেদুল আলম। এ ছাড়াও চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত হয়েছে ‘নাট্যালাপ’।
নাট্যপত্রিকার প্রকাশনা প্রসঙ্গটি শেষ করার পূর্বে বেশ ক’টি নাম স্মরণ করা বিশেষ প্রয়োজন মনে করছি, নাম গুলো যথাক্রমে; এনায়েত হোসেন, হাসি চক্রবর্তী, খালিদ আহসান, পীযুষ দস্তিদার, কাজী মামুনর রশীদ এবং তাসাদ্দুক হোসেন দুলু প্রমুখ, যারা অত্যন্ত নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে পত্রিকাগুলোর প্রচ্ছদ এঁকেছিলেন।
নাট্যরচনা প্রয়োগ-পরিকল্পনা আর চর্চার ধরন মিলিয়ে চট্টগ্রামে গত চার দশকে যে নাট্যবিকাশ তার দিকে তাকালে নির্দ্বিধায় বলা যায়Ñস্বকীয় বৈশিষ্ট্য নিয়ে স্বতন্ত্র ধারায় গড়ে উঠেছে এখানকার নাট্যাঙ্গন। রাজধানী থেকে বহু দূরে শহর চট্টগ্রামের অবস্থান। এ স্থানিক দূরত্ব চট্টগ্রামের নাট্যাঙ্গনকে বঞ্চিত করেছে রাজধানীর অনেক সুলভ সুযোগ থেকে। আবার এ দীর্ঘ স্থানিক দূরত্বই চট্টগ্রামের থিয়েটারকে দান করেছে নিজস্বতা ও গতিময়তা। রাজধানীর উচ্চকিত প্রচ-তা, লোভ-মোহ আর উত্তাপের বাইরে নিজস্ব এক মেজাজ নিয়ে নীরব তপস্যার মতো চলে চট্টগ্রামে থিয়েটারচর্চা। এখানে প্রচারের প্রবল আতিশয্য নেই, নেই ইলেকট্রনিক মিডিয়ার দৌরাত্ম্য। ফলত, চট্টগ্রামের নাট্যকর্মীরা অনেকটা মোহমুক্ত, সুস্থির ও পরিপূর্ণ মঞ্চমুখী। নির্মোহ মানসিকতা আর থিয়েটারের প্রতি অপরিমেয় ভালোবাসায় এখানে প্রতিটি নাট্যকর্মী সমর্পিত হয় নাট্যচর্চায়।
তবে, গত চার দশকেরও অধিক সময় ধরে পরম নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে প্রবাহিত যে স্রোতধারা তাকে সত্যিকার গতিময়তা দেওয়ার জন্য একগুচ্ছ/একাধিক নাট্য বিষয়ক পত্রিকা নিয়মিত প্রকাশিত হওয়া ভীষণ জরুরী। অন্যথায় চট্টগ্রামের সৃষ্টিশীলতা, বৈচিত্র্যতা, দ্রোহী চৈতন্যের বিশিষ্টতা সবই হারিয়ে যাবে কালের যাত্রায়।
তথ্য সূত্র: ইউসুফ ইকবালÑথিয়েটার- (৪৩তম বর্ষ। ১ম সংখ্যা)। কবি আবসার হাবীবÑলিটল ম্যাগাজিন উৎসব স্মারক । রবিউল আলম-তির্যক নাট্যপত্রিকা, ১ম বর্ষ-প্রথম সংখ্যা।