নিজস্ব প্রতিবেদক

‘ডিসি হিলে আগের মত যেকোন উদ্দীপনামূলক সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড অব্যাহত থাকবে।’ গত ১৪ এপ্রিল শনিবার নগরীর ডিসি হিলে বর্ষবরণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে চট্টগ্রামের ঐতিহ্য সাংস্কৃতিক প্রাণকেন্দ্র ডিসি হিলে সাংস্কৃতিক কর্মকা- চলমান রাখার এ আন্দোলনে সংস্কৃতিকর্মীদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে এমন ঘোষণা দেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন। সংস্কৃতি কর্মীদের সাথে প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রামের সংস্কৃতি চর্চার সাথে ডিসি হিল ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এই সত্য কথাটি প্রশাসন জানে। আমার জানা মতে এখানে সাংস্কৃতিক কর্মকা- আয়োজনের ব্যাপারে সরকারি কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। শুধুমাত্র সরকারি কর্মকর্তাদের বাসভবন হওয়ায় এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনে সৃষ্ট শব্দকম্পনের কারণে ওনাদের সামান্য অসুবিধা সৃষ্টি হচ্ছে। কিন্তু এ সমস্যা তো সহজেই সমাধানযোগ্য।
তিনি আরো বলেন, ডিসি হিলে বিগত ৪০ বছর ধরে নববর্ষের অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়ে আসছে। নববর্ষের উৎসব বলতে চট্টগ্রামের মানুষ ডিসি হিলের অনুষ্ঠানকেই বুঝেন। সুতরাং চট্টগ্রামের নববর্ষ পালনের ইতিহাসের সাথে ডিসি হিলও জড়িয়ে গেছে। এখানে সাংস্কৃতিক কর্মকা- বন্ধ করা যাবে না। প্রয়োজনে আমি বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকের সাথে বসব আলোচনা করব। এ ব্যাপারে কি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায় তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হবে। ওনাদের অসুবিধাগুলো পর্যালোচনা করা হবে। অনুষ্ঠান আয়োজনে সরকারি কর্মকর্তাদের যাতে কোন সমস্যা সৃষ্টি না হয় সে ব্যাপারে সংস্কৃতি কর্মীদের সাথে আলোচনা করা হবে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে যাতে অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা হয় বা নিয়ন্ত্রিত কর্মসূচি পালন করা হয় সে বিষয়েও পরিকল্পনা গ্রহণের জন্য সংস্কৃতি কর্মীদের অনুরোধ জানানো হবে।
সম্মিলিত পহেলা বৈশাখ উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক আহমেদ ইকবাল হায়দারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পহেলা বৈশাখ বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে নগরবাসীকে শুভেচ্ছা জানানোর সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, চসিক কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, নগর আওয়ামীলীগের সদস্য বেলাল আহমেদ, মোরশেদুল আলম, সংস্কৃতি কর্মী অলোক ঘোষ পিন্টু, পঞ্চানন চৌধুরী, সুচরিত দাশ খোকন, মোহাম্মদ আলী টিটু, আবদুল হাদী, মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, রিপন বড়–য়া প্রমুখ।

Share