বিকাশ নাথ

অনন্য উপজেলার মত শাক-সবজি উৎপাদনে বোয়ালখালী উপজেলার কৃষকরা এখন আর বসে নেই তাঁরা উপজেলার কৃষি বিষয়ক কার্মকর্তার মাধ্যমে কোন সময়ে কোন শাক-সবজি রোপন করলে কম পুঁজিতে অল্প সময়ে নিজের বিনিয়োগ করা অর্থ ও ফসলের ক্ষেত থেকে শাক-সবজি বিক্রীর মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যে কিভাবে অর্থ উঠিয়ে আনা যায় সেই স্বপ্নে বিভোর কৃষকরা। বোয়ালখালী পৌরসভার মো. এয়াকুব একজন সফল চাষি, মৌসুম অনুযায়ী বিভিন্ন রকম শাক-সবজি চাষ করে সংসার চালান তিনি। এবার তিনি অনন্য সবজি যেমন ঢেরস, বরবটি, সিম চাষ করে তেমন সফলতা না পেলেও তিতা করলা চাষ করে পেয়েছেন সফলতা। তিনি পৌরসভাধীন রেল লাইন সংলগ্ন প্রায় ২০শতক জমিতে তিতা করলা চাষ করে তিনি একদিকে হয়েছেন সফল অন্যদিকে হয়েছেন লাভবান। তিনি জমিতে মাচং তৈরি করে তিতা করলার ক্ষেত করেছেন। এই উপজেলা কৃষকরা বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি চাষ করে উপজেলা অনেক সবজি চাষি স্বাবলম্বী ও অর্থনৈতিকভাবে সচল হয়েছেন । কম পুঁজিতে তিতা করলা চাষ ও কম শ্রমে এ সবজি চাষ হওয়ায় সবজি চাষিদের মধ্যে তিতা করলা চাষ করতে কৃষকরা আগ্রহী হচ্ছেন। যারা আর্থিক দুরাবস্থায় দিন যাপন করে আসছেন তাঁরা বর্তমানের সবজি চাষ করে অনেকটা স্বাবলম্বী হয়েছেন। যে জমিতে আগে মাত্র একবার ফসল বা সবজি চাষ করা হতো বর্তমানে সে জমিতে বার মাস চলছে বিভিন্ন জাতে শাক-সবজি চাষ। তিতা করলা চাষি মো. এয়াকুব জানান, তিনি তার ২০শতক জমিতে তিতা করলা চাষ করতে সবমোট খরচ হয়েছে ১২ হাজার টাকা। তার ক্ষেতের তিতা করলার ফলনও হয়েছে ভাল। তিনি এই পর্যন্ত তিতা করলা বিক্রি করেছেন ৪০ হাজার টাকার। আবহাওয়া ভাল থাকলে ও ক্ষেতের সব তিতা করলা বিক্রি করতে পারলে তার আনুমানিক ৩০ হাজার টাকা লাভ হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পুষ্টিগুনে সমৃদ্ধ তিতা করলা সবজি। এই উপজেলায় উৎপাদিত নানা রকমে শাক-সবজি যেমন বেগুন, তিতা করলা, কাঁকরোল, বরবটি, সিম, ঢেরঁস, পাইন্যা কচু, ঝিঙা ইত্যাদি শাক সবজি চাষে উপজেলা পর্যায়ে সরকারিভাবে বেকার যুবক-যুবতীতের প্রশিক্ষণ ও স্বল্প পুঁজির ব্যবস্থা করা গেলে এই উপজেলায় হাজার হাজার বেকারের আতœকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রাও অর্জন করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন কৃষক সমাজ।