নিজস্বসংবাদদাতা , চন্দনাইশ

উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ধানি জমি থেকে টপসয়েল কেটে নিলেও প্রশাসন সম্পূর্ণ নীরব। পৌরসভার মহাজন ঘাটা এলাকায় লিজ নেয়া জমি থেকেও অবাধে স্ক্যাভেটর দিয়ে মাটি কাটলেও দেখার যেন কেউ নেই।
সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার বিল থেকে অবাধে টপসয়েল কেটে নিলেও প্রশাসন অজানা কারণে নীরব রয়েছে। প্রতিদিন শত শত ড্রাম্পার ভর্তি করে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাটি নিয়ে যাচ্ছে অবৈধ মাটি ব্যবসায়ীরা। সেইসাথে জমির মালিককে কোন রকম অবহিত না করে মাটি নিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ রয়েছে।
এ ব্যাপারে নির্বাহী কর্মকর্তা লুৎফুর রহমান বলেছেন, উল্লেখিত জমিতে কিছু অংশ মালিকানাধীন রয়েছে। লিজ নেয়া অংশে মাটি কাটছে কিনা, তিনি দেখবেন। তিনি বলেন, একসনা লিজ নেয়া জমির রূপ পরিবর্তন করা যাবে না। এদিকে নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক মাটি ব্যবসায়ীদের একজন জানান, পুলিশ ও প্রশাসনকে ম্যানেজ করে তারা মাটি কাটছেন। এজন্য মাসোহারা দিতে হচ্ছে। এলাকার সচেতন মহল এ ব্যাপারে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন। অন্যথায় সরকারি খাস জমি লিজ নিয়ে মাটি কেটে সাবার করে দেবে। তাছাড়া চন্দনাইশের ধানি জমির টপসয়েল কেটে উৎপাদন ব্যাহত করবে।
উল্লেখ্য, ২০১৩-২০১৫ সাল পর্যন্ত তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইশরাত রেজার সময়কালীন এভাবে কেউ মাটি কাটার সাহস পায়নি। তার লাল গাড়ি দেখলেই পালাত গাড়ির চালকেরা। এখন সে দৃশ্য আর চোখে পড়ে না। উজার হয়ে যাচ্ছে ধানি জমির টপসয়েল ও ইজারা নেয়া জমির মাটি। মাটি কাটার ক্ষেত্রে সরকারি দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি-এলডিপি’র নেতাকর্মীদের মধ্যেও যেন রয়েছে সখ্য ও সমঝোতা। কেননা, জমির টপসয়েল রক্ষায় কোন পক্ষ থেকেই কোন উদ্যোগ নেই।

Share