জিগারুল ইসলাম জিগার , রাঙ্গুনিয়া

নবগঠিত সরকারের তথ্যমন্ত্রী খ্যাতিমান পরিবেশবিদ হিসেবে সুপরিচিত ড. হাছান মাহমুদ এমপি আজ সকালে চট্টগ্রাম আসছেন। সরকারের মন্ত্রী পরিষদে এবার তিনি সম্পূর্ণ নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করতে যাচ্ছেন। চট্টগ্রাম থেকে এর আগে কেউ তথ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেননি। তিনিই প্রথম চট্টগ্রাম থেকে সরকারের তথ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। নতুন মন্ত্রী পরিষদের শপথ নেয়ার পর তিনি আজ মঙ্গলবার সকালে বিমানযোগে প্রথম চট্টগ্রাম আসার খবরে তাকে ফুলেল সংবর্ধনা জানাতে দলের নেতাকর্মীরা প্রস্তুতি নিলেও তিনি সংবর্ধনার আয়োজন করতে বারণ করেছেন। বিমান বন্দরে সংবর্ধনার কারণে সাধারণ মানুষকে যাতে দুর্ভোগে পড়তে না হয় সেজন্য তিনি কোন সংবর্ধনা নিচ্ছেন না। তবে আজ বিকেলে তিনি নির্বাচনী এলাকা রাঙ্গুনিয়ার বিভিন্ন ইউনিয়নে গিয়ে নেতাকর্মীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে চট্টগ্রাম থেকে তিনিই প্রথম তথ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেয়ায় চট্টগ্রামের গণমাধ্যমকর্মীসহ সংবাদপত্রসেবীদের মাঝে বাড়তি আগ্রহ পরিলক্ষিত হচ্ছে। গতকাল সোমবার তিনি ঢাকার এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। নবম ওয়েজবোর্ড দ্রুত বাস্তবায়নে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানান। এছাড়া আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুসারে সাংবাদিকদের জন্য আবাসনেরও ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
তথ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা এমরুল করিম রাশেদ জানান, সকাল ৯টা ২০ মিনিটের রিজেন্ট এয়ারের একটি ফ্লাইটে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে নামবেন মন্ত্রী। এরপর তিনি চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় এবং চট্টগ্রাম উত্তর, দক্ষিণ ও মহানগর আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে মতবিনিময় করবেন। সার্কিট হাউজ থেকে তথ্যমন্ত্রী হযরত আমানত শাহ (রা.) এর মাজার জেয়ারত করবেন। এরপর নিজের নির্বাচনী এলাকা রাঙ্গুনিয়া যাবেন। সেখানে বিভিন্ন ইউনিয়নে সর্বস্তরের রাঙ্গুনিয়াবাসীর সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। সন্ধ্যায় রাঙ্গুনিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় করে রাঙ্গুনিয়ার গ্রামের বাড়ি পদুয়া ইউনিয়নের সুখবিলাসে বাবা-মা’র কবর জেয়ারত করবেন তথ্যমন্ত্রী। রাতে তিনি রাঙ্গুনিয়ার রাহাতিয়া দরবারের ‘ওরশে নঈমী’ মাহফিলে অংশগ্রহণ করবেন বলে তথ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা এমরুল করিম রাশেদ নিশ্চিত করেছেন।
১৯৬৩ সালের ৫ জুন চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের “সুখবিলাস” গ্রামে জন্ম নেয়া ড. হাছান মাহমুদ অনেক বাধা-বিপত্তি মোকাবেলা করে আজকের অবস্থানে উঠে এসেছেন। সপ্তদশ শতাব্দিতে চাকমা রাজা সুখদেব রায়ের রাজধানী ছিল হাছান মাহমুদের জন্মস্থান রাঙ্গুনিয়ার সমৃদ্ধশালী গ্রাম সুখবিলাস। ১৭৫৭ সালে রাজা শেরমুস্ত খাঁ’র মৃত্যুর পর সুখদেব রায় রাজা হন। তিনি সেরমুস্ত খাঁর পোষ্য পুত্র ছিলেন। অতঃপর রাজা সুখদেব রায় আগের রাজধানী আলীকদম ত্যাগ করে চাকমা অধ্যুষিত রাঙ্গুনিয়ার পদুয়ায় শিলক নদীর তীরে প্রাসাদ নির্মাণ করেন এবং ‘সুখবিলাস’ নাম দিয়ে রাজধানী প্রতিষ্ঠা করেন। তার রাণীর নাম ছিল ছেলেমা। রাণীর নামানুসারে রাজপ্রাসাদের পশ্চিমাংশে একটি পুকুরের নামকরণ করা হয় ছেলেমা পুকুর। নিঃসন্তান শুকদেবের মৃত্যুর পর ১৭৭৬ সালে শের দৌলত খাঁ রাজ্যভার গ্রহণ করেন। ইতিহাস সমৃদ্ধ দুই’শ বছরের পুরনো এই গ্রামেই বেড়ে উঠা ড. হাছান মাহমুদের। চট্টগ্রামের খ্যাতিমান আইনজীবী প্রয়াত নুরুচ্ছফা তালুকদারের জ্যেষ্ঠ সন্তান ড. হাছান মাহমুদ। তার বাবা চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির সভাপতি এবং দুই মেয়াদে চট্টগ্রাম আদালতের পিপি ছিলেন। স্কুল জীবনেই বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত হওয়া তৃণমূলের এই নেতা সফল নেতৃত্বের মাধ্যমে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে তথা দেশ এবং বিদেশেও রাজনৈতিক কর্মকা-ে প্রশংসিত হচ্ছেন। সরকারের বিগত দুই মেয়াদে পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবেলায় কাজ করে আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত ড. হাছান মাহমুদ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে খ-কালীন শিক্ষকতাও করছেন পরিবেশ বিজ্ঞান বিষয়ে।
ড. হাছান মাহমুদের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা জানান, ছাত্র জীবনে তিনি প্রথমে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে ১৯৭৭ সালে চট্টগ্রাম শহরের জামালখান ওয়ার্ড ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। চট্টগ্রাম মুসলিম হাইস্কুল থেকে ১৯৭৮ সালে এসএসসি পাস করে তৎকালীন ইন্টারমিডিয়েট কলেজে (বর্তমানে হাজী মোহাম্মদ মহসীন কলেজ) ভর্তি হয়ে ওতপ্রোতভাবে ছাত্ররাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। নির্বাচিত হন কলেজ ছাত্রলীগের সেক্রেটারি। এরপর ইন্টারমিডিয়েট কলেজ এবং ইসলামিক ইন্টারমিডিয়েট কলেজ একীভূত হয়ে মহসীন কলেজ হলে সেই কলেজে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হন। একই সময়ে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৮০ সালে মহসীন কলেজ থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে এইচএসসি পাস করে ভর্তি হন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৮৬ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র লীগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৮৭ সালে সামরিক শাসক এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের সময়ে তিনি গ্রেফতার হন। পরে ১৯৮৮ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন তুখোর বক্তা হাছান মাহমুদ। তাঁর সুদক্ষ নেতৃত্বের মাধ্যমে নব্বই দশকের শুরুতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের নির্বাচনে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য বিপুল বিজয় লাভ করেন। সেই নির্বাচনের সময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করে বেরিয়ে যাওয়ার কারণে নির্বাচনে প্রার্থী হতে না পারলেও তিনিই ছিলেন সেই নির্বাচনে সমস্ত প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান। এসময় চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন মেধাবী এই নেতা। ১৯৯২ সালের শুরুর দিকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শাখার সর্বকনিষ্ঠ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব নেন হাছান মাহমুদ। উত্তাল ছাত্ররাজনীতির পাঠ চুকিয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের জন্য ১৯৯২ সালেই বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে যান মেধাবী এই রাজনীতিক। সেখানে ভর্তি হন বিশ্বের অন্যতম সেরা বিদ্যাপীঠ ভ্রিজে ইউনিভার্সিটি ব্রাসেলসে। শিক্ষাজীবনে ১৯৮৭ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নে ¯œাতক পাস করা এই রাজনীতিক দেশে বিদেশে মোট তিন বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি ও পরিবেশ রসায়নে পিএইচডি ইন সায়েন্স ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮৯ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইনঅর্গানিক কেমিস্ট্রি (রসায়ন) বিষয়ে প্রথম মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করা হাছান মাহমুদ ১৯৯৬ সালে বেলজিয়ামের ব্রিজে ইউনিভার্সিটি অব ব্র্যাসেলস থেকে হিউম্যান ইকোলজি (পরিবেশ বিজ্ঞান) বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর থিসিস ছিল কন্ট্রিবিউশন অফ হিউম্যান এক্সক্রেটা টু সারফেইস ওয়াটার পলিওশন। একই সালে বেলজিয়ামের আরেক নামকরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইউনিভার্সিটি অব লিবহা দু ব্রাসেলস থেকে ইন্টারন্যাশনাল পলিটিক্স বিষয়ে মাষ্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। ২০০১ সালে বেলজিয়ামের লিম্বুর্গ ইউনিভার্সিটি সেন্ট্রাম থেকে পরিবেশ রসায়ন বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন দেশের বর্তমান সময়ের মেধাবী রাজনীতিক ড. হাছান মাহমুদ। ১৯৯৩ সালে ব্রিজে ইউনিভার্সিটির দক্ষিণ এশিয়া ভিত্তিক স্টুডেন্ট ফোরামের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনায় আসেন হাছান মাহমুদ। পাশাপশি বেলজিয়াম আ.লীগকে সংগঠিত করার উদ্যোগ নেন। নির্বাচিত হন বেলজিয়াম আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক। এসময় ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ আন্তর্জাতিক রাজনীতির সঙ্গে তার সুসম্পর্ক গড়ে উঠে।
চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ও রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার মেয়র শাহজাহান সিকদার বলেন, ড. হাছান মাহমুদ ওয়ান-ইলেভেন পরবর্তী জরুরি অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়ে পরিচিতি পান। আ.লীগের বাঘা বাঘা অনেক নেতা যখন আত্মগোপনে, অথবা সংস্কারপন্থীর ভূমিকায় তখন তিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নেত্রীর পক্ষে গণমাধ্যমে সরব ভূমিকা পালন করেন। ২০০৮ সালে যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে বিপুল ভোটে হারিয়ে প্রথমবার সাংসদ নির্বাচিত হন হাছান মাহমুদ। এরপর প্রথমে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এবং পরে পরিবেশ ও বন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়া ড. হাছান মাহমুদকে পরবর্তীতে পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়।
রাঙ্গুনিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শামসুল আলম তালুকদার জানান, পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবেলায় কাজ করে আন্তর্জাতিক পরিম-লে প্রশংসিত ড. হাছান মাহমুদ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে খ-কালীন শিক্ষকতাও করছেন পরিবেশ বিজ্ঞান বিষয়ে। এর আগে পরিবেশ বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ স্টাডিস বিষয়ে ইস্ট-ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি এবং নর্থ-সাউথ ইউনিভার্সিটিতে খ-কালীন শিক্ষকতা করেন তিনি। ইউরোপীয়ান ইনস্টিটিউট ফর স্ট্রেটেজিক স্টাডিস, ব্রাসেলস, বেলজিয়ামে ভিজিটিং ফেলো এবং একাডেমিক বোর্ড মেম্বার হিসেবে কিছুদিন কাজ করেন বরেণ্য এই শিক্ষাবিদ। রাজনীতি ও সামাজিক জীবনে অনেক বাধা-বিপত্তি মোকাবেলা করে আজকের অবস্থানে উঠে এসেছেন তিনি। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের রাজনৈতিক জীবনে তিনি বারবার মৌলবাদী অপশক্তি ও স্বাধীনতা বিরোধীদের হাতে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এমনকি কয়েকবার তার প্রাণনাশেরও চেষ্টা চালিয়েছিল মৌলবাদি গোষ্ঠী ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা। ২১ আগস্টের ভয়াবহ গ্রেনেড হামলায় তিনি মারাত্মকভাবে আহত হন। এখনো ৪০টির মতো স্পিøন্টার তার শরীরে সে হামলার দুঃসহ স্মৃতি বহন করে চলছে। কিন্তু কোন রক্তচক্ষুু হাছান মাহমুদকে তার সংগ্রামের পথ থেকে পিছু হটাতে পারেনি। ড. হাছান মাহমুদের মতো রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও মেধার এমন সমন্বয় বর্তমান সময়ে খুব কম সংখ্যক রাজনীতিবিদের মধ্যেই দেখা যায়।
দেশে এবং আন্তর্জাতিক পরিম-লে একজন খ্যাতিমান পরিবেশবিদ হিসেবে সুপরিচিত ড. হাছান মাহমুদকে ২০১৫ সালের ৫ অক্টোবর, “গ্রিন ক্রস ইন্টারন্যাশনাল” তাদের সাধারণ অধিবেশনে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে তাঁর শক্ত ও জোরালো ভূমিকার জন্য “সার্টিফিকেট অব অনারেবল মেনশনে” ভূষিত করেন। (এটি গ্রিন স্টার পুরস্কারেরই একটি অংশ)।

Share
  • 10
    Shares