নীড়পাতা » শেষের পাতা » স্বাক্ষর স্ক্যানে ভুয়া চুক্তির পর মামলা, ধরা পড়ে দুঃখপ্রকাশ

মামলা না করে বিবাদীরও ক্ষমা

স্বাক্ষর স্ক্যানে ভুয়া চুক্তির পর মামলা, ধরা পড়ে দুঃখপ্রকাশ

আদালত প্রতিবেদক

এক ব্যক্তির স্বাক্ষর স্ক্যানের মাধ্যমে স্ট্যাম্পে তুলে ভুয়া চুক্তি তৈরি করার পর চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগে আদালতে মামলা করে ধরা পড়েছেন মামলার বাদি। আদালতের প্রশ্নের মুখে মামলার বাদি জালিয়াতির কথা স্বীকার করেন। সিনিয়র মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলইমরান খানএর আদালতে ঘটনায় প্রকাশ্য ক্ষমা চেয়েছেন মামলার বাদি মো. মোশারফ হোসেন (৪০)
আদালত তাকে বিকেল টা পর্যন্ত আসামির কাটগড়ায় দাঁড় করিয়ে রেখে পরে মুক্তি দিয়েছেন বলে জানান অভিযুক্তপক্ষের আইনজীবী দুদক পিপি এডভোকেট মাহমুদুল হক মাহমুদ। মোশারফ মিরসরাই আবু তোরাব বাজারের হামিদ মুহুরি বাড়ির বাসিন্দা। তিনি বছর ২৩ জানুয়ারি মিরসরাইর জোরারগঞ্জ পশ্চিম সোনাপাহাড় এলাকার শাহ মো. সিরাজউদ্দিন রায়হানের বিরুদ্ধে প্রতারণা লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করেন। আদালত রায়হানের বিরুদ্ধে সমন জারি করলে তিনি আদালতে আত্মসমর্পন করে জামিন লাভ করেন। তিনি আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে শুনানিতে বলেন, মোশারফের সাথে তার কোনো চুক্তি বা অঙ্গীকারনামা হয়নি। চুক্তির স্বাক্ষর নিয়ে তিনি চ্যালেঞ্জ করে স্বাক্ষরটি সিআইডির বিশেষজ্ঞ দিয়ে পরীক্ষা করানোর আবেদন করেন। গতকাল মামলার ধার্য তারিখে এসময় প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ করেন অভিযুক্তের আইনজীবী। এসময় বিচারকের জেরা প্রশ্নের মুখে বাদি স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে স্ট্যাম্পে রায়হানের স্বাক্ষর

ছাপানোর অভিযোগ স্বীকার করেন।
এডভোকেট মাহমুদ পূর্বকোণকে বলেন, ২০১৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে গত বছর ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত সাড়ে লাখ টাকা ধার নেন বলে উল্লেখ করা হয় মামলায়। কিন্তু আগে ধার নিলেও চুক্তি দেখানো হয় ২০১৭ সালের ১৮ মে। তিনি বলেন, জালিয়াতির ঘটনা ধরা পড়ায় মামলার বাদি আদালতে প্রকাশ্য ক্ষমা চেয়ে দুঃখপ্রকাশ করেছেন। আদালতের কার্যদিবস শেষ হওয়া পর্যন্ত তাকে আসামির কাটগড়ায় দাঁড় করিয়ে রেখে মুক্তি দেয়া হয়। ক্ষমা চাওয়ায় আমরাও আর তার বিরুদ্ধে মামলা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি

Share