জাহেদুল আলম রাউজান

প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত দু’জনের বিরুদ্ধে রাউজান থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে। গতকাল সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টায় র্যাবের একটি দল ধৃত দু’জনকে রাউজান থানায় হস্তান্তর করে। আটককৃতরা হলেন, ডাবুয়া ইউনিয়নের জগন্নাথ হাট এলাকার নুরুচ্ছাফার পুত্র নুরুল আফসার সবুজ (২০) ও একই এলাকার আলমের পুত্র ইমরান হোসেন মনির (১৭)। আটককৃত দু’জনের বিরুদ্ধে পাবলিক পরীক্ষা আইনে রাউজান থানায় মামলা রুজু করা হয়। ধৃত দু’জনকে থানায় নিয়ে গেলে পরিবারের লোকজন তাদের সাথে সাক্ষাত করেন।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে এসএসসি পরিক্ষার্থী ইমরান। শতভাগ নিশ্চয়তায় একটি ফেসবুক গ্রুপ থেকে ৫শ টাকা দিয়ে প্রশ্নপত্র কিনে। ২শ টাকা করে দু’জনের নিকট বিক্রি করে। এতে ব্যবহৃত বিকাশ নম্বারটি দ্বারা তাদের আটক করে র্যাব। সবুজ নামের অপরজন ফেঁসে গেছে উল্লেখ করে বলেন, আমার একটি টেলিকম সেন্টার আছে। সেখানে বিকাশের এজেন্টও আছে। ইমরান আমার প্রতিষ্ঠানের বিকাশ নাম্বার দিয়ে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অর্থ আনায় আমি ফেঁসে গেছি। ইমরান বিকাশে কিসের টাকা এনেছে তাও আমি জানতাম না।
রাউজান থানার ওসি কেপায়েত উল্লাহ বলেন ‘র্যাবের একটি দল প্রশ্ন ফাঁসে জড়িত দু’জনকে থানায় হস্তান্তর করেছে। তাদের বিরুদ্ধে পাবলিক পরীক্ষা আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। আটক দু’জনকে আজ মঙ্গলবার কোর্টে প্রেরণ করা হবে।
রাউজান উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে রাউজান থেকে কেউ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হয়েছে কিনা আমার জানা নেই। তবে পত্রিকায় এ ধরণের সংবাদ আমি দেখেছি।’