নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রায় অস্তিত্ব বিলীন হয়ে পড়া চান্দগাঁও মরাজরা খালের সংস্কার কাজ করছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। এতে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি অনেকটা কমে এসেছে। চান্দগাঁও ওয়ার্ডে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খাল মরাজরা। অবৈধ দখল ও সংস্কারের অভাবে প্রায় দুই কিলোমিটার দৈর্ঘ্য এবং ২০ ফুট প্রস্থের মরাজরা খালের অস্তিত্বই খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। লক্ষাধিক মানুষের পানি নিষ্কাশনের এ খালের উৎপত্তি জাফর আলী খান চৌধুরী বাড়ি সংলগ্ন এলাকা থেকে। এরপর এটি আলামিয়া সওদাগর বাড়ি, মিল্লাত আলী সওদাগর বাড়ি, শংকর দেওয়ানজী হাট, বেপারিপাড়া, উত্তর চান্দগাঁও শিল্প এলাকা, বাহির সিগনাল, পশ্চিম বড়–য়া পাড়া,

খ্রীষ্টানপাড়া, উত্তর চান্দগাঁও হিন্দুপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকা হয়ে সিএন্ডবি বালুরটাল এলাকায় বামনশাহী খালের সাথে সংযুক্ত হয়েছে। কিন্তু বছরের পর বছর ধরে সংস্কার না হওয়ায় খালটির বেশিরভাগ অংশ ভরাট হয়ে যায়। এ সুযোগে খালের বিরাট অংশ অবৈধভাবে দখল করে তৈরি করা হয়েছে বসতঘর ও দোকান। এতে কোনো কোনো এলাকায় খালের অস্তিত্বই বিলীন হয়ে যায়। যেখানে সামান্য অস্তিত্ব মিলছে তাও আবার নালা-সদৃশ্য। তাতে বৃষ্টি হলে সৃষ্টি হতো জলাবদ্ধতা। দৈনিক পূর্বকোণে এ নিয়ে গত ১১ মে একটি সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশ করা হলে নজরে আসে সিডিএ’র। এটি খননে প্রকল্প গ্রহণ করে সংস্থাটি। চলতি বর্ষায় খালটি সংস্কার করে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হয়। এতে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি অনেকটা কমে আসে।
খালটি সংস্কার প্রসঙ্গে চান্দগাঁও ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. সাইফুদ্দিন খালেদ দৈনিক পূর্বকোণকে বলেন, ‘উত্তর চান্দগাঁও এলাকার দুঃখ বলে খ্যাত মরাজরা খালটি সিডিএ সংস্কার করেছে। এতে মানুষের দুর্ভোগ কিছুটা কমেছে।’
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম দৈনিক পূর্বকোণকে বলেন, ‘অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মরাজরা খালটি পুনঃখননের প্রকল্প নেওয়া হয়। শুধুমাত্র বর্ষার কথা চিন্তা করে প্রকল্পের আওতায় খালটি সংস্কার করা হয়েছে। তাতে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি অনেকটা কমে এসেছে।’
তিনি বলেন, ‘আসন্ন শীত মওসুমে খালটি পুনঃখনন করা হবে। এছাড়া খালের অবৈধ দখলমুক্ত, ব্রিজ কালভার্ট ভেঙে উঁচু ও প্রশস্তকরণ ও রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণসহ বিভিন্ন কাজ করা হবে।’

Share
  • 66
    Shares