নিজস্ব প্রতিবেদক

যানবাহন চলাচলের জন্য আগামী ১৫ ডিসেম্বর খুলে দেওয়া হচ্ছে বহদ্দারহাট র্যাম। বর্তমানে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে র্যাম নির্মাণের কাজ। এর আগে নির্মাণ কাজ শেষ করার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। এটির কাজ শেষ হলে আরাকান সড়কের যাত্রীদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে বলে জানিয়েছে সিডিএ।
বহদ্দারহাট ফ্লাইওভার র্যাম প্রকল্পের পরিচালক ও সিডিএ’র নির্বাহী প্রকৌশলী মাহফুজুর রহমান দৈনিক পূর্বকোণকে বলেন, ‘আগামী ১৫ ডিসেম্বর যানবাহন চলাচলের জন্য বহদ্দারহাট ফ্লাইওভারের র্যাম যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে। বর্তমানে র্যামের শেষ পর্যায়ে কাজ চলছে।’
বহদ্দারহাট এলাকার বাসিন্দা শফিউল আজম দৈনিক পূর্বকোণকে বলেন, র্যাম নির্মাণের কারণে দীর্ঘ ১৩ ধরে আমরা দুর্ভোগের মধ্যে চলাফেরা করছি। আগামী ১৫ ডিসেম্বর যানবাহন চলাচলের জন্য এটি খুলে দেওয়া হলে জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘব হবে।
২০ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রায় ৭০০ মিটার দৈর্ঘ্যরে বহদ্দারহাট ফ্লাইওভারের র্যাম নির্মাণের কাজ শুরু হয় ২০১৬ সালের অক্টোবরে। এ সময়ে বহদ্দারহাট মোড় থেকে আরাকান সড়কের এক পাশ দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। সড়কের অপর পাশ দিয়ে যানবাহন চলাচলের কারণে সারাক্ষণ যানজট লেগে থাকে। কাপ্তাই রাস্তার মাথা থেকে বহদ্দারহাটমুখী যাত্রীদের বাস টার্মিনাল হয়ে নতুন চান্দগাঁও থানার সামনে দিয়ে আসতে হয়। এমনকি নগরীর বৃহত্তম আবাসিক চান্দগাঁও এ এবং বি ব্লকের বাসিন্দা, চান্দগাঁও, মোহরা এলাকার বাসিন্দারা বহদ্দারহাট বাস টার্মিনালের ভিতর দিয়ে আসতে হচ্ছে। র্যাম নির্মাণে এতদিন ধীরগতির কারণে দীর্ঘ তের মাস ধরে আরাকান সড়কের যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
প্রসঙ্গত, নগরীর ব্যস্ততম এলাকা বহদ্দারহাট মোড়। কালুরঘাট ও কাপ্তাই রাস্তার মাথা থেকে আরাকান সড়ক হয়ে আসা সকল যানবাহন এবং নতুন ব্রিজ, চকবাজার ও মুরাদপুর থেকে আসা তিনটি সড়কের যানবাহন অতিক্রম করে এই মোড় দিয়ে। এরমধ্যে র্যাম নির্মাণের কাজ শুরুর পর গত গত ১৩ মাসের অধিক সময় ধরে বহদ্দারহাট মোড় থেকে বাস টার্মিনাল পর্যন্ত একমুখী সড়ক খোলা রেখে অপরটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে সারাদিন যানজট লেগে থাকে বহদ্দারহাট মোড়সহ আশেপাশে সড়কসমূহে।