মোহাম্মদ আলী

সীতাকু- বিএনপিতে আসলাম চৌধুরীর একক আধিপত্য। তাঁকে নিয়ে দলের মধ্যে কোনো বিভাজনও তেমন একটা নেই। দলের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের ধারণা তিনিই এবার বিএনপির একক প্রার্থী।
সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, আসলাম চৌধুরীর প্রচুর ব্যাংক ঋণ রয়েছে। যথাসময়ে কিস্তি পরিশোধ না করায় তিনি ঋণখেলাপের মামলার শিকার হন। এ কারণে তিনি জেলে রয়েছেন। তাই ঋণখেলাপির কারণে তিনি মনোনয়ন বঞ্চিত হতে পারেন, রাজনীতির মাঠে এ ধরণের একটি সংশয়ও রয়ে গেছে। এ কারণে তাঁর বিকল্প হিসেবে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সাবেক সচিব ও আইজিপি এওয়াইবিআই সিদ্দিকীর নামও শোনা যাচ্ছে।
তবে তাঁর ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, আসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে ব্যাংকে ঋণ খেলাপির কোনো মামলা নেই। রাজনৈতিক ও দুদকের মামলায় তিনি জেলে আছেন। আসন্ন নির্বাচনে তিনিই বিএনপির একক প্রার্থী তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
২০১৪ সালে ৫ জানুয়ারি দশম সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনি বিএনপি। সেবার আওয়ামী লীগের প্রার্থী দিদারুল আলম জয়লাভ করেন। এর আগে ২০০৮ সালে নবম সংসদ নির্বাচনে এ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবুল কাশেম মাস্টার এক লাখ ৩৫ হাজার ৪৮৯ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরী পেয়েছিলেন এক লাখ ১২ হাজার ৬৫১ ভোট। এবারও বিএনপির একক প্রার্থী আসলাম চৌধুরী। বর্তমানে তিনি কারাগারে। কোনো কারণে তিনি প্রার্থী হতে না পারলে তাঁর পরিবর্তে বিএনপি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আসতে পারেন সাবেক সচিব ও আইজিপি এওয়াইবিআই সিদ্দিকী।

তিনি এ আসনে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী এলকে সিদ্দিকীর ছোট ভাই।
মনোনয়ন প্রসঙ্গে এআইওয়াইবি সিদ্দিকী বলেন, ‘দল মনোনয়ন দিলে নির্বাচন করবো।’
এদিকে নির্বাচনে মনোনয়ন প্রসঙ্গে আসলাম চৌধুরীর একান্ত সচিব মনজুরুল ইসলাম দৈনিক পূর্বকোণকে বলেন, ‘আসলাম চৌধুরী সাহেব এবারও বিএনপির একক প্রার্থী। তিনিই বিএনপি থেকে নির্বাচন করবেন।’
তিনি বলেন, ‘আসলাম চৌধুরী সাহেবের বিরুদ্ধে ঋণখেলাপের কোনো মামলা নেই। তিনি রাজনৈতিক ও দুদকের মামলায় কারাগারে রয়েছেন। সুতরাং নির্বাচনে তাঁর অংশগ্রহণ নিয়ে কোনো ধরণের সংশয় নেই।’ মনজুরুল ইসলাম বলেন, ‘সীতাকু- বিএনপিতে কোনো ধরণের গ্রুপিং নেই। আসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে সবাই ঐক্যবদ্ধ।’

Share