নীড়পাতা » অগোছালো » এনামসহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির ১৪ জন জেলে

এনামসহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির ১৪ জন জেলে

বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মামলার রায় ঘোষণার আগের দিন চট্টগ্রাম-কক্সবাজার আরকান মহাসড়কের পটিয়া উপজেলার শান্তিরহাট এলাকায় বিস্ফোরক ও ককটেল নিক্ষেপ মামলায় দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এনামুল হক এনামসহ ১৪ নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রবিবার দুপুরে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. শহীদুল্লাহ কায়ছারের আদালতে আত্মসমর্পন করতে গেলে বিজ্ঞ বিচারক শুনানিশেষে জামিন নামঞ্জুর করে তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এনামুল হক এনাম ছাড়া অন্যরা হলেন : আবুল হোসেন বাবুল, খাইরুল আমিন বাবুল, মো. আলী, মো. সোলাইমান, মো. মনোয়ার, মো. জাকারিয়া, মো. শাহজাহান, আনোয়ার হোসেন মনজু, নজরুল ইসলাম, আবদুস শুক্কুর, এরশাদুজ্জামান, মো. নাসির ও মো. শরীফ। একই মামলায় পটিয়ার সাবেক এমপি গাজী মো. শাহজাহান জুয়েল সমর্থিত ৪১ জন নেতাকর্মী হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিনেরয়েছেন। তাদের পরবর্তী তারিখ ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত। ওই মামলায় এজাহারনামীয় ৮৯ জন ও অজ্ঞাতনামা ২৫০ জন আসামি রয়েছে।
জানা গেছে, বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া এতিমদের টাকা আত্মসাত করার মামলা যেদিন রায় ঘোষণ করা হবে তার আগের দিন পটিয়া থানায় একটি বিস্ফোরক মামলা রেকর্ড হয়। এতে পটিয়ার সাবেক সংসদ সদস্য গাজী মো. শাহজাহান জুয়েল ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এনামুল হক এনামসহ ৮৯ জন এজাহাজার-নামীয় ও অজ্ঞাতানামা ২৫০ জনকে আসামি করা হয়। এতে দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এনামুল হক এনামও আসামি। হাইকোর্ট থেকে আসামিরা জামিনে এসে রবিবার দুপুরে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজিরা দিতে গেলে বিজ্ঞ বিচারক শুনানিশেষে তাদেরকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম আদালতের পুলিশ পরিদর্শক স্বপন কুমার জানান, একটি বিস্ফোরক মামলায় আদালত ১৪ জনের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাফরুল ইসলাম চৌধুরী জানান, আদালত জামিন না মঞ্জুর না করে কারাগারে পাঠালেও আমরা দলীয়ভাবে আইনি মোকাবেলা করব। পটিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলার রায় ঘোষণার আগের দিন সারাদেশের ন্যায় পটিয়ায়ও দলের নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা রেকর্ড হয়েছে। নেতাকর্মীরা আইনকে শ্রদ্ধা করে হাইকোর্ট থেকে জামিন এলেও চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজিরা দিতে গেলে এনাম ভাইসহ ১৪ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

Share