নিজস্ব প্রতিবেদক

পাকিস্তানের নীল নকশা অনুযায়ী খালেদা জিয়া তাঁর ছেলেকে দিয়ে গ্রেনেড হামলা চালিয়েছিলেন উল্লেখ করে চট্টগ্রাম মহানগর ১৪ দলের নেতারা বলেছেন, আদালত তারেক জিয়াকে যাবজ্জীবন কারাদ- দিয়েছে। এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট হলেও তাকে সর্বোচ্চ শাস্তি অর্থাৎ ফাঁসি দিতে হবে। গতকাল বুধবার বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ১৪ দল আয়োজিত সমাবেশে বক্তারা এসব কথা বলেন।
মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেন, বহু প্রত্যাশিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে বর্তমান সরকারপ্রধানকে হত্যার ষড়যন্ত্র করে ব্যর্থ হয় বিএনপি-জামায়াত জোট। তারেক জিয়ার ভেতরে দুর্বলতা ছিলো বলে বিদেশে পাড়ি জামিয়েছেন। তিনি এখনো লন্ডনে বসে দেশের জনগণের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন। তার অনুপস্থিতিতে আজ রায় ঘোষণা হয়েছে। মুফতি হান্নান নিজের মুখে স্বীকার করেছিলেন এ হামলায় কারা জড়িত ছিলো। হামলার পর ঘটনাকে ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করতে চেয়েছিল বিএনপির জোট। তা আদালতে স্বীকারও করেন তিনি। তারেক জিয়া এ ঘটনার সাথে প্রতক্ষ্যভাবে জড়িত ছিলেন। তার যে যাবজ্জীবন হয়েছে তাতে আমরা খুশি নই। আমরা চাই তারেক রহমানকে দেশে এনে মৃত্যুদ- দেয়া হোক। একইসাথে ঘটনার মূলনায়ক তৎকালীন সরকার প্রধান খালেদা জিয়াকেও এর বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।
মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, এ রায়কে ঘিরে বাংলার মানুষ এতোদিন উৎকণ্ঠায় ছিলো। রায় ঘোষণার মধ্য দিয়ে তা কেটেছে। অপরাধীরা শাস্তি

পেয়েছে এটাই ছিল সবার কাম্য। এ রায়ে আমরা আনন্দিত নই, উল্লসিত নই, হতাশও নই। যেদিন রায় কার্যকর হবে সেদিন আমরা খুশি হব।
নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন বলেন, খালেদা জিয়া তাঁর ছেলে তারেক রহমানকে দিয়ে পাকিস্তানী নীলনকশা অনুযায়ী এ গ্রেনেড হামলা চালিয়েছিলেন যাতে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দকে হত্যা করে তারা ক্ষমতায় থাকতে পারেন। ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে তারা মনে করেছিলেন বাংলাদেশ থেকে আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করে ফেলতে পারবেন। কিন্তু তাদের সে পরিকল্পনাও বাস্তবায়ন হয়নি।
চট্টগ্রাম জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি এডভোকেট আবু হানিফ বলেন, যারা স্বাধীনতাযুদ্ধে বিরোধিতা করেছিলো তারাই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে। এ হত্যার মধ্য দিয়ে এদেশের শান্তিপ্রিয় মানুষদের হত্যার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি জামায়াত-বিএনপি জোট। তারই ধারাবাহিকতায় ২১ আগস্ট বোমা হামলার পরিকল্পনা করা হয়। তারপরে সকল আলামতকে গোপন করে তা ভিন্নভাবে নিতে চেয়েছিল তারা। ঘটনাকে ধামাচাপা দেয়ার জন্য নতুন নাটকও সাজিয়েছিল। কিন্তু সবকিছুতেই বিএনপি ব্যর্থ হয়েছে। জড়িত তারেক জিয়াকেও ফাঁসি দেয়া পর্যন্ত আমরা মাঠে অবস্থান করবো।
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) মহানগর সভাপতি আবু বকর ছিদ্দিক বলেন, হাওয়া ভবন থেকে তারেক রহমানের চক্রান্তে এ বোমা হামলা করা হয়। ১৪ দল তারেক রহমানের যাবজ্জীবন কখনো মেনে নিতে পারে না। তিনি এখনো লন্ডনে বসে বিভিন্ন উস্কানি দিচ্ছেন। তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে সর্বোচ্চ শাস্তি দিতে হবে। অস্তিত্বহীন জামায়াত-বিএনপিকে রক্ষা করার জন্য কিছু সাইনবোর্ডধারী রাজনৈতিক নেতা যুক্তফ্রন্ট খুলে বসেছেন। আগামী সংসদ নির্বাচন যেন সুষ্ঠুভাবে না হয়, সেই ষড়যন্ত্রও তারা করছেন।
মহানগর আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুকের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জাসদ মহানগর সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন, গণআজাদী লীগের সভাপতি খোরশেদ আলম, তরিকত ফেডারেশন আহবায়ক মোরশেদ কাজী, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক কাদের মুল্লুক, স্বপন সেন, উত্তর জেলা জাসদ সভাপতি বেলায়েত হোসেন, নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এডভোকেট সেলিম কুমার সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, আইন বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী প্রমুখ।
নগরীর ১৭ পয়েন্টে আ. লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের সমাবেশ : ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার রায়কে কেন্দ্র করে গতকাল বুধবার নগরীর ১৭ পয়েন্টে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা অবস্থান নিয়ে সমাবেশ করেছেন। সমাবেশে বক্তাগণ বলেন, আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করার জন্য এই গ্রেনেড হামলা হয়েছে তারেক জিয়ার পরিকল্পনায়।
মহানগর আওয়ামী লীগ : দারুল ফজল মার্কেট কার্যালয়ের সম্মুখে অনুষ্ঠিত সমাবেশে মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন বলেন, রাজপথের ঐক্যই জননেত্রী শেখ হাসিনার শক্তি। এই শক্তিবলে যুদ্ধাপরাধী ও বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীরা ফাঁসির দড়িতে ঝুলেছে। গ্রেনেড হামলার আসামিরাও একই পরিণতি ভোগ করেছে। এই রায় ঐতিহাসিক। সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আমরা রাজপথে আছি এবং রাজপথে থাকবো। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিক আদনান এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন এডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, এমএ রশীদ, শফিকুল ইসলাম ফারুক, হাসান মাহমুদ শমসের, জহরলাল হাজারী, আবুল মনসুর, বেলাল আহাম্মদ, গৌরাঙ্গ চন্দ্র ঘোষ, অমল মিত্র, মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী, তারেক সোলায়মান সেলিম, মহিউদ্দিন বাচ্চু, মাহবুবুল হক সুমন প্রমুখ।
উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ : দোস্ত বিল্ডিং চত্বরে উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত সমাবেশে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এমএ সালাম বলেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার উদ্দেশ্য ছিল তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করে আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করা। সেদিনের গ্রেনেড হামলায় আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভি রহমানসহ আওয়ামী লীগের ২৪ জন নেতাকর্মী নিহত হয়েছিলেন। ২৪ জন মানুষ হত্যার বিচারের রায়ে হামলার মূল পরিকল্পনাকারী তারেক রহমানের সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া উচিত ছিল। তবুও আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই আমাদের দাবি তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে এনে আপীলের মাধ্যমে যাবতজীবন সাজার পরিবর্তে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদ- দেওয়া হোক। সংগঠনের সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মোহাম্মদ মঈনুদ্দিনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জিতেন্দ্র প্রসাদ নাথ মন্টু, মো. আবুল কালাম আজাদ, মো. জসিম উদ্দিন, ইউনুস গনি চৌধুরী, রাউজান পৌর মেয়র দেবাশীষ পালিত, মহিউদ্দিন বাবলু, জসিম উদ্দিন শাহ, এডভোকেট ভবতোষ নাথ, মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইউনুস, মঞ্জুরুল আলম চৌধুরী, জাফর আহমেদ, ফোরকান উদ্দিন আহমদ, মো. সেলিম উদ্দিন, দিলোয়ারা ইউসুফ, শফিকুল ইসলাম, এস এম রাশেদুল আলম, এডভোকেট বাসন্তী প্রভা পালিত, সৈয়দা রিফাত আক্তার নিশু, রাশেদ খান মেনন প্রমুখ।
দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ : দলীয় কার্যালয় প্রাঙ্গণে সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে মোছলেম উদ্দিন আহমদ বলেন, জনগণ সন্দেহাতীতভাবে বিশ্বাস করে যে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা হাওয়া ভবন থেকে তারেক জিয়ার পরিকল্পনা মোতাবেক হয়েছে। এই হাওয়া ভবন ছিল অবৈধ অর্থ, রাজনৈতিক, প্রশাসনিক অপকর্মের নিয়ন্ত্রক। খালেদা জিয়া সরকারের সকল বিভাগে এ ভবন ও তারেক জিয়ার প্রভাব ছিল প্রশ্নাতীত। এদের ফাঁসির রায় না হলে জনঅসন্তোষ রয়েই যাবে। তাই এই রায়ে পরিপূর্ণতা আসেনি। প্রদীপ দাশের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, আবুল কালাম চৌধুরী, খোরশেদ আলম, বোরহান উদ্দিন এমরান, গোলাম ফারুক ডলার, আবদুল কাদের সুজন, নুরুল আবছার চৌধুরী, শাহনেওয়াজ হায়দার শাহীন, বিজয় কুমার বড়–য়া, ওমর ফারুক, শাহিদা আক্তার জাহান, আ ম ম টিপু সুলতান চৌধুরী, পার্থসারথী চৌধুরী, এম এন ইসলাম, এস এম ছালেহ, নুরুল আবছার, মোহাম্মদ জোবায়ের, চেয়ারম্যান এমএ হাশেম, আবদুল হান্নান লিটন, আতিকুর রহমান চৌধুরী, কায়সারুজ্জামান খান ফারুক, খালেদা আক্তার চৌধুরী, দিলওয়ারা বেগম, সঞ্চিতা বড়–য়া, নিলুফার জাহান বেবী, শাহীন আক্তার সানা, বিবি জয়নাব লাকী, রওশন আক্তার হেলেন প্রমুখ।
গোসাইলডাঙ্গা, উত্তর মধ্যম হালিশহর, দক্ষিণ হালিশহর, উত্তর পতেঙ্গা ও দক্ষিণ পতেঙ্গা : ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার পিছনে যে বিএনপি এবং রাষ্ট্রীয় মদদ ছিল আজকের রায়ে সেটাই প্রমাণিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন। তিনি গতকাল বুধবার সকালে সিমেন্ট ক্রসিং মোড়ে, দুপুর ১২টায় সিইপিজেড চত্ত্বরে এবং দুপুর ১২.৩০টায় ফকির হাট চত্ত্বরে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ ঘোষিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। কামরুল হাসান ভুলুর সভাপতিত্বে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল হালিম, এম এন ইসলাম, শফিউল আলম, জয়নাল আবেদীন চৌধুরী আজাদ, নূরুল আলম, হাজি মোহাম্মদ আসলাম, শাহাদাত হোসেন, মোহাম্মদ আলী, মোহাম্মদ সেলিম প্রমুখ। ইপিজেড থানা আওয়ামী লীগের আহবায়ক হারুনুর রশীদের সভাপতিত্বে সিইপিজেড চত্ত্বরের সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য রোটারিয়ান মোহাম্মদ ইলিয়াছ, মোহাম্মদ আবু তাহের, সুলতান মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, ওয়ার্ড কাউন্সিলর জিয়াউল হক সুমন, সেলিম আফজল, ফরিদ উদ্দিন মো. বাবর, মোহাম্মদ ইলিয়াছ, আজাদ খান অভি প্রমুখ। ৩৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আহবায়ক ইসকান্দর মিয়ার সভাপতিত্বে ফকিরহাট চত্ত্বরের সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জহুর আহমদ কোম্পানী, আব্দুল আহাদ, সম্পাদক হাজি মোহাম্মদ ইলিয়াছ, হোসেন মুরাদ, আব্দুল মান্নান, আবুল কালাম বিএসসি, মোর্শেদ আলী, নূর নবী চৌধুরী লিটন প্রমুখ। আন্দরকিল্লা চত্বরে জামাল খান ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাশেম বাবুলের সভাপতিত্বে গণঅবস্থান অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেওয়ান বাজার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু তৈয়ব সিদ্দিকী ও জামালখান ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোরশেদুল আলমের যৌথ সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। এতে বক্তব্য রাখেন চন্দন ধর, মানস রক্ষিত, আব্দুল লতিফ টিপু, শেখ শহীদুল ইসলাম, ইকবাল হাসান, শৈবাল দাশ সুমন, আঞ্জুমানারা বেগম, ফয়েজুল্লাহ বাহাদুর, চিত্ত সরকার, মোহাম্মদ সৈয়দুল আলম, মো. জাহাঙ্গীর আলম, মৃদুল দাশ, বাবুল দেব রায়, রঞ্জন রশ্মি বড়–য়া, শফিউল বশর, মো. আব্দুস সবুর, মো. ইসমাইল প্রমুখ।
মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগ : মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসিনা মহিউদ্দিন বলেছেন, বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ ও স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তির অস্তিত্ব মুছে দিতে আমরা নারীসমাজ রাস্তায় নেমেছি। আমরা আজ পরিতৃপ্ত। গতকাল জিইসি মোড়ে চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী প্রতিবাদী নারী সমাবেশে কথাগুলো বলেন। কাউন্সিলর নীলু নাগের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন আঞ্জুমান আরা চৌধুরী আনজী, মমতাজ খান, বিলকিছ কলিমউল্লাহ, মালেকা চৌধুরী, হোসনে আরা বেগম, লায়লা আক্তার এটলী, হাসিনা আক্তার টুনু, আয়শাা আলম, হুরে আরা বিউটি, শারমীন ফারুক প্রমুখ।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় : বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ ছাত্রলীগের উদ্যোগে শফিউল আজম জিপুর নেতৃত্বে নগরীর প্রবর্ত্তক মোড়ে অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন তৌহিদুল ইসলাম রিপন, সাইফুল ইসলাম বাপ্পী, ইমতিয়াজ উদ্দিন ফাহিম, সাদ্দাম হোসেন, সাকিব চৌধুরী, শাহরিয়ার মনির জিসান, জাহেদুল ইসলাম রাফি, রিদুয়ানুল ইসলাম, সাঈদ আনোয়ার তোফা, ইমন খান মানিক, রিয়াদুল ইসলাম, দিদারুল ইসলাম, সাদেকুর রহমান, শাহরিয়ার নূর, আবু তাহের নয়ন, মাকসুদুর রহমান মুকুল, ইরাম তৌছিফ, মো. তৈয়ব, মোহাম্মদ সোহেল প্রমুখ।
মহানগরীর আওতাধীন কলেজ : চট্টগ্রাম মহানগরীর আওতাধীন বিভিন্ন কলেজসমূহের উদ্যোগে নগরীর প্রেস ক্লাব চত্ত্বরে এস এম হুমায়ুন কবির আজাদের সভাপতিত্বে ও রাশেদুল আলম চৌধুরীর সঞ্চালনায় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন জাবেদুল আলম সুমন, হেলাল উদ্দিন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, ইয়াসির আরাফাত, মিথুন মল্লিক, ওয়াহেদ রাসেল, রেজাউল আলম রনি, আরিফ মঈন উদ্দিন, সুজয়মান বড়–য়া জিতু, মো. আবু সায়েম, রায়হানুল কবির শামীম, মোহাম্মদ শাকিল, মো. সরোয়ার উদ্দিন, এম কায়সার উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মঈন শাহরিয়ার, মুনির চৌধুরী, নাছির উদ্দিন কুতুবী, ইসমাইল হোসেন শুভ, সরকারি কমার্স কলেজ ছাত্রলীগ, বাকলিয়া সরকারি কলেজ ছাত্রলীগ, চট্টগ্রাম পলিটেকনিক কলেজ ছাত্রলীগ ও ছাত্র সংসদ, চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগ, হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ ছাত্রলীগ, চট্টগ্রাম আইন কলেজ ছাত্রলীগ ও ছাত্র সংসদের নেতৃবৃন্দ প্রমুখ।
আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ : আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ চট্টগ্রাম মহানগর শাখার উদ্যোগে বিএনপির দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র ও রায় পরবর্তী নাশকতা প্রতিরোধের লক্ষ্যে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। এ এইচ এম জিয়া উদ্দিনের সভাপতিত্বে নিউমার্কেট চত্বরে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কেবিএম শাহজাহান, সালাউদ্দিন আহম্মেদ, স হোসেন চৌধুরী পাপ্পু, সত্যজিৎ চক্রবর্তী সুজন, নুরুল কবির প্রমুখ।

Share