নীড়পাতা » শেষের পাতা » সরকারি হোল্ডিংয়ের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের অনুরোধ মেয়রের

স্থানীয় সরকার মন্ত্রীকে উপানুষ্ঠানিক পত্র

সরকারি হোল্ডিংয়ের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের অনুরোধ মেয়রের

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মন্ত্রী খন্দকার মোশারফ হোসেন এমপি’র নিকট চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ আ জ ম নাছির উদ্দীন গত ৯ মে উপানুষ্ঠানিক পত্র প্রেরণ করেন। পত্রে মেয়র বলেন, ‘আপনি অবগত আছেন যে, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আয়ের মূল উৎস গৃহকর ও রেইট। বিগত ২০১৫ ইং সনে জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী সিটি কর্পোরেশনে নিয়োজিত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের বাৎসরিক বেতনÑভাতা বাবদ ব্যয় হয় প্রায় ২২০ কোটি টাকা। কিন্তু ২০১১-১২ অর্থ বৎসরে পঞ্চবার্ষিকী এসেসমেন্ট অনুযায়ী গৃহকর ও রেইট-এর দাবি একশ ঊনিশ কোটি ছাব্বিশ লক্ষ চুয়ান্ন হাজার পাঁচশত চৌত্রিশ টাকা, যা বাৎসরিক বেতন-ভাতা বাবদ ব্যয়ের পরিমাণের চেয়ে অনেক কম। এতে সিটি কর্পোরেশন চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে। নগরবাসীকে কাক্সিক্ষত সেবা প্রদান না করা গেলে তা আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিটি কর্পোরেশনস্থ আসনগুলোর ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে। সর্বশেষ ২০১৭-১৮ অর্থ বৎসরের স্থগিতকৃত এসেসমেন্ট এর মধ্যে সরকারি হোল্ডিং-এর সংখ্যা ২,৫৪৮টির (চট্টগ্রাম বন্দরসহ) বিপরীত দাবি দুইশত আশি কোটি ছিয়ানব্বই হাজার আটশত ঊনষাট টাকা। নগরীর আবর্জনা অপসারণ, পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা, সড়ক আলোকায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা প্রদান, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন, খাল খনন ও নালা-নর্দমা সংস্কারপূর্বক জলাবদ্ধতা নিরসন ইত্যাদি বহুমুখী উন্নয়ন কর্মকা-সহ কর্মকর্তা/কর্মচারীদের ব্যয় নির্বাহের জন্য এবং আইনি বাধ্যবাধকতা থাকায় ২০১৭-১৮ অর্থ বৎসরে পঞ্চবার্ষিকী কর
মূল্যায়ন চূড়ান্ত করা হয় যা স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের গত ১০ ডিসেম্বর স্মারক পত্রে স্থগিত করা হয়।
চলতি এসেসমেন্টের আওতায় সরকারি প্রতিষ্ঠান/সংস্থাসমূহে ধার্যকৃত গৃহকর ও রেইটের ওপর আপিলের মাধ্যমে যাচাই-বাছাইপূর্বক গৃহকর ও রেইট নির্ধারণ করে সংশ্লিষ্ট সরকারি ও স্বায়ত্ত্বশাসিত সংস্থা কর্তৃক গৃহকর ও রেইট পরিশোধের ব্যবস্থা করলে সিটি কর্পোরেশন অন্তত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের নিয়মিতভাবে বেতন-ভাতা পরিশোধ ও উন্নয়ন কর্মকা- পরিচালনা করতে সক্ষম হবে। এ ছাড়া সরকারি প্রতিষ্ঠান বিধায় এ সকল প্রতিষ্ঠান হতে গৃহকর ও রেইট আদায় করলে সাধারণ জনমনে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হবার সম্ভাবনা নেই। বর্ণিত প্রেক্ষপটে স্থগিতকৃত এসেসমেন্টের আওতাধীন সরকারি হোল্ডিংসমূহের ওপর হতে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারপূর্বক আপিল নিষ্পত্তির মাধ্যমে গৃহকর ও রেইট আদায়ের অনুমতি প্রদানের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। আপনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।’-বিজ্ঞপ্তি

Share