নিজস্ব প্রতিবেদক

বহদ্দারহাট পুলিশ ফাঁড়ি থেকে বহদ্দার পুকুর পাড় এবং বিপরীত পাশে ম্যানিলা টাওয়ার থেকে বহদ্দারবাড়ি মসজিদ পর্যন্ত সড়কের একাংশ এখন ভাসমান হকারদের দখলে। দুপুর ১২টা

থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলে ভাসমান হকারদের ব্যবসা। একই স্থানে আবার গড়ে উঠেছে মিনি টেম্পো স্ট্যান্ড। ৪০ফুট সড়কের উভয় পাশের ২০ফুট সড়ক দখল করেছে ভাসমান হকার

ও মিনি টেম্পো স্ট্যান্ড। ফলে যান চলাচল বিঘিœত হয়ে ঘটে যানজট। পথচারিরা সড়কের উপর দিয়ে চলাচল করেন বিপদজনকভাবে। নগরীর বহদ্দারহাট এলাকার শাহ্ আমানত সংযোগ

সড়কের চিত্র এটি। সড়কের এক পাশে সবজি ও মাছ, মেয়েদের পোশাক ও কোকারিজের দোকান। অন্য পাশে ফলের দোকান, শীতকালিন জামা কাপড়, ছেলেদের শার্ট-প্যান্ট, ব্যাল্ট,

মেয়েদের নানা রকম প্রসাধনী, পান-সিগারেট ও খাবারের দোকান। সড়কটির প্রায় আঁধা কিলোমিটার জুড়ে তাদের দখলে। সড়কের উভয় পাশে প্রায় ৫০টি ভাসমান দোকান আছে।

তন্মধ্যে সবজির দোকান ২৫টি, মাছের ৬টি, ফলের ৫টি, মহিলা ও শিশুদের দোকান ৫টি, শার্ট প্যান্ট ও ফ্যাশনাবল পণ্যের দোকান ৫টি ও নানা খাবারের দোকান ৪টি। নগরীর

গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর মধ্যে এটি একটি। এই পথ দিয়ে যাতায়াত করেন চট্টগ্রামের দক্ষিণাঞ্চল তথা পটিয়া, আনোয়ারা, চন্দনাইশ, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, বাঁশখালী, বান্দরবান ও

কক্সবাজারের যাত্রী সাধারণ। মো. আমির নামে একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, হকার ও গাড়ির স্টেশনের কারণে রাস্তায় যানজটের সৃষ্টি হয়। একটা গাড়ি চললে আরেকটা গাড়ি চলার

জায়গা থাকে না। সন্ধার পর রাস্তায় হাটার জায়গা আরো থাকে না বলেই চলে। এতে অনেক দুর্ঘটনা শিকার হন অনেকে। কোহিনুর নামের একজন কলেজ ছাত্রী বলেন, যাতায়াতের

সময় অনেক সমস্যা হয়। কারণ গাড়ির স্ট্যান্ড ও ভাসমান দোকানগুলো পথ দখল করে বসে থাকে। এদিকে দোকানীরা বলেন এখানে বসার জন্য অনেক জনকে টাকা দেয়া হয়।

যুবলীগের দুই গ্রুপের নেতাকে দৈনিক দিতে হয় দোকান ভেদে ৫০ ও ৪০ টাকা করে।

Share
  • 144
    Shares