মুহাম্মদ নাজিম উদ্দিন ও ইমাম হোসাইন রাজু

চট্টগ্রামের ১৬ আসনে প্রতীক পেলেন ১১৪ জন প্রার্থী। এরমধ্যে চারজন প্রার্থী লড়ছেন ১০টি আসনে। একইপ্রার্থী একাধিক আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় প্রতীক প্রাপ্তির সংখ্যা বাড়লেও প্রকৃত প্রার্থী হলেন ১০৮ জন।
রিটার্নিং কর্মকর্তা কার্যালয় সূত্র জানায়, গতকাল (সোমবার) ১১৪ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়। এরমধ্যে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীক নৌকা নিয়ে লড়বেন ১৫ জন প্রার্থী। হাটহাজারী আসনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন জোটের শরিকদল জাতীয় পার্টির ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ লড়বেন জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে। বিএনপির দলীয় প্রতীক ধানের শীষে লড়বেন ১৫ জন প্রার্থী। ২০ দলীয় জোটের শরিকদল এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ বীরবিক্রম লড়বেন দলীয় প্রতীক ছাতা নিয়ে। এছাড়াও জাতীয় পার্টি ৬ জন, ইসলামী ফ্রন্টের মোমবাতি প্রতীক নিয়ে ১১ আসনে, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের চেয়ার প্রতীকে ১০ জন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রতীক হাতপাখা নিয়ে ১৬ আসন, বিএনএফের টেলিভিশন প্রতীক নিয়ে চারজন, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের বটগাছ নিয়ে চারজন, স্বতন্ত্র প্রার্থী ৭ জন, ইসলামী ঐক্যজোটের মিনার প্রতীকে একজন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের খেজুরগাছ নিয়ে একজন, খেলাফত মজলিসের দেয়ালঘড়ি নিয়ে একজন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কাস্তে প্রতীক নিয়ে তিনজন, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামীলীগ পার্টির (ন্যাপ) কুঁড়েঘর নিয়ে তিন জন, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল বাসদের মই প্রতীকে দুইজন, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের গামছা নিয়ে একজন, গণফোরামের উদীয়মান সূর্য প্রতীক নিয়ে তিনজন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) তারা প্রতীক নিয়ে একজন, তরিকত ফেডারেশনের ফুলের মালা প্রতীক নিয়ে একজন, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের হাত (পাঞ্জা) প্রতীক নিয়ে একজন, বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কোদাল প্রতীক নিয়ে দুইজন, জাতীয় পার্টির (জেপি) বাইসাইকেল নিয়ে একজন প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে লড়বেন।
১১৪ জনের মধ্যে ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী মাওলানা এম এ মতিন একাই লড়ছেন তিন আসনে। একই দলের মুহাম্মদ আবদুস সামাদ লড়ছেন দুই আসনে, খেলাফত আন্দোলনের মাওলানা রশিদুল হক বিএসসি লড়ছেন তিন আসন এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. দেলোয়ার হোসেন সাকী লড়ছেন দুই আসনে। এতে ১৬ আসনে প্রার্থী সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ১০৮ জনে।
রিটানিং কার্যালয় সূত্র জানায়, চট্টগ্রামের ১৬ আসনে ১৮০ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে ৪৭ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এরমধ্যে আবার নির্বাচন কমিশনে মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল করে ১৩ জন প্রার্থী প্রার্থিতা ফিরে পান। এতে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়ায় ১৪৬ জনে। ১৪৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৯ জন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেন। সর্বশেষ প্রার্থী ছিলেন ১২৭ জন। এরমধ্যে কয়েকটি আসনে একই দলের একাধিক প্রার্থী ছিলেন। কিন্তু দল-জোটের চূড়ান্ত চিঠির ভিত্তিতে একজন প্রার্থীকেই দল বা জোটের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। সর্বশেষ ১১৪ জন প্রার্থির মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। বর্তমানে নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন বিভিন্ন জোট-দলের ১১৪ জন প্রার্থী।
প্রতীক পেলেন যাঁরা : চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন (নৌকা), বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নুরুল আমিন (ধানের শীষ), ইসলামিক আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ সামসুদ্দীন (হাতপাখা), গণফোরামের নুর উদ্দীন আহমেদ (উদীয়মান সূর্য), বাংলাদেশ মুসলিম লীগের শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী (হাত-পাঞ্জা), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মোহাম্মদ আব্দুল মন্নান (চেয়ার)।
চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) সংসদীয় আসনে মহাজোটের শরিক দল তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী (নৌকা), বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মো. আজিম উল্লাহ বাহার (ধানের শীষ), স্বতন্ত্র প্রার্থী এ.টি.এম পেয়ারুল ইসলাম (আপেল), ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ মাইজভা-ারী (মোমবাতি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ আতিক (হাতপাখা), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মীর মোহাম্মদ ফেরদৌস আলম (চেয়ার), জাতীয় পার্টির জহুরুল ইসলাম রেজা (লাঙ্গল)।
চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মাহফুজুর রহমান মিতা (নৌকা), বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোস্তফা কামাল পাশা (ধানের শীষ), ইসলামিক আন্দোলন বাংলাদেশের হাফেজ মাওলানা মনসুরুল হক (হাতপাখা), ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) মোহাম্মদ মোকতাদের আজাদ খান (আম), কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সেলিম উদ্দিন হায়দার (গামছা)।
চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকু-) সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী দিদারুল আলম (নৌকা), বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. ইসহাক চৌধুরী (ধানের শীষ), বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মুহাম্মদ আশরাফ হোসাইন (মোমবাতি), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. মোজাম্মেল হোসেন (চেয়ার), জাতীয় পার্টির মো. দিদারুল কবির (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সামছুল আলম হাসেম (হাতপাকা)।
চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের শরিকদল জাতীয় পার্টির প্রার্থী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ (লাঙ্গল), ২০ দলীয় ঐক্যজোট প্রার্থী বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহীম (ধানের শীষ), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের ছৈয়দ হাফেজ আহমদ (চেয়ার), ইসলামী ঐক্যজোটের মঈন উদ্দিন রুহী (মিনার), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মীর ইদ্রিস (বটগাছ), স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ নাছির হায়দার করিম (সিংহ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. মোহাম্মদ রফিক (হাতপাখা), ইসলামী ফ্রন্টের মো. নঈমুল ইসলাম (মোমবাতি)। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মো. নাছির উদ্দিন (খেজুরগাছ), খেলাফত মজলিসের শিহাবুদ্দীন (দেয়ালঘড়ি)।
চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী এ.বি.এম ফজলে করিম চৌধুরী (নৌকা), বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জসীম উদ্দিন সিকদার (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুল আলী (হাতপাখা)।
চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া-বোয়ালখালী আংশিক) সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ড. মোহাম্মদ হাসান মাহমুদ (নৌকা), ২০ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী এলডিপির মো. নুরুল আলম (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ নিয়ামুতুল্লাহ (হাতপাখা), বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মোহাম্মদ আবু নওশাদ (মোমবাতি), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির মাহাবুবুর রহমান (তারা), ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান (আম)।
চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী) সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন জাসদের মইনউদ্দীন খান বাদল (নৌকা), বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান (ধানের শীষ), ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী সেহাব উদ্দিন মুহাম্মদ আবদুস সামাদ (মোমবাতি), স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মাহমুদ চৌধুরী (আপেল), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মো. সেহাব উদ্দীন (কাস্তে), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ডা. মো. ফরিদ খান (হাতপাখা), স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ এমদাদুল হক (সিংহ), বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পাটির বাপন দাশগুপ্ত (কুঁড়েঘর), বিএনএফের এস এম ইকবাল হোসেন (টেলিভিশন)।
চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া) সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল (নৌকা), বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন (ধানের শীষ), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মৃণাল চৌধুরী (কাস্তে), ইসলামী ফ্রন্টের আবু আজম (মোমবাতি), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ (চেয়ার), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মৌলভী রশিদুল হক বিএসসি (বটগাছ), জাতীয় পার্টির (জেপি) মোরশেদ সিদ্দিকী (বাইসাইকেল) ইসলামী আন্দোলনের মো. শেখ আমজাদ হোসেন (হাতপাখা)।
চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং, পাহাড়তলী, খুলশী, হালিশহর) সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ডা. মো. আফছারুল আমীন (নৌকা), বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবদুল্লাহ আল নোমান (ধানের শীষ), এনপিপির কাজী মো. ইউসুফ আলী চৌধুরী (আম), বিএনএফের জি এম এম আতিউল্লাহ ওয়াসিম (টেলিভিশন), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. জান্নাতুল ইসলাম (হাতপাখা), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের মো. মহিন উদ্দিন (মই), স্বতন্ত্র সাবিনা খাতুন (সিংহ), বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মারুফ (কোদাল)।
চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী এম আবদুল লতিফ (নৌকা), বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী (ধানের শীষ), ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এম এ মতিন (মোমবাতি), বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির অপু দাশ গুপ্ত (কোদাল), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের আবুল বাশার মুহাম্মদ জয়নুল আবেদীন (চেয়ার), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. লোকমান সওদাগর (হাতপাখা), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মৌলভী রশিদুল হক বিএসসি (বটগাছ),
চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী সামশুল হক চৌধুরী (নৌকা), বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. এনামুল হক (ধানের শীষ), বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এম এ মতিন (মোমবাতি), ইসলামিক আন্দোলন বাংলাদেশের মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন সাকী (হাতপাকা), ইসলামিক ফ্রন্টের মো. মঈন উদ্দিন চৌধুরী (চেয়ার), জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ নুরুচ্ছফা সরকার (লাঙল), বিএনএফের দীপক কুমার পালিত (টেলিভিশন), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের সাইফুদ্দিন মোহাম্মদ ইউনুচ (মই)।
চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ (নৌকা), বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সরওয়ার জামাল নিজাম (ধানের শীষ), বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী মাওলানা এম এ মতিন (মোমবাতি), ইসলামিক আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী মো. ইরফানুল হক চৌধুরী (হাতপাখা), গণফোরামের উজ্জ্বল ভৌমিক (উদীয়মান সূর্য), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মৌলভী রশিদুল হক (বটগাছ), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (চেয়ার), বিএনএফের নারায়ণ রক্ষিত (টেলিভিশন)।
চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া) সংসদীয় আসনে ২০ দলীয় জোটের শরিক এলডিপির চেয়ারম্যান ড. অলি আহমদ বীর বিক্রম (ছাতা), আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম চৌধুরী (নৌকা), বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সিহাব উদ্দিন মো. আবদুস সামাদ (মোমবাতি), ইসলামিক আন্দোলন বাংলাদেশের মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন সাকী (হাতপাখা), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের জানে আলম নিজামী (চেয়ার), বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির আবদুল নবী (কাস্তে), তরিকত ফেডারেশনের মোহাম্মদ আলী ফারুকী (ফুলের মালা), ন্যাপের আলী নেওয়াজ খান (কুঁড়েঘর), জাতীয় পার্টির আবু জাফর মো. অলি উল্লাহ (লাঙ্গল)।
চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী (নৌকা), ২০ দলীয় ঐক্যজোটের আ ন ম শামসুল ইসলাম (ধানের শীষ), ইসলামিক আন্দোলন বাংলাদেশের নুরুল আলম (হাতপাখা), গণফোরামের আব্দুল মোমেন চৌধুরী (উদীয়মান সূর্য), ন্যাশনাল পিপলস পার্টির ফজলুল হক (আম)।
চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী (নৌকা), বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জাফরুল ইসলাম চৌধুরী (ধানের শীষ), জাতীয় পার্টির মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী (লাঙ্গল), স্বতন্ত্র প্রার্থী উপজেলা জামায়াতের আমির জহিরুল ইসলাম (আপেল), ইসলামিক আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা এইচ এম ফরিদ আহমদ (হাতপাখা), ইসলামিক ফ্রন্টের মোহাম্মদ মহিউল আলম চৌধুরী (চেয়ার), ন্যাপ (মোজাফ্ফর) আশীষ কুমার শীল (কুঁড়েঘর), স্বতন্ত্র বজল আহমদ (বেঞ্চ), ইসলামী ফ্রন্টের মো. মনিরুল ইসলাম (মোমবাতি)।

Share
  • 79
    Shares