নিজস্ব প্রতিবেদক

‘জ্ঞানভিত্তিক আলোকিত সমাজ বিনির্মাণের মাধ্যমে সমৃদ্ধ সংস্কৃতির বিকাশ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট, চট্টগ্রাম দিনব্যাপী রাজস্ব হালখাতা ও বৈশাখী উৎসব পালন করছে। দিনব্যাপী এ আয়োজনের অংশ হিসাবে কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট কার্যালয়কে সাজানো হয় নতুন সাজে।
গতকাল (রবিবার) সকাল ৯টা থেকে ‘ওপেন হাউজ ডে’ পরিবেশে ‘রাজস্ব হালখাতা’ শুরু হয়। গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য মাটির হাঁড়ি-পাতিল, কুলো, মুখোশ, হাতপাখা, রং- বেরংয়ের দেয়াল কার্টুনে সাজানো হয় কমিশনারেট ভবন। রাজস্ব আহরণের বিষয়টি ব্যক্তি বা ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানের পরিসর থেকে জাতীয় পর্যায়ে বকেয়া রাজস্ব আহরণের মাধ্যমে উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় অধিকতর অবদান রাখার লক্ষে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও এর অধীন সকল দপ্তর গতকাল (১৫ এপ্রিল) রাজস্ব হালখাতা ও বৈশাখী উৎসবের আয়োজন করে। উৎসব ও আনন্দের পাশাপাশি বকেয়া রাজস্ব আদায় এবং বাংলা নববর্ষ ১৪২৫ বরণ করে নেওয়ার এক আনন্দঘন আয়োজনের মধ্য দিয়ে কর প্রদানের সংস্কৃতি বাঙালি সংস্কৃতিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে।
হালখাতার মাধ্যমে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা ও রাজস্ববান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষে বন্ড কমিশনারেটের সম্মেলন কক্ষে সকাল ১১টায় রাজস্ব হালখাতা বিষয়ক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বন্ড কমিশনারেটের সম্মানিত কমিশনার মো. আজিজুর রহমান অংশীজন এবং বকেয়া রাজস্ব সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও এর প্রতিনিধিদের নিকট উক্ত রাজস্ব হালখাতার গুরুত্ব তুলে ধরেন ও রাজস্ব বকেয়া পরিশোধের জন্য উৎসাহিত করেন। প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের প্রতিনিধির মাধ্যমে চালান ও পে-অর্ডারের মাধ্যমে স্বতঃস্ফূর্তভাবে বকেয়া রাজস্ব পরিশোধের মাধ্যমে হালখাতার আয়োজনকে সাফল্যম-িত করে।
অনুষ্ঠানে সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিজিএমপিএ, বেপজা, চট্টগ্রাম চেম্বারসহ অন্যান্য অংশীজন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত অতিথিদের বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী খাবারের মাধ্যমে আপ্যায়ন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বন্ড কমিশনারেটের সম্মানিত কমিশনার মো. আজিজুর রহমান বকেয়া রাজস্ব প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহকে পরবর্তী বছরের জন্য বিভিন্ন প্রণোদনা দেওয়ার ঘোষণা দেন এবং আমন্ত্রিত অতিথিদের উপহার হিসাবে বই প্রদান করেন।

Share