স্পোর্টস ডেস্ক

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগে (বিপিএল) এবার দাপট বিদেশিদেরই। আর হবেই বা না কেন? ফ্রন্টলাইনে খেলছেন সব বিদেশিরাই। ফলে দুই একজন প্রতিষ্ঠিত দেশি খেলোয়াড় ছাড়া সুযোগ মিলছে না কারও। ফলে শেষ দিকে নিজেকে প্রমাণ করার যথেষ্ট সুযোগ পাচ্ছেন না স্থানীয় খেলোয়াড়রা। এতে বিপিএল থেকে দুই একজন নতুন পারফরমার বের হয়ে আসা বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে। এমনটাই মনে করেন বাংলাদেশ দলের প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিপিএলের পঞ্চম আসর থেকে দুই একজন নতুন তারকা পেলে খুশি হবেন বলে জানালেন নান্নু। তবে বিদেশিদের ভিড়ে কাজটি খুব কঠিন হবে বলে মনে করেন সাবেক অধিনায়ক, ‘আমার মনে হয়, আমরা যদি এই টুর্নামেন্ট থেকে দুই তিনজন ভালো পারফরমার পাই, সেটা আমাদের জন্য অনেক বড় পাওয়া হবে। যেহেতু সব টিমেরই ফ্রন্টলাইনে বিদেশিরা খেলছে, সেহেতু দেশি খেলোয়াড়দের জন্য পারফর্ম করা কষ্টকর। তাদের খুব পরিশ্রম করতে হচ্ছে।এবারের আসরে পাঁচ জন করে বিদেশি খেলোয়াড় খেলছে। ফলে দেশি খেলোয়াড়রা কিছুটা হলেও চাপে রয়েছেন বলে মনে করেন নান্নু, ‘আপনি দেখবেন সব দলের ফ্রন্টলাইনে বিদেশি খেলোয়াড়রা ডমিনেট করছে। এই জিনিসটা কমতো, যদি আরেকটা দল থাকতো। দল কম থাকায় চাপটা চলে আসছে। তারপরও সুযোগ পেলে ভালো খেলাটা গুরুত্বপূর্ণ।টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত গড়ে প্রতি দলের তিনটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এখনও অনেক লম্বা পথ বাকি। তাই খুব শিগগিরই দেশি খেলোয়াড়রা জ্বলে উঠবেন বলে বিশ্বাস করেন নান্নু, ‘একেকটা দল অন্তত ১২টা করে ম্যাচ পাবে। এখন পর্যন্ত তিনটা করে খেলা গেছে। আমার মনে হয় যে, অন্তত ৭০ ভাগ ম্যাচ শেষ না হলে পারফর্ম মূল্যায়ন করতে পারবেন না। কারণ টিটোয়েন্টিতে একজন খেলোয়াড় খুব কম সুযোগ পায়। সুতরাং একটা দুইটা ম্যাচ দেখে বিচার করা যাবে না। এতো শর্টার ভার্সন, এখানে সব কিছু অনেক কঠিন। আমার মনে হয় খেলোয়াড়দের আরো মনোযোগ বাড়ানো উচিত, আরো পারফর্ম করা।