নিজস্ব সংবাদদাতা, চবি

‘কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারলে প্রতিবন্ধীরা কোন বোঝা নয়’ বলে মন্তব্য করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী। গতকাল সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরিতে এক্সেসসিবল ই-লার্নিং সেন্টার উদ্বোধন কালে তিনি এ কথা বলেন। এসময় তিনি আরো বলেন, সরকারের ডিজিটাল নীতির আওতায় ইতিবাচকভাবে বদলে গেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। বাংলাদেশের প্রথম ইনক্লুসিভ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তুলতে যে কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে তার মধ্যে এক্সেসিবল ই-লার্নিং সেন্টার অন্যতম। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ১১০ জন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের পঠন-পাঠনের উপযোগী করে আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তি সমৃদ্ধ এই ই-লার্নিং সেন্টারটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। শুধু তাই নয় শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম, লাইব্রেরিসহ বিভিন্ন শাখা এখন ডিজিটাল। বিশ^বিদ্যালয়ে সকল কার্যক্রম অনলাইনে সম্পাদনের প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। ইপসা’র প্রধান নির্বাহী মো. আরিফুর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়’র উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার। এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সরকারের অতিরিক্ত সচিব এবং এটুআই প্রকল্প পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান এবং এ কে খান ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টি সেক্রেটারি সালাউদ্দিন কাশেম খান। এতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন এটুআই প্রোগ্রামের ন্যাশনাল কনসালটেন্ট ভাস্কর ভট্টাচার্য। অনুষ্ঠানে দেশের উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন চবি কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব হাফেজ আবু দাউদ মুহাম্মদ মামুন। প্রসঙ্গত, চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয় ই-লার্নিং সেন্টারে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য সকল ধরনের উপযোগী সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার, এক্সেসসিবল ডিকশনারি, দুই শতাধিক ডিজিটাল টকিং বুক, তিনশ’ ই- বুক, ৫০টিরও বেশি ব্রেইল বই এবং ১০০ জন শিক্ষার্থীদের জন্য ধারাবাহিকভাবে আইসিটি প্রশিক্ষণের কার্যক্রমের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতে কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেছে এটুআই, এ কে খান ফাউন্ডেশন এবং ইপসা।

Share