ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : পারমাণবিক হামলা অথবা বিস্ফোরণ থেকে কীভাবে নিজের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে সেব্যাপারে চীনের নাগরিকদের সতর্ক করে দিয়েছে দেশটির সরকারি একটি গণমাধ্যম। উত্তর কোরিয়া সীমান্তের চীনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের শহর জিলিন সিটি থেকে প্রকাশিত সরকারি ওই দৈনিকে বুধবার ‘কমন সেন্স’ শিরোনামে এক পৃষ্ঠার পরামর্শ প্রকাশ করা হয়েছে। এতে পারমাণবিক হামলা থেকে সুরক্ষার বিভিন্ন উপায় সম্পর্কে পাঠকদের জানিয়ে দেয়া হয়।
উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির জেরে চীন গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে। এছাড়া পিয়ংইয়ংকে উসকানি দেয়া থেকে বিরত থাকতে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিও আহ্বান জানিয়ে আসছে বেইজিং।
দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র পাঁচ দিনব্যাপী যৌথ সামরিক মহড়া শুরু করায় বুধবার কোরীয় দ্বীপে মার্কিন বোমারু বিমান উড্ডয়ন করবে।
এ মহড়া কোরীয় দ্বীপকে পারমাণবিক যুদ্ধের কিনাড়ে নিয়ে গেছে বলে সতর্ক করে দিয়েছে উত্তর কোরিয়া।
জিলিন ডেইলি নামের ওই দৈনিক এক পৃষ্ঠার পরামর্শ প্রকাশ করলেও এতে উত্তর কোরিয়া অথবা অন্য কোনো দেশের সম্ভাব্য পারমাণবিক হামলার ব্যাপারে কোনো তথ্য জানানো হয়নি। তবে অন্যান্য প্রচলিত অস্ত্রের সঙ্গে পারমাণবিক অস্ত্রের পার্থক্য এবং হামলা হলে কীভাবে নিজেদের সুরক্ষা নিশ্চত করা যাবে সেব্যাপারে বিস্তারিত ব্যাখ্যা তুলে ধরেছে দৈনিকটি।
এতে বলা হয়েছে, পারমাণবিক অস্ত্রের ধ্বংসযজ্ঞের কয়েকটি উপায় আছে। আর সেগুলো হলো: হালকা বিকিরণ, তরঙ্গ বিস্ফোরণ, প্রাথমিক স্তরেই পরমাণু বিকিরণ এবং তেজস্ক্রিয় দূষণ। পারমাণবিক হামলণার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটও টেনে এনেছে চীনের এই দৈনিক। ১৯৪৫ সালে জাপানের হিরোশিমায় যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক বোমা হামলায় শহরটির ৮০ শতাংশ বাড়ি-ঘর ও ৭০ হাজার মানুষের প্রাণহানির তথ্য জানানো হয়েছে।