নিজস্ব ক্রীড়া প্রতিবেদক

বাংলাদেশ যুব গেমসের চতুর্থ দিনের এথলেটিক্সের ট্র্যাকে ঝড় তুলেছেন সৈকত শহর কক্সবাজারের নুর বাহার বেগম। ১০০ মিটার স্প্রিন্ট, হাই জাম্পে স্বর্ণ ২০০ মিটার স্প্রিন্টে ব্রোঞ্জ পদক পেয়ে বিভাগের সেরা হন কক্সবাজারের এই তরুণী। অন্যদিকে তরুণদের মধ্যে যৌথভাবে সেরা হয়েছেন কুমিল্লার মো. হাসান মিয়া নোয়াখালীর শরীফ হোসেন। বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দশম শ্রেণীর ছাত্র হাসান মিয়া ১০০ মিটার ২০০ মিটার স্প্রিন্টে স্বর্ণ জিতে বেশ প্রশংসিত হন। আর তরুণ বিভাগের হাই জাম্প লং জাম্পে স্বর্ণ জিতে নোয়াখালীর শরীফ হোসেন নিশ্চিত করলেন গেমসের চূড়ান্ত আসর। তরুণীদের ১০০ মিটার স্প্রিন্টে বিজয়ী অন্য দুই প্রতিযোগী হলেন : লক্ষ্মীপুর জেলার তাসলিমা ফেনী জেলার বিবি কুলছুম। অন্যদিকে তরুণদের ১০০ মিটার স্প্রিন্টে বিজয়ী অন্য দুইজন হলেন কুমিল্লা জেলার আবদুল মোতালেব বান্দরবান জেলার জুবায়েল ইসলাম।
চট্টগ্রাম এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে গতকল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এথলেটিক্সের ১৪টি ইভেন্টের মধ্যে ৪টি ইভেন্টে স্বর্ণ লাভ করে নোয়াখালী দলগতভাবে চ্যাম্পিয়ন এবং ৩টি স্বর্ণ পেয়ে কুমিল্লা জেলা রানার্সআপ হয়। শেষে প্রতিযোগীদের হাতে অর্থ পুরস্কার তুলে দেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সিরাজ উদ্দিন মো. আলমগীর মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সম্পাদিকা সাবেক জাতীয় এথলেট শর্মিষ্ঠা রায়। আরো উপস্থিত ছিলেন সংস্থার যুগ্ম সম্পাদক নজরুল ইসলাম লেদু, নির্বাহী সদস্য আসলাম মোর্শেদ প্রমুখ। এদিকে গেমসের ব্যাডমিন্টনে সিবগাত উল্লাহ ফারজানা দ্বিমুকুট লাভ করে সেরা হয়েছেন। গতকাল সিজেকেএস জিমনেসিয়াম ভবনে অনুষ্ঠিত ব্যাডমিন্টনের দ্বৈত ইভেন্টের চট্টগ্রামের সিবগাত আকিবকে সাথে নিয়ে সেটে ফেনীর রাজিব নাদিমকে এবং তরুণী বিভাগের এককে ফারজান সেটে আয়েশাকে আর দ্বৈত ইভেন্টে ফারজানা তিশি চৌধুরী জুটি সেটে লক্ষ্মীপুর জেলার আয়েশা হুমায়রা জুটিকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়।
বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রধান কার্যালয়ের সম্মুখস্থ মাঠে অনুষ্ঠিত কাবাডি তরুণ বিভাগের ফাইনালে বান্দরবান জেলা ৪৭২৭ পয়েন্টের ব্যবধানে স্বাগতিক চট্টগ্রামকে এবং তরুণী বিভাগের ফাইনালে রাঙ্গামাটি জেলা ৫১২৯ পয়েন্টে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মেয়েদের হারিয়ে গেমসের চূড়ান্ত পর্বে খেলার যোগ্যতা লাভ করে