নীড়পাতা » মহানগর » আবৃত্তিশিল্পীর কণ্ঠে প্রকৃতি ও দেশাত্ববোধের জাগরণ

বোধনের ঊনপঞ্চাশতম আবর্তনের সমাবর্তন

আবৃত্তিশিল্পীর কণ্ঠে প্রকৃতি ও দেশাত্ববোধের জাগরণ

পূর্বকোণ ডেস্ক

সারাদিন কোথাও ধীরে, কোথাও দ্রুত লয়ে ঝরেছে বৃষ্টি। তবুও গতকাল নগরীতে প্রতিদিনের ব্যস্ততা ও স্বতঃস্ফূর্ত আবহের কমতি ছিল না। যার রেশ ছিলো জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনেও। ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত বোধন আবৃত্তি স্কুলের ঊনপঞ্চাশতম আবর্তনের সমাবর্তন অনুষ্ঠান ছিলো গতকাল। এতে নবীন শব্দের সঙ্গীনদের একক ও দলীয় পরিবেশনায় ছিলো মুগ্ধতার উপকরণ সাজানো। প্রায় ঘণ্টাতিনেক মনোরম ভাবনার এ আয়োজনের গোড়াপত্তন হয় সন্ধ্যা ছয়টায়। যেখানে নানান ভাবের ভিন্নমাত্রার কবিতার কথার চলনে ও আবহে শ্রোতারা অন্যরকম অনুভূতির সুধায় নিমজ্জিত থেকেছেন। স্বতঃস্ফূর্ত এ অনুষ্ঠানে অংশ নেন ৪০ জন উত্তীর্ণ প্রশিক্ষণার্থী। তারা একক ও দলীয় পরিবেশনায় তাদের নবীন অনুভূতিতে জাগিয়ে তোলেন প্রকৃতির বোধের শৈল্পিক মনন। পুরো আয়োজনের বিভিন্ন পর্বে সঞ্চালনায় ছিলেন আবৃত্তিশিল্পী প্রতীম দে, শুভাগত বড়ুয়া, অজন্তা দাশ টুম্পা ও পুষ্পিতা দত্ত। অনুষ্ঠানের শুরুতে ছিলো কথামালা ও সনদপত্র প্রদান পর্ব। বোধন আবৃত্তি স্কুল চট্টগ্রামের অধ্যক্ষ আবৃত্তিশিল্পী রণজিৎ রক্ষিতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক ও বরেণ্য আবৃত্তিশিল্পী হাসান আরিফ এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা শিল্পকলা একাডেমি চট্টগ্রামের কার্যনির্বাহী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম বাবু।
এ আয়োজনে বোধন আবৃত্তি স্কুলের ছোটদের বিভাগের ৮২ জন শিশু আবৃত্তিশিল্পী বৃন্দ প্রযোজনা ‘আজকের ছুটির দিন’ পরিবেশন করেন। আবৃত্তিশিল্পী সোহেল আনোয়ারের গ্রন্থনা ও নির্দেশনায় এ প্রযোজনার মহড়া পরিচালনা করেন পুনম দাশ ও আবু সাঈদ রিয়াদ। বোধনের ছোটদের মুখরিত এ আয়োজনের পরিবেশনার মধ্য দিয়ে আবৃত্তিশিল্পে মানুষের চেতনা উদ্বেলিত হয়ে ওঠে।

Share