নিজস্ব সংবাদদাতা, চকরিয়া-পেকুয়া

পেকুয়ায় র‌্যাবের সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ কুতুবদিয়া চ্যানেলের জলদস্যু মো.তারেক (৩১) নিহত হয়েছেন। গত বুধবার ভোররাত ৪টার দিকে মগনামা লঞ্চঘাট এলাকায় বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা এ ঘটে। এসময় ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও দুটি ওয়ান শুটারগান, ২৩ রাউন্ড তাজা কার্তুজ এবং চার রাউন্ড গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে বলে র‌্যাব-৭ নিশ্চিত করেছেন। নিহত তারেক কুতুবদিয়া উপজেলার উত্তর ধুরং এলাকার আবদুস শুক্কুরের ছেলে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে র‌্যাব-৭ কক্সবাজার ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মেজর মেহেদী হাসান বলেন, সম্প্রতি জলদস্যুরা সাগর থেকে কয়েকটি মাছধরার বোট নিয়ে যায়। এরপর থেকে মালিকদের কাছ থেকে মুক্তিপণ দাবি করে আসছিল তারা। মঙ্গলবার মধ্য রাতে মুক্তিপণ আদায় করতে তারেকসহ একদল জলদস্যু পেকুয়ার মগনামায় আসে।
খবর পেয়ে র‌্যাবের একটি টহল দল সেখানে অভিযানে যায়। এসময় র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে জলদস্যুরা র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। র‌্যাবও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছুড়লে দস্যুরা পালিয়ে যায়।

পরে ঘটনাস্থল থেকে এক জলদস্যুকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
র‌্যাব আরো জানায়, জলদস্যু তারেক দীর্ঘদিন ধরে সাগরে বোট ডাকাতির সাথে জড়িত ছিল। সম্প্রতি র‌্যাবের সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত শীর্ষ জলদস্যু দিদারের নেতৃত্বাধীন দিদার বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসাবে দায়িত্ব পালন করে আসছিল। দিদার মারা যাওয়ার পর ওই বাহিনীর প্রধান হয় তারেক। তার বিরুদ্ধে জেলার বিভিন্ন থানায় দস্যুতা, ডাকাতি ও অস্ত্র আইনে চারটি মামলা রয়েছে বলে জানান মেজর মেহেদী হাসান। নিহত জলদস্যু তারেকের মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

Share