নিজস্ব সংবাদদাতা, চন্দনাইশ

দক্ষিণ চট্টগ্রামের যাত্রী সাধারণের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম সড়ক হচ্ছে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক। সড়কটির চন্দনাইশের অংশ দোহাজারী শঙ্খ ব্রিজ থেকে রওশনহাট পর্যন্ত প্রায় ৯ কিলোমিটার সড়ক খানাখন্দে ভরে গেছে। এতে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। আধা ঘণ্টার পথ যেতে ১ ঘণ্টারও বেশি সময় অতিবাহিত হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, দোহাজারী সদর এলাকা, দক্ষিণ হাশিমপুর বড়পাড়া, বাগিছাহাট, বাদামতল, গাছবাড়িয়া কলেজ গেইট, বদুরপাড়া রাস্তার মাথাসহ বিভিন্ন এলাকায় সড়কের কার্পেটিং উঠে গিয়ে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। দোহাজারী সদর এলাকায় কার্পেটিং উঠে যাওয়ায় সড়ক ও জনপথ বিভাগ ইট দিয়ে সড়ক মেরামত করেছে। দোহাজারী ব্রিজ থেকে রওশনহাট পর্যন্ত পুরো এলাকা জুড়ে ছোট বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সৃষ্ট এসব গর্তে বৃষ্টির পানি জমে কাঁদা পানিতে মিশে একাকার হয়ে আছে। সড়কের ইট-সুড়কিগুলো এবরো- থেবরো হয়ে পড়ে আছে। এসব গর্তে প্রতিনিয়ত চলন্ত যানবাহন পড়ে গাড়ির মূল্যবান যন্ত্রাংশ নষ্ট হচ্ছে প্রতিনিয়ত। সৃষ্টি হচ্ছে বিভিন্ন এলাকায় যানজট। চলাচলে কষ্ট পাচ্ছে সাধারণ মানুষ। সড়কের এ সকল ক্ষতিগ্রস্ত অংশে স্থায়ী কোন ধরনের মেরামতের কোন ধরনের উদ্যোগ না থাকায় ক্রমশ বাড়ছে এর ভয়াবহতা। বাড়ছে যানজট, বাড়ছে দুর্ঘটনা, সৃষ্টি হচ্ছে চলাচলকারীদের দুর্ভোগ। সড়ক দিয়ে চলাচলকারী যানবাহনের চালকেরা জানান মহাসড়কের ইট, পাথর, বিটুমিন, খোয়া উঠে গিয়ে ছোট বড় শত শত গর্তের সৃষ্টি হয়েছে এ সড়কে। ফলে এ মহাসড়কে গাড়ি চালানো খুব কষ্টসাধ্য ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাছাড়া গাড়ির যন্ত্রাংশের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। বর্তমান সরকার সারাদেশে উন্নয়ন কাজে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে আসলেও সরকারের সৎ উদ্দেশ্য প্রতিনিয়ত ব্যাহত হচ্ছে এ সড়কে। এ মহাসড়ক দিয়ে পর্যটন নগরী কক্সবাজার, বান্দরবান, বাণিজ্যিক এলাকা টেকনাফে যেতে হয় এ সড়ক দিয়ে। প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন চলাচল করে এ সড়কে। পর্যটকদের আধাঘন্টার এ সড়ক পার হতে লাগছে ১ ঘণ্টারও বেশি। এ ব্যাপারে দোহাজারী সড়ক ও জনপথ বিভাগের সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, আপাদকালীন বরাদ্দ দিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে। সড়ক মেরামতের জন্য বড় প্রকল্পের প্রয়োজন, তাই যথাযথ বরাদ্দ চেয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রস্তাব পাঠানো হবে বলে তিনি জানান।

Share