স্বাধীনতা অর্জনে ও মেহনতী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিপ্লবী বিনোদ বিহারী চৌধুরী সব সময় নেতৃত্ব দিয়ে গেছেন। শুধু ব্রিটিশের বিরুদ্ধে নয়, পাকিস্তানী স্বৈরশাসকদের বিরুদ্ধেও তিনি লড়াই করেছেন। জেল খেটেছেন, আবার সশস্ত্র লড়াইয়েও তিনি অংশগ্রহণ করেছেন। ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠায় তিনি ছিলেন আপোষহীন। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন ও আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে তাঁর অবদান জাতি চিরদিন স্মরণে রাখবে। গতকাল বিকালে নগরীর জেএমসেন হলে কাউন্সিল অব ভোক্তা অধিকার বাংলাদেশ (সিআরবি)’র উদ্যোগে বিপ্লবী বিনোদ বিহারী চৌধুরীর ১০৮তম জন্মবার্ষিকী স্মরণে সিআরবির মহাসচিব নক্শাবিদ কেজিএম সবুজের সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন অতিথি ও আলোচকবৃন্দ। সংগঠক নোমান উল্লাহ বাহারের সঞ্চালনায় অনুর্ষ্ঠিত সভায় অতিথি আলোচক ছিলেন ইউএসটিসির উপাচার্য অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বড়–য়া, শহীদজায়া মুশতারী শফি, কবি ও সাংবাদিক অরুণ দাশগুপ্ত, প্রকৌশলী পরিমল কান্তি চৌধুরী, আবৃত্তিকার রনজিৎ রক্ষিত, হাজি মো. আবু নাছের, শাহাদাত হোসেন স্বপন, আব্দুস সামাদ রুবেল, শফিউল, মো. আলীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
হিন্দু ফাউ-েশন:বিপ্লবী বিনোদ বিহারী চৌধুরীর ১০৮তম জন্মদিন যথাযথ মর্যাদায় বাংলাদেশ হিন্দু ফাউ-েশন মিলনায়তনে উদ্যাপন করা হয়। গতকাল সন্ধ্যা ৬টায় বাংলাদেশ হিন্দু ফাউ-েশনের প্রাক্তন চেয়ারম্যান বিপ্লবী বিনোদ বিহারী চৌধুরীর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ, জন্মদিনের কেক কাটা, আলোচনা অনুষ্ঠান ও উপস্থিত অতিথিদের আপ্যায়নের মাধ্যমে এ অনুষ্ঠান উদ্যাপন করা হয়। বাংলাদেশ হিন্দু ফাউ-েশনের আয়োজনে জন্মদিন উপলক্ষে বাহিফার চেয়ারম্যান দুলাল কান্তি মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তরা বলেন, বিপ্লবী বিনোদ বিহারী চৌধুরী একজন দেশপ্রেমিক, সমাজহিতৈষী ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার আলোকিত ব্যক্তিত্ব ছিলেন। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন প্রকৌশলী পরিমল কান্তি চৌধুরী, নারায়ণ কৃষ্ণ গুপ্ত, এডভোকেট নিতাই প্রসাদ ঘোষ, আশুতোষ সরকার, অধ্যাপক হারাধন নাগ, তাপস হোড় প্রমুখ। -বিজ্ঞপ্তি