ইসলামিক ঐতিহ্য পর্যটনে নতুন দ্বার উন্মোচনের দিকে বাংলাদেশের দৃষ্টির অংশ হিসেবে অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশন (ওআইসি) সদস্য দেশগুলোর পর্যটনমন্ত্রীদের নিয়ে ঢাকায় ইসলামিক পর্যটন সম্পর্কিত এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা . নাসির উদ্দিন আজ বাসসকে বলেছেন, প্রথমবারের মত বাংলাদেশে ইসলামিক দেশগুলোর পর্যটনমন্ত্রীদের নিয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানটি মুসলিম বিশ্বে ইসলামিক ঐতিহ্য তুলে ধরতে বাংলাদেশের জন্য একটি সুযোগ হিসেবে দেখা হয়েছে।
ইসলামিক কনফারেন্স অব ট্যুরিজম মিনিস্ট্রি (আইসিটিএম) শীর্ষক সম্মেলনটি ফেব্রুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারি হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এবারের সম্মেলনের মূলভাবপ্রোমোটিং রিজিওনাল ইন্টিগ্রেশন থ্রু ট্যুরিজম
ওআইসি ৫৭ টি সদস্য দেশের মন্ত্রী প্রতিনিধিদের তথা মুসলিম বিশ্বের নেতৃবৃন্দের সামনে আমাদের ইসলামিক ঐতিহ্য তুলে ধরার চেষ্টায় কমতি রাখা হয়নি।
. নাসির উদ্দিন বলেন, ওআইসি বুঝতে পেরেছে যে ট্যুরিজম খাতে বাংলাদেশের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে এবং তাই বাংলাদেশকে সদস্য দেশগুলো নিয়ে এই খাতে বিভিন্ন সম্মেলন আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে তারা উৎসাহিত করেছে।
সম্মেলনে প্রধান যে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয় তা হলো. ইসলামিক পর্যটন খাতের উন্নয়ন, . পর্যটন খাতের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, . ওআইসি ট্যুরিজম ফেয়ার এবং . ২০১৯ এবং ২০২০ সালে ওআইসি ট্যুরিজম অ্যাওয়ার্ড।
আইসিটিএমএর প্রতি মিটিং ওআইসির সদস্য দেশগুলোর মধ্য থেকে দুটি শহরকেক্যাপিটাল অব ইসলামিক ট্যুরিজম ঘোষণা করার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০১৯ অথবা ২০২০ সালে ঢাকাকে ইসলামিক ট্যুরিজমের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করার প্রস্তাব করা হবে।
এর আগে ৯ম অধিবেশনে ২০১৭ সালে মদিনা ২০১৮ সালের জন্য ইরানের তাবরিজকে ইসলামিক ট্যুরিজমের নগরী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
উল্লেখ্য, ইন্দোইসলামিক ঐতিহ্যগত কারণে মসজিদের নগরী ঢাকাকে ইসলামিক ট্যুরিজম সিটি ঘোষণা করার ব্যাপারে সরকার অত্যন্ত আশাবাদি। যদি হয় তাহলে মুসলিম বিশ্বে ঢাকার ইসলামিক ট্যুরিজম তুলে ধরে পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে বছরব্যাপী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।
এছাড়া বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড (বিটিবি) আগামী ২০২০ সালে প্রস্তাবিত ৫ম ওআইসি ট্যুরিজম মেলার আয়োজক হতে প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এছাড়া সম্মেলনে বাংলাদেশে বাস্তাবায়নাধীন ইসলামিক ট্যুরিজমের কিছু নতুন প্রকল্প তুলে ধরা হয়।
[সূত্র : পত্রপত্রিকা] নাসরিন আকতার