মুহাম্মদ আশরাফ উদ্দীন হিমেল

এমন অনেক একতরফা চিন্তা-াবনা, দুখ-বেদনা, আবেগ-অনুভূতির কথা। আমরা মন চাইলেই তা অনায়াসে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রকাশ করে পারি। তা কারো পড়াটা জরুরী- এ কথা ভেবে নাও হতে পারে কারো কারো ক্ষেত্রে। বর্তমানে মানুষ বড্ড বেশী একাকী হয়ে পড়েছে, হয়ে পড়েছে হতাশ, আত্মকেন্দ্রিক। আর তার পেছনে হাজারটা কারণ দায়ী। তার একটি যেমন ভার্চুয়াল জগতে কেউ কেউ ঠাই কওে নিয়ে কিছুটা আত্মতৃপ্তির মাধ্যমে বর্তমান সময়কে অতিক্রম করছে। কারো একা থাকাকে নিয়ে অন্যের আবার মাথা ব্যথাও হচ্ছে। ব্যক্তিগতভাবে আমার ইচ্ছে করে একাকী থাকতে। কারণ আমি যখন পাঁচজনের মাঝে থাকি তখন সেই পাঁচজনের বেশী আর কিছু থাকে না। যখন পাঁচশো জনের বা হাজারো জনের মাঝে থাকি তখন ওই সীমাবদ্ধতার মাঝেই কিন্তু একা একা থাকতে পারলে এ গ্রহের সকল মানুষ জীবজন্তু, প্রকৃতি এমনকি সমস্ত মহাবিশ্বকে একান্ত নিজের করে নিবিড় ভাবে কাছে পেতে সহজ হয়, কিন্তু তাই বলে সমাজ-সংসারকে পরিত্যাগ করছি বা করবো তা বলছি না। বিচিত্র এ সৃষ্টিররহস্য। বিচিত্র এ মহাজগত। আরো বেশী বিচিত্র, রহস্য দিয়ে ঘেরা মানুষের মন ও মনস্কত্ত্ব। যারা ভাবনার অতি গভীরে, অতলান্তে ডুবতে পাওে তারা আর দশ জনের মতন নয়। তাদের চিন্তা চেতনা আবেগ-অনুভূতি দৃষ্টিভঙ্গি, সূক্ষ্ম অনুভূতি বোধ সহজে সবার সাথে মিলবার কথাও নয়। মনে হতে পারে তাদের আজব বা একাকী মানুষ। আসলে এই একা থাকা মানুষেরাই মানুষ তথা জীবজগৎকে ভালবেসে তার কল্যাণ সাধনের জন্য ভাবতে পারে। ভাবতে পাওে তার পাশের মানুষের দুখ, বেদনা, দুর্দশা, মুক্তির কথা, ভাবতে পারে বৈশ্বিক শান্তির কথা, মহাজগতের কথা। কিছু করে দেখাবার আগে ভাবতে পারার গুরুত্বটা অনেক বেশী!

Share